Kuakata Hotel Radiation

Kuakata Hotel Radiation আপনার ভ্রমন কে সৃতিময় করতে সকল প্রকার সার্ভিস দেওয়া হয়

Kuakata fanus utsob 🥰
12/10/2025

Kuakata fanus utsob 🥰

Happy new year❤️❤️
04/01/2025

Happy new year❤️❤️

04/01/2025
20% off Room rate /bike rate
29/07/2022

20% off Room rate /bike rate

শীতের ভ্রমন  হোক আনন্দময় এবং প্রফুল্লময়।  বুকিং এর জন্য আজই যোগাযোগ করুন-- 01618116898
19/11/2020

শীতের ভ্রমন হোক আনন্দময় এবং প্রফুল্লময়। বুকিং এর জন্য আজই যোগাযোগ করুন
-- 01618116898

 #কুয়াকাটা সমুদ্র পাড়ের অসাধারণ একটি ছবি।
11/04/2019

#কুয়াকাটা সমুদ্র পাড়ের অসাধারণ একটি ছবি।

 #কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে সূর্যাস্তের অপরূপ একটি ছবি।
11/04/2019

#কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে সূর্যাস্তের অপরূপ একটি ছবি।

সূর্যদয় আর সূর্যস্তের বেলা ভুমি সাগর কন্যা কুয়াকাটা।সাগর কন্য কুয়াকাটা:- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈক...
27/02/2019

সূর্যদয় আর সূর্যস্তের বেলা ভুমি সাগর কন্যা কুয়াকাটা।

সাগর কন্য কুয়াকাটা:- বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের একটি সমুদ্র সৈকত ও পর্যটনকেন্দ্র। কুয়াকাটা নামের পেছনে রয়েছে আরকানদের এদেশে আগমনের সাথে জড়িত ইতিহাস। 'কুয়া' শব্দটি এসেছে 'কুপ' থেকে। কুয়াকাটা নামকরণের ইতিহাসের পেছনে যে কুয়া সেটি এখনও টিকে আছে। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের কাছে রাখাইনদের বাসস্থল কেরানীপাড়ার শুরুতেই প্রাচীন কুয়ার অবস্থান।ধারণা করা হয় ১৮ শতকে মুঘল শাসকদের দ্বারা বার্মা থেকে বিতাড়িত হয়ে আরকানরা এই অঞ্চলে এসে বসবাস শুরু করে। তাদের মাধ্যমেই এই স্থানটির নামকরণ হয় কুয়াকাটা। জনশ্রুতি আছে ১৭৮৪ খ্রিস্টাব্দে বার্মিজ রাজা বোদ্রোপা আরকান জয় করে রাখাইনদের ওপর অত্যাচার ও নির্যাতন চালায়। ১৫০টি রাখাইন পরিবার বার্মিজদের হাত থেকে মুক্তির জন্য ৫০টি নৌকায় তিনদিন তিনরাত বঙ্গোপসাগর পাড়ি দিয়ে পটুয়াখালী জেলার গলাচিপা থানাধীন মৌডুবি এলাকায় উপস্থিত হন। উক্ত অঞ্চলটি তখন বন জঙ্গলে ভর্তি ছিল। তারা বনের হিংস্র জীব জন্তুর সঙ্গে যুদ্ধ করে, জঙ্গল কেটে পরিষ্কার করে ধান ফল-মূলের বীজ বপন করে জীবিকা নির্বাহ করতো । তখন ওই বনের কোন নাম ছিল না থাকলেও রাখাইন সম্প্রদায়ের লোকজন তার নাম জানত না। যার ফলে সাগর পাড়ি দিয়ে ওই স্থানে বসবাস শুরু করায় রাখাইন ভাষায় তারা নামকরণ করে কানশাই। কিন্তু রাখাইন লোকজন এখানে বসবাস করলেও তাদের প্রধান প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাড়ায় পানি। সাগরের পানি লবণাক্ত হওয়ায় তা খাওয়া সম্ভবপর ছিল না। এজন্য তারা নিজ উদ্যোগে একটি কুয়া খনন করে তা থেকে মিঠা পানি পান করত। মিঠা পানির কুয়ার নামানুসারে স্থানটির নামকরণ হয় কুয়াকাটা। কুয়ার সন্নিকটেই তারা স্থাপন করে ৩৭ মণ ওজনের ধ্যানমগ্ন অষ্টধাতুর বৌদ্ধ মূর্তি। মন্দিরের নির্মাণ সৌন্দর্যে ইন্দোচীনের স্থাপত্য অনুসরণ করা হয়। দেখলে মনে হবে থাইল্যান্ড, লাওস বা মিয়ানমারের কোন মন্দির। প্রায় সাড়ে তিন ফুট উঁচু বেদির উপর মূর্তিটি স্থাপন করা হয়েছে। বৌদ্ধ ধর্মের আড়াই হাজার বছর পূর্তি উপলক্ষে ৮৩ বছর পূর্বে অষ্টধাতুর ওই মূর্তিটি ওই স্থানে স্থাপন করা হয় বলে রাখাইন সম্প্রদায়ের ইতিহাস থেকে জানা যায়। প্রায় ৭ ফুট উচ্চতার এ বৌদ্ধ মূর্তিটি স্থাপন করেন উপেংইয়া ভিক্ষু। মন্দিরের নীচেই হচ্ছে ঐতিহাসিক কুয়াটি। বর্তমানে সেই কুয়ার পানি খাওয়ার অনুপযোগী অর্থাৎ পরিত্যক্ত। তারপরও কুয়াকাটার ঐতি

