Federation of Bangladesh Human Rights Organizations-FBHRO

Federation of Bangladesh Human Rights Organizations-FBHRO Bangladesh Human Rights Federation (BHRF.)

সবার কাছে দোয়ার আবেদন।বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান এবং এনডিপির মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা বর্তমানে B...
05/07/2026

সবার কাছে দোয়ার আবেদন।

বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান এবং এনডিপির মহাসচিব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা বর্তমানে Bangladesh Medical University (সাবেক পিজি) হাসপাতালের ব্লক সি/এ, ০৮ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

তিনি প্রখ্যাত চিকিৎসক Professor Dr. Sayem Al Mansur Fayezi স্যারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা গ্রহণ করছেন।

আমরা তাঁর দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। মহান আল্লাহ তাআলা যেন তাঁকে দ্রুত পূর্ণ সুস্থতা দান করেন এবং আবারও সুস্থভাবে সবার মাঝে ফিরিয়ে আনেন, এই দোয়াই করি।

সবাই তাঁর সুস্থতার জন্য দোয়া করবেন। আমিন।

মঞ্জুর হোসেন ঈসা: ক্রীড়াঙ্গন থেকে মানবাধিকার, সমাজসেবা থেকে রাজনীতি—এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্বের অনন্য অভিযাত্রাবাংলাদেশে...
09/06/2026

মঞ্জুর হোসেন ঈসা: ক্রীড়াঙ্গন থেকে মানবাধিকার, সমাজসেবা থেকে রাজনীতি—এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্বের অনন্য অভিযাত্রা

বাংলাদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, মানবাধিকার ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এমন কিছু মানুষ আছেন, যাদের কর্মপরিধি একটি নির্দিষ্ট ক্ষেত্রের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তারা নিজেদের যোগ্যতা, মেধা, সাংগঠনিক দক্ষতা ও মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির মাধ্যমে একাধিক ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে সমাজে বিশেষ পরিচিতি অর্জন করেছেন। তেমনই একজন বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা।
ক্রীড়া সংগঠক, মানবাধিকারকর্মী, সমাজসেবক, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, উপস্থাপক, আবৃত্তিশিল্পী, লেখক, শিক্ষানুরাগী ও সংগঠক—প্রতিটি পরিচয়ের মধ্যেই রয়েছে তার কর্মময় জীবনের উজ্জ্বল স্বাক্ষর। দীর্ঘ সময় ধরে সমাজ ও মানুষের কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে তিনি নিজেকে একটি প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরিত করেছেন।
সংগ্রাম, স্বপ্ন ও আত্মপ্রত্যয়ের গল্প
মঞ্জুর হোসেন ঈসার জীবন কেবল ব্যক্তিগত সাফল্যের ইতিহাস নয়; এটি একজন মানুষের সমাজের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করার গল্প। শৈশব থেকেই তিনি নেতৃত্ব, সংস্কৃতি, খেলাধুলা ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের প্রতি আগ্রহী ছিলেন। ছাত্রজীবনে বিভিন্ন সাংগঠনিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে তার নেতৃত্বগুণ বিকশিত হয়।
তিনি বিশ্বাস করতেন, একজন মানুষের প্রকৃত পরিচয় তার পদবিতে নয়, বরং মানুষের জন্য তার কাজের মধ্যে নিহিত। সেই বিশ্বাস থেকেই তিনি নিজেকে জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করেন এবং ধীরে ধীরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে নিজের অবস্থান সুদৃঢ় করেন।
ক্রীড়াঙ্গনে নেতৃত্বের উজ্জ্বল অধ্যায়
বাংলাদেশের ক্রীড়া অঙ্গনে একজন সংগঠক হিসেবে মঞ্জুর হোসেন ঈসার সম্পৃক্ততা তার কর্মজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তিনি ক্রীড়াকে কেবল বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে নয়, বরং তরুণ সমাজকে সুস্থ, সচেতন ও দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার অন্যতম কার্যকর মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করেন।
বিভিন্ন ক্রীড়া সংগঠন ও প্রতিযোগিতার সঙ্গে সম্পৃক্ত থেকে তিনি তরুণদের মাঝে খেলাধুলার প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি এবং মাদক ও অপরাধমুক্ত সমাজ গঠনের বার্তা পৌঁছে দিতে কাজ করেছেন। তার মতে, খেলাধুলা শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও সহনশীলতার শিক্ষা দেয়, যা জাতি গঠনের জন্য অপরিহার্য।
মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে সক্রিয় কণ্ঠস্বর
মানবাধিকার আন্দোলনের ক্ষেত্রেও মঞ্জুর হোসেন ঈসার ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার বিষয়ক বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে যুক্ত রয়েছেন এবং নির্যাতিত, বঞ্চিত ও অধিকারহারা মানুষের পক্ষে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছেন।
নারী, শিশু, প্রবীণ, শ্রমজীবী মানুষ এবং প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর অধিকার রক্ষায় তার সক্রিয় ভূমিকা বিভিন্ন মহলে প্রশংসিত হয়েছে। মানবাধিকারবিষয়ক সেমিনার, গোলটেবিল বৈঠক, আলোচনা সভা এবং জনসচেতনতামূলক কর্মসূচিতে তার উপস্থিতি ও বক্তব্য সমাজে ইতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
তিনি মনে করেন, মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ছাড়া টেকসই উন্নয়ন ও ন্যায়ভিত্তিক সমাজ প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়।
সমাজসেবায় মানবিকতার অনন্য দৃষ্টান্ত
সমাজের অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও প্রান্তিক মানুষের পাশে দাঁড়ানো মঞ্জুর হোসেন ঈসার অন্যতম বৈশিষ্ট্য। বিভিন্ন সময়ে তিনি শীতবস্ত্র বিতরণ, ত্রাণ সহায়তা, চিকিৎসা সহায়তা, শিক্ষা উপকরণ বিতরণ এবং মানবিক সহায়তামূলক নানা কর্মসূচিতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
তার মতে, সমাজ পরিবর্তনের জন্য কেবল বক্তৃতা নয়, বাস্তব কাজের প্রয়োজন। এই বিশ্বাস থেকেই তিনি সমাজসেবাকে নিজের জীবনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেছেন।
