Bachelor Hostel

Bachelor Hostel The Bachelor Hostel. obviously for the bachelors... job holder, businessmen, freelancers, job seekers or students. One solution for all.

Peaceful, Clean, Hassle-free environment, with food and other services.

বাড়িওয়ালা কে স্বৈরাচার বলে বলে বাসা ভাড়া নিয়ে ব্যাচেলর রা নিজেরাও স্বৈরাচার বনে যায় প্রায়ই।  তারা বাড়িওয়ালা থেকে বড় বাড়ি...
09/01/2025

বাড়িওয়ালা কে স্বৈরাচার বলে বলে বাসা ভাড়া নিয়ে ব্যাচেলর রা নিজেরাও স্বৈরাচার বনে যায় প্রায়ই।
তারা বাড়িওয়ালা থেকে বড় বাড়িওয়ালা বনে গিয়ে মেস মেম্বার দের সাথে করে ডাবল জুলুম। চাপিয়ে দেয় নিত্যনতুন নিয়মের নামে অত্যাচার।

ভালো লিডারশীপ আসে আত্মনিয়ন্ত্রণ থেকে। কি করলে অধীনস্থ রা ভালো থাকবে সেটা জানা থেকে। যেটা সব ব্যাচেলর রা পারে না। কেননা তাদের মধ্যে লোভ, ইর্ষা এবং ইনসিকিউরিটি কাজ করে। তারা ধরা কে সরা জ্ঞান করতে থাকে বাসা ভাড়া নিয়েই। ম্যানেজমেন্ট না জানাও এর বৃহত্তর কারণ।

এর সামাধান একটাই। ম্যানেজমেন্ট অন্য কারো কাছে থাকা। পেশাদার কোন ব্যাক্তি বা টিম এর কাছে। এতে করে থাকা খাওয়ার ব্যপারে কোন বিশেষ সমস্যা ফেইস করতে হবে না আর।

এমনিতেই ব্যাচেলর রা নিষ্পেষিত পুরো বাংলাদেশে। সেখানে তারা নিজেরাই নিপীড়ক হয়ে গেলে নিজেদের অস্তিত্ব ধরে রাখবে কি করে??

এজন্যই আছে ব্যাচেলর হোস্টেল এর মতো ম্যানেজমেন্ট প্রতিষ্ঠান। যারা ব্যাচেলর দের ভালো মন্দ বিবেচনা করে তাদের সব সুবিধাদি নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

#ব্যাচেলর #মেস

ঢাকা সহ সব জায়গায় সবচেয়ে অবহেলিত, অচ্ছুৎ প্রাণী হচ্ছে 'ব্যাচেলর'।  বাড়িওয়ালা তার শৌর্যবীর্য প্রদর্শনীতে ব্যাচেলর দুর্মুল...
03/10/2024

ঢাকা সহ সব জায়গায় সবচেয়ে অবহেলিত, অচ্ছুৎ প্রাণী হচ্ছে 'ব্যাচেলর'।
বাড়িওয়ালা তার শৌর্যবীর্য প্রদর্শনীতে ব্যাচেলর দুর্মুল্যয়ন করে থাকেন। সেই সাথে পথের কুকুরের মতো দুরদুর করে তাড়িয়ে থাকেন।

আর যেসব জায়গায় বাসা বা মেস পাওয়া যায়, সেগুলো সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় থাকা বাসা বা ঘর গুলো হয়ে থাকে। যা অন্য কেউ ব্যবহারে আগ্রহী হয় না তেমন এবং দীর্ঘদিন পড়ে থাকে। এরকম জায়গা ব্যাচেলর দের উচ্চ মুল্যে ভাড়া দেওয়া হয়।
অবশিষ্ট মেস গুলোতে, স্যাতসেতে নোংরা পরিবেশ। ছাড়পোকা, উইপোকা, চ্যালা সহ বিভিন্ন পোকামাকড়ের ঘাটি। নোংরা বাথরুম ও কিচেন। বিশৃঙ্খলা, চিৎকার চেচামেচি। মাদকাসক্তদের অত্যাচার। বুয়ার অপেক্ষায় দুইদিন পর পর না খেয়ে থাকার ব্যপার তো আছেই।

এই জিল্লতি, অপমান এবং সার্বিক অসহায়ত্ব থেকে মুক্তি দিতে ব্যাচেলর দের পাশে ব্যাচেলর হোস্টেল।
সুন্দর, শান্তশিষ্ট, পরিচ্ছন্ন ও গোছানো পরিবেশ। সর্বরকম সুযোগ সুবিধা সহ।

বাকিটা দেখেন, আপনারা যা ভালো মনে করেন!

বিছানা, তোশক, বালিশ, চাদর, ফ্যান, লাইট, এসব কিছুই কিনতে হবে না ব্যাচেলর হোস্টেলে। থাকছে ফ্রিজ, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, হেয়ার ড...
03/10/2024

বিছানা, তোশক, বালিশ, চাদর, ফ্যান, লাইট, এসব কিছুই কিনতে হবে না ব্যাচেলর হোস্টেলে।
থাকছে ফ্রিজ, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, হেয়ার ড্রায়ার, পানির ফিল্টার।
থাকবে টেবিল, স্টোরেজ শেলফ, ওয়াল হ্যাংগার, পাপোশ, জুতার র‍্যাক।

পাওয়া যাবে, ডিটিএইছ সংযোগ সহ টিভি, ওয়াশিং ম্যাশিন এর চমক।

সুসজ্জিত রান্নাঘরে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সহ পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন পরিবেশে দুই বেলা খাবারের আয়োজন থাকবে।