কুয়াকাটা সম্পর্কে কিছু কথা।
বাংলাদেশ সরকার পর্যটন শিল্প বিকাশের লক্ষ্যে ব্যাপক উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র সৈকত কুয়াকাটা রাজধানী ঢাকা থেকে মাত্র ২৮০ কিঃ মিঃ দূরে অবস্থিত। বিশ্বের প্রাকৃতিক সপ্তাশ্চর্য তালিকায় স্থান পাওয়া সর্ববৃহৎ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল সুন্দরবন ও কুয়াকাটার দূরত্ব সমুদ্রপথে মাত্র ৪৫ কিঃ মিঃ। সুবিধাজনক ভৌগলিক অবস্থানের কারণে কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের গুরুত্ব দেশীয় পর্যটন শিল্পে অত্যধিক এবং একারণেই স্থানটি দেশী এবং বিদেশী পর্যটকদের সাগ্রহ দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে।

খুব শীঘ্রই ঢাকা থেকে সড়ক পথে কুয়াকাটা যেতে সময় লাগবে ৪ থেকে ৫ ঘন্টা।
এয়ারপোর্ট নির্মাণে সরকার কর্তৃক কুয়াকাটার জন্য জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়েছে।
নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের জন্য কুয়াকাটায় সরকার কর্তৃক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে।

এখানে স্থাপিত হয়েছে দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর ও দ্বিতীয় বৃহত্তম শিপবিল্ডিং শিল্পাঞ্চল।
সৈকতটি দীর্ঘ ৪০ কিঃ মিঃ বাঁধ দিয়ে পরিবেষ্টিত এবং বাঁধটি মেরিনড্রাইভ হিসাবে পরিচিত।

দেশী-বিদেশী বিনিয়োগে হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও শুটিং স্পট স্থাপিত হয়েছে এবং হচ্ছে।
দেশী-বিদেশী বিনিয়োগে বিশ্বের সর্বাধুনিক পর্যটন শহরগুলোর ন্যায় বিনোদনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

একই স্থান থেকে সূর্যোদয় এবং সূর্যাস্থ দেখার বিরল সুযোগ শুধু এই সৈকতেই।
সৈকত থেকে সমুদ্র পথে সুন্দরবনে যেতে সময় লাগে মাত্র ৬০ থেকে ৯০ মিনিট।
রিজার্ভ রেইন ফরেষ্ট, ইকো পার্ক ও সারি সারি নারিকেল বনের অপূর্ব সৌন্দর্য রয়েছে সৈকতে।

কুয়াকাটায় রয়েছে শত বছরের পুরনো বৌদ্ধ মন্দির ও গৌতমবুদ্ধের বৃহৎ ধাতবমূর্তি।
প্রতি বছর আদি রাসমেলা ও মাঘী পূর্ণিমায় এখানে পর্যটকদের ব্যাপক সমাগম ঘটে।