রাজনীতিতে জনমুখী চিন্তার প্রতিফলন
রাজনৈতিক অঙ্গনেও মঞ্জুর হোসেন ঈসা একজন পরিচিত ব্যক্তিত্ব। তিনি রাজনীতিকে ব্যক্তিগত স্বার্থ অর্জনের পথ হিসেবে নয়, বরং মানুষের কল্যাণ ও সমাজ পরিবর্তনের একটি কার্যকর মাধ্যম হিসেবে দেখেন।
দেশের গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে তিনি বিভিন্ন সময়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। তার রাজনৈতিক চিন্তার কেন্দ্রে রয়েছে জনকল্যাণ, জবাবদিহিতা ও মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়।
উপস্থাপনার জগতে সুপরিচিত নাম
মঞ্জুর হোসেন ঈসা একজন দক্ষ ও জনপ্রিয় উপস্থাপক হিসেবেও সুপরিচিত। দীর্ঘদিন ধরে তিনি বিভিন্ন জাতীয় দিবস, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, আলোচনা সভা, স্মরণসভা, সেমিনার ও রাজনৈতিক কর্মসূচিতে সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
তার সাবলীল ভাষা, স্পষ্ট উচ্চারণ, তাৎক্ষণিক উপস্থাপনা দক্ষতা এবং অনুষ্ঠান পরিচালনার বিশেষ কৌশল তাকে একজন ব্যতিক্রমী উপস্থাপক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
আবৃত্তিচর্চায় শিল্পসত্তার প্রকাশ
সংস্কৃতিমনা ব্যক্তিত্ব হিসেবে আবৃত্তি জগতেও রয়েছে তার সক্রিয় উপস্থিতি। বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির প্রতি গভীর অনুরাগ থেকেই তিনি আবৃত্তিচর্চার সঙ্গে যুক্ত হন।
মহান মুক্তিযুদ্ধ, ভাষা আন্দোলন, দেশপ্রেম, মানবতা ও ইতিহাসভিত্তিক কবিতা আবৃত্তির মাধ্যমে তিনি শ্রোতাদের হৃদয়ে বিশেষ স্থান করে নিয়েছেন। তার কণ্ঠে আবৃত্তি কেবল শব্দের উচ্চারণ নয়, বরং অনুভূতির গভীর প্রকাশ।
লেখক হিসেবে চিন্তার বিস্তার
লেখালেখির জগতেও মঞ্জুর হোসেন ঈসা একটি পরিচিত নাম। ইতিহাস, রাজনীতি, সমাজ, মানবাধিকার, সংস্কৃতি এবং সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে তিনি নিয়মিত লেখালেখি করে আসছেন।
জাতীয় দৈনিক, অনলাইন সংবাদমাধ্যম, স্মারকগ্রন্থ ও বিভিন্ন প্রকাশনায় তার লেখা প্রকাশিত হয়েছে। তার লেখায় ইতিহাসচেতনা, মানবিক মূল্যবোধ এবং সমাজ পরিবর্তনের প্রত্যাশা স্পষ্টভাবে প্রতিফলিত হয়।
অনলবর্ষী বক্তা হিসেবে জনপ্রিয়তা
মঞ্জুর হোসেন ঈসার বক্তৃতা শ্রোতাদের কাছে বিশেষভাবে সমাদৃত। ইতিহাস, রাজনীতি, মানবাধিকার, শিক্ষা ও সংস্কৃতি নিয়ে তার বিশ্লেষণধর্মী বক্তব্য শ্রোতাদের ভাবতে শেখায় এবং অনুপ্রাণিত করে।
তার বক্তব্যের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো তথ্যনির্ভর উপস্থাপন, যুক্তির দৃঢ়তা এবং শ্রোতাদের সঙ্গে তাৎক্ষণিক সংযোগ স্থাপনের ক্ষমতা। এ কারণেই বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে তাকে বক্তা হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়।
শিক্ষার উন্নয়নে নিবেদিত এক সংগঠক
মঞ্জুর হোসেন ঈসা শিক্ষা বিস্তারকে জাতীয় উন্নয়নের প্রধান হাতিয়ার হিসেবে মনে করেন। তিনি বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সঙ্গে সম্পৃক্ত এবং স্কুল পরিচালনা কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে ভূমিকা রেখে চলেছেন।
তিনি মনে করেন, একটি শিক্ষিত জাতিই পারে একটি উন্নত ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ে তুলতে। তাই শিক্ষার প্রসার ও মানোন্নয়নে তার আগ্রহ ও উদ্যোগ সবসময়ই লক্ষণীয়।
সম্মাননা ও স্বীকৃতির দীর্ঘ তালিকা
দীর্ঘ কর্মজীবনে সামাজিক, সাংস্কৃতিক, মানবাধিকার, শিক্ষা, ক্রীড়া ও সংগঠনমূলক কর্মকাণ্ডে অবদানের জন্য দেশ-বিদেশে বহু সম্মাননা ও স্বীকৃতি অর্জন করেছেন মঞ্জুর হোসেন ঈসা।
ভারত থেকে প্রাপ্ত “সেরা বাঙালি সম্মাননা” তার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির অন্যতম উজ্জ্বল উদাহরণ। এছাড়া বাংলাদেশে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক, সাহিত্যিক, মানবাধিকার ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শতাধিক স্মারক, ক্রেস্ট, সম্মাননা পদক ও বিশেষ স্বীকৃতি লাভ করেছেন।
ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা
মঞ্জুর হোসেন ঈসা বিশ্বাস করেন, একটি জাতির ভবিষ্যৎ নির্ভর করে তরুণ প্রজন্মের ওপর। তাই তিনি তরুণদের শিক্ষা, সংস্কৃতি, খেলাধুলা, মানবিক মূল্যবোধ ও নেতৃত্ব বিকাশে উৎসাহিত করার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
তার স্বপ্ন একটি বৈষম্যহীন, মানবিক, শিক্ষিত ও উন্নত বাংলাদেশ, যেখানে মানুষ তার মৌলিক অধিকার নিয়ে মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকতে পারবে।

মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসার কর্মময় জীবন প্রমাণ করে যে একজন মানুষ ইচ্ছাশক্তি, সততা, পরিশ্রম এবং মানবিক মূল্যবোধকে ধারণ করে সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে একসঙ্গে অবদান রাখতে পারেন। ক্রীড়াঙ্গন থেকে মানবাধিকার, সমাজসেবা থেকে রাজনীতি, উপস্থাপনা থেকে সাহিত্য—প্রতিটি ক্ষেত্রে তার সক্রিয় উপস্থিতি তাকে একটি স্বতন্ত্র পরিচয়ে প্রতিষ্ঠিত করেছে।
বাংলাদেশের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে তিনি আজ এক পরিচিত নাম। তার দীর্ঘ কর্মযজ্ঞ, মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি এবং জনকল্যাণমুখী চিন্তা আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

প্রেস বিজ্ঞপ্তিলালমনিরহাটে জাতীয় মানবাধিকার সমিতির জেলা কমিটি গঠন সভাপতি বেলাল, সাধারণ সম্পাদক দুলালজাতীয় মানবাধিকার সমি...
09/06/2026

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

লালমনিরহাটে জাতীয় মানবাধিকার সমিতির জেলা কমিটি গঠন
সভাপতি বেলাল, সাধারণ সম্পাদক দুলাল

জাতীয় মানবাধিকার সমিতি লালমনিরহাট জেলা কমিটি গঠনের লক্ষ্যে এক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ৯ জুন ২০২৬ তারিখ মঙ্গলবার বেলা ১২ ঘটিকায় স্থানীয় রিপোর্টার্স ক্লাব কার্যালয়ে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় স্থানীয় বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার নেতৃবৃন্দ অংশ নেন এবং জেলার সার্বিক মানবাধিকার পরিস্থিতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। জেলার সিনিয়র সাংবাদিক মোঃ বেলাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আলোচকগণ বলেন, সীমান্তবর্তী ও নানাভাবে অবহেলিত লালমনিরহাট জেলায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। এসব ঘটনার উদাহরণ তুলে ধরে বক্তারা ভুক্তভোগীদের ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে জাতীয় মানবাধিকার সমিতির লালমনিরহাট জেলা কমিটির প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্বের ওপর বিশেষ আলোকপাত করেন। সভায় অনলাইনে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা ও ভাইস চেয়ারম্যান শাহানা সেলিম।
পরে উপস্থিত সকলের সর্বসম্মতিক্রমে জাতীয় মানবাধিকার সমিতির ১১ সদস্যবিশিষ্ট লালমনিরহাট জেলা কমিটি গঠন করা হয়। নবগঠিত কমিটির দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন সভাপতি মোঃ বেলাল হোসেন, সহ-সভাপতি এম. এ হাশেম, সাধারণ সম্পাদক দুলাল হোসেন দীপ্ত, সহ-সাধারণ সম্পাদক এম. এ আনোয়ার হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ রেজাউল হক, কোষাধ্যক্ষ গোপন সাহা, আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান হাফিজ, দপ্তর বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট এম. এ হান্নান, প্রচার সম্পাদক একরামুল হক, নারী বিষয়ক সম্পাদক মশিয়ারা মালা, সদস্য হান্নান শেখ।
নবগঠিত এই কমিটির নেতৃবৃন্দ লালমনিরহাট জেলায় সব ধরনের মানবাধিকার লঙ্ঘন প্রতিরোধে এবং নিপীড়িত মানুষের পাশে থেকে কাজ করার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, মহাসচিব এডভোকেট সাইফুল ইসলাম সেকুল এবং সাংগঠনিক সম্পাদক লায়ন আল আমিন আগামী ২ বছরের জন্য কমিটি অনুমোদন করেন।

বহুমাত্রিক নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবিমো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা: মানবাধিকার, শিক্ষা, রাজনীতি ও সাংবাদিকতায় এক সক্রিয় আলোকবর্তিকাবাংল...
20/05/2026