পর্যটকদের বিনোদন বাড়িয়ে দেয় সৈকতের পাশের দৃষ্টিনন্দিত গঙ্গামতির চর।
আরো রয়ে এশিয়ার সবচেয়ে বড় উচু বৌদ্ধমন্দির ৩৬ ফুট মিশ্রীপাড়া, ও তাত পল্লী আদিবাসি রাখাইন গুষ্ঠির কারু কাজ। লাল কাকড়ার চর। সমুদ্র গর্ভে জেগে ওঠা গভির সমুদ্র মাঝে চর বিজয় নামে পরিত চর জার পরিদি প্রয়া ১০০০ হাজার একর নিয়ে। নিওমিত এখানে পর্যটকরা জাচ্ছে স্পিড বোট ও ট্যুরিষ্ট বোট নিয়ে।
আপর দিকে সুন্দর বনের পূর্ব অংশ ফাতরার বন ও টেংরাগি রি প্রকৃতিক বনাঞ্চল।

কুয়াকাটার অপার নৈসর্গিক সৌন্দর্য নিজের চোখে না দেখলে বোঝানো কঠিন। যা শুধু দেখলেই উপভোগ করা যায়। ভৌগলিক অবস্থানের কারণে এ সৈকত থেকেই কেবল সূর্যোদয় আর সূর্যাস্তের দৃশ্য উপভোগ করা যায়। সূর্যোদয়ের সময় মনে হয় বিরাট এক অগ্নিকুণ্ড আস্তে আস্তে সাগর ভেদ করে আসমানের উপরে দিকে উঠে যাচ্ছে। আবার সূর্যাস্তের সময় সাগরের ঢেউয়ের মধ্যে আস্তে আস্তে হারিয়ে যায় সূর্যটা। মনে হয় সাগরের মধ্যেই সূর্যের বাড়ি ঘর। পূর্ণিমার রাতে সী-বিচের সৌন্দর্য সবকিছুকে হার মানায়। চাঁদের আলোয় বিশাল বিশাল ঢেউগুলো যেন কাছে ডাকে। আর অমাবস্যায় অন্ধকার রাতে দেখা যায় আরেক দৃশ্য ফসফরাসের মিশ্রণে সাগরের ঢেউগুলো থেকে আলোর বিচ্ছুরণ ছড়ায়। কুয়াকাটার সী-বিচের সৌন্দর্য লিখে শেষ করা সত্যিই খুব কঠিন ব্যাপার। পর্যটকদের কাছে কুয়াকাটা "সাগর কন্যা" হিসেবে পরিচিত। ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সৈকত বিশিষ্ট কুয়াকাটা বাংলাদেশের অন্যতম নৈসর্গিক সমুদ্র সৈকত। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতে সারা বছরই দেখা মিলবে জেলেদের মাছ ধরার দৃশ্য। সৈকতের পূর্ব প্রান্তে গঙ্গা-মতির বাঁক থেকে সূর্যোদয় সবচেয়ে ভালোভাবে দেখা যায়। আর সূর্যাস্ত দেখার উত্তম জায়গা হল কুয়াকাটার পশ্চিম সৈকত।পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর থানার লতাচাপলী ইউনিয়নে কুয়াকাটা অবস্থিত। ঢাকা থেকে সড়কপথে এর দূরত্ব ৩৮০ কিলোমিটার এবং বরিশাল থেকে ১০৮ কিলোমিটার।

সমুদ্র সৈকতের পাশাপাশি কুয়াকাটার যে স্থানগুলোভ্রমণ-পিয়াসীদের কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে
কুয়াকাটা সমুদ্রসৈকতের
কাছে রাখাইন পল্লী কেরানীপাড়ার শুরুতেই একটা বৌদ্ধ মন্দিরের কাছে রয়েছে প্রাচীন কুপ গুলোর মধ্যে একটি কুপ। তবে বারবার সংস্কারের কারণে এর প্রাচীন রূপটা এখন আর খুঁজে পাওয়া যায় না। জনশ্রুতি আছে ১৭৮৪ সালে বর্মী রাজা রাখাইনদের মাতৃভূমি আরাকান দখল করলে বহু রাখাইন জায়গাটি ছেড়ে নৌকাযোগে আশ্রয়ের খোঁজে বেড়িয়ে পড়েন। চলতি পথে তারা বঙ্গোপসাগরের তীরে রাঙ্গাবালি দ্বীপের খোঁজ পেয়ে সেখানে বসতি স্থাপন করেন। সাগরের লোনা জল ব্যবহারের অনুপযোগী বলে মিষ্টি পানির জন্য তারা এখানে একটি কূপ খনন করেন। এরপর থেকে জায়গাটি ‘কুয়াকাটা’ নামে পরিচিতি পায়।

কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের ৭ কিলোমিটার পশ্চিম প্রান্তে আছে শুঁটকি পল্লী। এখানে প্রচুর জেলেদের বসবাস। নভেম্বর থেকে মার্চ মাস পর্যন্ত এখানে চলে মূলত শুঁটকি তৈরির কাজ। সমুদ্র থেকে মাছ ধরে এনে সৈকতেই শুঁটকি তৈরি করেন জেলেরা। কম দামে ভালো মানের শুঁটকিও কিনতে পাওয়া যায় এখানে। পর্যটকরা তাজা মাছ কেটে শুঁটকি-জাত করার দৃশ্য দেখতে ভিড় জমায়। দেখতে পায় জেলেদের ইলিশ শিকারে সাগরে ঢেউয়ের সঙ্গে মিতালি করা জীবন জীবিকার যুদ্ধ। দেখতে পায় বেড় জালে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শিকারের অনন্য দৃশ্য।

কুয়াকাটার সমুদ্র সৈকত শেষ হয়েছে পূর্ব দিকে গঙ্গা-মতির খালে। এখান থেকেই শুরু হয়েছে গঙ্গা-মতির জঙ্গল। অনেকে একে গজমতির জঙ্গলও বলে থাকেন। নানান রকম বৃক্ষরাজি ছাড়াও এ জঙ্গলে আছে বিভিন্ন রকম পাখি, বন মোরগ-মুরগি, বানর ইত্যাদি।

ক্রাব আইল্যান্ড :
কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকতের পূর্ব দিকে গঙ্গা-মতির জঙ্গল ছাড়িয়ে আরও সামনে গেলে আছে ক্রাব আইল্যান্ড বা কাঁকড়ার দ্বীপ। এ জায়গায় আছে লাল কাঁকড়ার বসবাস। নির্জনতা পেলে এ জায়গার সৈকত লাল করে বেড়ায় কাঁকড়ার দল। ভ্রমণ মৌসুমে (অক্টোবর-মার্চ) কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত থেকে স্পিড বোটে যাওয়া যায় ক্রাব আইল্যান্ডে।

ফাতরার বন:
আন্ধারমানিক নদীর মোহনার পশ্চিম দিকে রয়েছে সুন্দরবনের শ্বাসমূলীয় বনাঞ্চল, নাম তার ফাতরার বন। ভৌগোলিক ভাবে বরগুনা জেলায় বাগানটির অবস্থান থাকলেও কুয়াকাটায় আগত পর্যটকরা বিনোদনের জন্য সেখানে স্পিড বোড ও ট্যুরিষ্ট বোড যোগে যাতায়াত করেন। তবে সুন্দরবনের মত এ বনে নেই তেমন কোন হিংস্র প্রাণী। বন মোরগ, বানর আর নানান পাখি আছে এ বনে। কদাচিৎ এ বনে বুনো শুকরের দেখা মেলে। কুয়াকাটা থেকে ফাতরার বনে যেতে হবে ইঞ্জিন চালিত বোটে।

সীমা বৌদ্ধ মন্দির :
কুয়াকাটার প্রাচীন কুয়ার সামনেই সীমা বৌদ্ধ মন্দির। কাঠের তৈরি এই মন্দির কয়েক বছর আগে ভেঙে দালান তৈরি করা হয়েছে। তবে মন্দিরের মধ্যে এখনও আছে প্রায় ৩৭ মন ওজনের প্রাচীন অষ্টধাতুর তৈরি বুদ্ধ মূর্তি।কেরানীপাড়া রাখাইন পল্লী
সীমা বৌদ্ধ মন্দির থেকে সামনেই ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী রাখাইনদের আবাসস্থল কেরানীপাড়া। এখানকার রাখাইন নারীদের প্রধান কাজ কাপড় বুনন। রাখাইনদের তৈরি শীতের চাদর বেশ আকর্ষণীয়। শীত মৌসুমে পোশাক তৈরির ধুম পড়ে কুয়াকাটার রাখাইন পল্লীগুলোতে । দিন-রাত পরিবারের সবাই মিলে মনের মাধুরী মিশিয়ে তৈরি করে বাহারি ডিজাইন ও নানা রঙের পোশাক। আর এই পোশাক কিনতে ভিড় করে বেড়াতে আসা পর্যটকরা।