বহুমাত্রিক নেতৃত্বের প্রতিচ্ছবি
মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা: মানবাধিকার, শিক্ষা, রাজনীতি ও সাংবাদিকতায় এক সক্রিয় আলোকবর্তিকা
বাংলাদেশের সামাজিক, রাজনৈতিক, মানবাধিকার ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয় এক পরিচিত নাম মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা। বহুমাত্রিক কর্মকাণ্ড, সাংগঠনিক দক্ষতা, নেতৃত্বগুণ এবং জনমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে তিনি ইতোমধ্যে বিভিন্ন মহলে আস্থার প্রতীক হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
সম্প্রতি তিনি “আইপিএ”-এর উপদেষ্টা এবং রাজধানীর মোহাম্মদপুর আদাবরে অবস্থিত নবোদয় প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাই স্কুলের চেয়ারম্যান হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার এই নতুন দায়িত্ব গ্রহণ শিক্ষা ও সামাজিক উন্নয়ন কার্যক্রমে নতুন গতি সঞ্চার করবে বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।
শিক্ষা ও সমাজগঠনে নতুন অঙ্গীকার
মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা বিশ্বাস করেন—একটি জাতির প্রকৃত উন্নয়ন নির্ভর করে মানবিক শিক্ষা, নৈতিক মূল্যবোধ এবং দায়িত্বশীল নাগরিক তৈরির উপর। নবোদয় প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাই স্কুলের চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি আধুনিক, প্রযুক্তিনির্ভর ও মানবিক শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন।
তার মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শুধু পাঠদান কেন্দ্র নয়; বরং এটি ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব তৈরির কারখানা। শিক্ষার্থীদের মেধা, মনন, দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়বদ্ধতা গড়ে তোলাই হওয়া উচিত একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মূল লক্ষ্য।
মানবাধিকার আন্দোলনের অগ্রসৈনিক
মানবাধিকারের প্রশ্নে মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা বরাবরই সোচ্চার। তিনি বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান হিসেবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম, নির্যাতন, নারী ও শিশু অধিকার, বিচারহীনতা এবং সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে বক্তব্য ও কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন।
মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং মানুষের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করার দাবিতে তার ভূমিকা বিভিন্ন সামাজিক ও নাগরিক সংগঠনের কাছে প্রশংসিত হয়েছে।
একই সঙ্গে তিনি “মানবাধিকার সম্মিলিত জোট”-এর মুখপাত্র হিসেবে বিভিন্ন জাতীয় ইস্যুতে দায়িত্বশীল বক্তব্য প্রদান করে থাকেন। মানবাধিকার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে তার অবদান উল্লেখযোগ্য।
“মায়ের ডাক”-এর সঙ্গে সম্পৃক্ততা
গুম ও নিখোঁজ ব্যক্তিদের পরিবারের দীর্ঘদিনের বেদনা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে গঠিত সংগঠন “মায়ের ডাক”-এর সমন্বয়ক হিসেবেও তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। নিখোঁজ মানুষের স্বজনদের পাশে দাঁড়ানো, তাদের কণ্ঠস্বর সমাজ ও রাষ্ট্রের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং মানবিক সহমর্মিতা গড়ে তোলার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
রাজনৈতিক অঙ্গনে সক্রিয় উপস্থিতি
মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক পার্টি-এনডিপির মহাসচিব হিসেবে জাতীয় রাজনীতিতেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন। গণতন্ত্র, সুশাসন, জবাবদিহিতা এবং জনগণের রাজনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে তিনি নিয়মিত মতামত ও কর্মসূচির মাধ্যমে রাজনৈতিক অঙ্গনে অংশগ্রহণ করে আসছেন।
রাজনীতিকে তিনি ক্ষমতার মাধ্যম নয়; বরং জনগণের সেবার প্ল্যাটফর্ম হিসেবে দেখেন। তার বক্তব্যে সাধারণ মানুষের অধিকার, সামাজিক ন্যায়বিচার ও রাষ্ট্রীয় সংস্কারের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়।
গবেষণা ও ইতিহাসচর্চায় সম্পৃক্ততা
তিনি শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক গবেষণা পরিষদের নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন। শেরে বাংলার রাজনৈতিক দর্শন, কৃষক-প্রজা আন্দোলন, গণমানুষের অধিকার ও ঐতিহাসিক অবদান নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরতে তিনি বিভিন্ন গবেষণা, আলোচনা সভা ও প্রকাশনামূলক কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।
বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাস ও গণমানুষের আন্দোলনের ধারাবাহিকতা রক্ষায় তার এই উদ্যোগ বিশেষভাবে প্রশংসিত।
সাহিত্য ও সংস্কৃতির সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক
সাহিত্য-সংস্কৃতির প্রতিও রয়েছে তার গভীর অনুরাগ। তিনি সুন্দরবন সাহিত্য পরিষদের মহাসচিব হিসেবে সাহিত্যচর্চা, সাংস্কৃতিক বিকাশ এবং নতুন লেখক তৈরিতে ভূমিকা রাখছেন।
এছাড়া অগ্নিবীণা কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে তরুণদের সাংস্কৃতিক ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত করার উদ্যোগ নিয়েছেন।
সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যমে সক্রিয়তা
মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা দীর্ঘদিন ধরে সাংবাদিকতার সঙ্গেও যুক্ত। তিনি দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার বিশেষ প্রতিনিধি এবং জনতার আওয়াজ ইউকের বিশেষ প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
সমাজের অসঙ্গতি, জনদুর্ভোগ, মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে তার প্রতিবেদন ও মতামত পাঠকমহলে গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচিত হয়।
সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকার ও সংগঠনগত কার্যক্রমেও তিনি সম্পৃক্ত। সম্মিলিত সাংবাদিক ফোরাম (এসএসপি)-এর নির্বাচন কমিশনার হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন।
সংগঠক হিসেবে দক্ষ নেতৃত্ব
বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও মানবিক সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ততার মাধ্যমে তিনি একজন দক্ষ সংগঠক হিসেবেও পরিচিত। “ঘরামীঘর”-এর অন্যতম সদস্য হিসেবে তিনি সামাজিক সংহতি ও মানবিক সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করছেন।
তার নেতৃত্বে বিভিন্ন সংগঠন জনসম্পৃক্ত কার্যক্রম, আলোচনা সভা, মানববন্ধন, সাংস্কৃতিক আয়োজন এবং সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছে।
ব্যক্তি মঞ্জুর হোসেন ঈসা
সহজ-সরল জীবনযাপন, মানবিক মূল্যবোধ, সাংগঠনিক দক্ষতা এবং সাহসী বক্তব্যের কারণে মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসা বিভিন্ন মহলে সম্মানিত। তিনি বিশ্বাস করেন—মানুষের পাশে দাঁড়ানোই সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।
তার দীর্ঘ সামাজিক ও সাংগঠনিক পথচলায় রয়েছে সংগ্রাম, প্রত্যয় ও জনকল্যাণের অঙ্গীকার। শিক্ষা, মানবাধিকার, সাংবাদিকতা, রাজনীতি ও সংস্কৃতির সমন্বয়ে তিনি নিজেকে একজন বহুমাত্রিক সমাজকর্মী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।
নতুন দায়িত্বে শুভকামনা
আইপিএ’র উপদেষ্টা এবং নবোদয় প্রি-ক্যাডেট এন্ড হাই স্কুলের চেয়ারম্যান হিসেবে মো. মঞ্জুর হোসেন ঈসার নির্বাচিত হওয়া তার দীর্ঘ সামাজিক ও সাংগঠনিক কাজের স্বীকৃতি বলেই মনে করছেন অনেকে।
সংশ্লিষ্ট মহলের প্রত্যাশা—তার অভিজ্ঞতা, দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বে শিক্ষা, মানবাধিকার ও সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড আরও বেগবান হবে এবং সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তনের নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

20/03/2026
রাজধানীর কোথায় কখন ঈদের জামাত
20/03/2026

রাজধানীর কোথায় কখন ঈদের জামাত

Address

Tanaka Tower (1st Floor), 42/1-Ga, Segun Bagicha
Dhaka
1000

Telephone

028333416

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Federation of Bangladesh Human Rights Organizations-FBHRO posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share