কুয়াকাটা সৈকত থেকে প্রায় আট কিলোমিটার দূরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী সম্প্রদায় রাখাইনদের একটি গ্রামের নাম মিশ্রিপাড়া। এখানে আছে বড় একটি বৌদ্ধ মন্দির। কথিত আছে এ মন্দিরের ভেতরে আছে উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় বুদ্ধ মূর্তি। এছাড়া এখান থেকে সামান্য দূরে আমখোলা গ্রামে আছে এ অঞ্চলে রাখাইনদের সবচেয়ে বড় বসতি।

পায়রা নদীর ইলিশ মাছ
পটুয়াখালী জেলার পায়রা নদীতে প্রচুর ইলিশ মাছ পাওয়া যায় । পায়রা নদীর ইলিশ স্বাদে অতুলনীয় বলে বাংলাদেশসহ বিশ্বের অনেক দেশে এর কদর রয়েছে। পর্যটক যারাই পটুয়াখালীতে আসে পায়রা নদীর ইলিশের স্বাদ নিতে কখনোই ভুল করে না। এই মাছ বেশি লবণাক্ত পানি সহ্য করতে পারে না। এই মাছ বড় বড় নদী এবং তৎসংলগ্ন সাগর মোহনায় পাওয়া যায়।

পটুয়াখালীর তরমুজ:
পটুয়াখালী জেলার বিস্তৃণ জমিতে চাষ করা হয়। গ্রীষ্ম মৌসুমের সবচেয়ে পুষ্টিকর ও সুস্বাদু ফল তরমুজ। এ জেলার মাটি তরমুজ চাষের উপযোগী হওয়ায় বাউফল, দশমিনা, পটুয়াখালী সদর, মির্জাগঞ্জ ও দুমকি উপজেলায় প্রচুর পরিমান তরমুজ উৎপাদন হয়। এ জেলার তরমুজ মৌসুমের শুরুতেই বাজারে দেখা মেলে এবং বাংলাদেশের সকল প্রান্তে ছড়িয়ে যায়।

সোনার চর :পটুয়াখালী রাঙ্গাবালী উপজেলার বঙ্গোপসাগরের তীর ঘেঁষে জেগে ওঠে নয়নাভিরাম প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা সোনার চর। এখানে রয়েছে বিস্তৃত বনভূমির পাশাপাশি ০৭ (সাত) কি.মি. দীর্ঘ সমুদ্র সৈকত। বাংলাদেশ সরকার ২০১১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সংরক্ষিত এ বনভূমি বন্য প্রাণীদের জন্য অভয়ারন্য ঘোষনা করে। সোনার চরকে আধুনিক পর্যটন কেন্দ্রে রুপ দেওয়ার উদ্দেশ্য সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে নেওয়া হচ্ছে বিভিন্নমুখী উদ্যোগ, এগুলো বাস্তবায়ন হলে সোনার চর হবে দক্ষিণাঞ্চলের অন্যতম আর্কষণীয় বিশ্বমানের পর্যটন কেন্দ্র।

কুয়াকাটা কাঠের নৌকা : ২০১২ সালে কুয়াকাটা ঝাউবন সংলগ্ন সৈকতে ৬২ হাত লম্বা ও ১৬ হাত চওড়া ঐতিহ্যবাহী একটি সাম্পান বালু ক্ষয়ে ক্ষয়ে শতবছর পর জেগে ওঠে। এটিকে কুয়াকাটা সৈকত লাগোয়া বৌদ্ধ মন্দির সংলগ্ন টিনশেডের একটি বেষ্টনীর ভিতর স্থাপন করা হয়েছে। স্থানীয়দের কাছে এটি নৌকা জাদুঘর নামে পরিচিত । প্রতিদিন শত শত দর্শর্ণাথী এ নির্দশনটি দেখতে ভীড় করে।
কে এম জহির

কুয়াকাটার সমুদ্র সৈকত এর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে আমাদের হোটেল এ বুকিং দিয়ে আপনার ভ্রমন নিশ্চিত করুন।বুকিং এর জন্য যোগাযো...
19/02/2019

কুয়াকাটার সমুদ্র সৈকত এর মনোরম দৃশ্য উপভোগ করতে আমাদের হোটেল এ বুকিং দিয়ে আপনার ভ্রমন নিশ্চিত করুন।
বুকিং এর জন্য যোগাযোগঃ 01618116898

Address

21. 8223295059717, 90. 1182558953552
Kuakata
8652

Telephone

+8801618116898

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kuakata Hotel Radiation posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kuakata Hotel Radiation:

Share

Category