এসব ই থাকবে সুলভ মুল্যে প্যাকেজ অফারের আওতায়, উপরিউক্ত সকল সুবিধা সহ।

পরিচ্ছন্ন, ঝামেলামুক্ত পরিবেশে মাথা উঁচু করে আত্মসম্মানের সাথে বেচে থাকার সুযোগ ঢাকা শহরে খুবই সীমিত।
26/09/2024

পরিচ্ছন্ন, ঝামেলামুক্ত পরিবেশে মাথা উঁচু করে আত্মসম্মানের সাথে বেচে থাকার সুযোগ ঢাকা শহরে খুবই সীমিত।

14/12/2017

মহানবী (সাঃ) বলেছেন : ‘যে ব্যক্তির অধিকার রক্ষার বিষয়ে তুমি সতর্ক কিন্তু সে তোমার অধিকার রক্ষায় সতর্ক নয়, সে তোমার জন্য উত্তম বন্ধু নয় এবং সে তোমার সাথে ওঠাবসার যোগ্য নয়’।

------- (নাহজুল ফাসাহাহ, পৃ. ৬৭৬)।

14/12/2017

ভাইরে/ আপুরে! আপনে পাবলিক/প্রাইভেট এ বাংলা পড়তাছেন, পড়তাছেন ইংরাজি/ সোস্যালজি/ স্ট্যাটিস্টিক ইত্যাদি ইত্যাদি! কি চাকরি করবেন, ক্যামনে ক্যারিয়ার করবেন বুঝতাছেন না! চিন্তা+ফ্রাস্ট্রেশন??

Relax!! Tension রে লাথি মারেন! কঠিন লাত্থি!

ভাইরে! চাকরি/ ক্যারিয়ার তিন রকম!

১. Technical - এইগুলার জন্যি আপনের ওই সাবজক্টেই সাধারণত ডিগ্রী থাকা লাগে। যেমন: সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং, ডাক্তারি, ফার্মাসি ইত্যাদি ইত্যাদি।

২. Mix - IT, Finance, Accounting ইত্যাদি! এইগুলার জন্য এই বিষয়ে ডিগ্রী থাকলে ভালো, না থাকলেও অসুবিধা নাই। একটা প্রফেশনাল কোর্স করেন (CFA, ACCA, CA) বা নিজে নিজে শেখেন (Programming, Computer Networking)। কোন অসুবিধা নাই!

৩. General - এইখানে আপনার কোন বিশেষ বিষয়ে ডিগ্রি দরকার নাই। যে কোন ডিগ্রী নিয়া এক্সপেরিয়েন্স থাকলেই হইলো! যেমন, কমার্শিয়াল, অপারেশনস, সিকিউরিটি, ম্যানেজমেন্ট ছাড়াও UN, World Bank, ILO ইত্যাদি প্রজেক্ট এর কিছু কিছু পোস্ট।

একটা উদাহরণ দেই।

আমার আন্ডারে ৪ জন ম্যানেজমেন্ট এডভাইজার আছে। তাদের শিক্ষাগত যোগ্যতা দিলাম:

১. MBA - প্রাইভেট ইউনিভারসিটি
২. M.Ed - প্রাইভেট ইউনিভারসিটি
৩. MA - ন্যাশনাল ইউনিভারসিটি
৪. MA - জাহাঙ্গীরনগর ইউনিভারসিটি

এদের চাকরির Advertisement এর শিক্ষাগত যোগ্যতায় লিখা ছিলো "যে কোন স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইঞ্জিনিয়ারিং, ম্যানেজমেন্ট, ফিন্যান্স, হিউম্যান রিসোর্স, শিক্ষা, ব্যবসা প্রশাসন, স্ট্যাটিস্টিকস, সোশ্যাল সাইন্স এবং Related Subject এ মাস্টার্স। অমুক বছরের এক্সপেরিয়েন্স ইত্যাদি ইত্যাদি"। লক্ষ্য করেন সাবজেক্ট আর বিশ্ববিদ্যালয় গুলার উল্লেখ! This is so wide ranging!!! নাই কোন তথাকথিত ভালো পাবলিক বা বিশেষ কোন সাবজেক্ট এর উল্লেখ।

১০ জন কে শর্টলিস্ট করা হইলো আর ইন্টার্ভিউ এ কঠিন কারিশমা দেখাইয়া উপরের ৪ জন সিলেক্ট হইলো। কোন DU/ CU না, কোন তথাকথিত High Demand Subject না! শুধুমাত্র প্রচন্ড আত্মবিশ্বাস, কথা বলার ক্ষমতা আর এক্সপেরিয়েন্স!

আর এদের স্যালারি? অনেক অনেক High! যেকোন তথাকথিত ভাল পাবলিক এর ভালো সাবজেক্ট এর লোকজনের চেয়ে অনেক বেশী বই কম নয়। তিন বছরের কন্ট্রাক্ট, যেটা দেখাইয়া আবারো অন্য প্রজেক্ট এ যোগদান বা নিদেন পক্ষে ইন্টার্ভিউ!

এইটা কেবল একটা উদাহরন দিলাম ভাইরে। এইরাম খুঁজলে দেখবেন Any Subject from any recognized university চাকরি অনেক অনেক আছে।

তাইলে কি দরকার? এই সমস্ত পাবলিক, প্রাইভেট বা ভালো সাবজেক্ট/ খারাপ সাবজেক্ট এর ভুং চুং ছাইড়া নিজেরে প্রিপেয়ার করেন।

একজন ন্যাশনাল ইউনিভারসিটির ছাত্র হিসাবে prepare yourself to present better than an IBA student.

একজন মধ্যম মান প্রাইভেট এর ছাত্রি হিসেবে prepare yourself to be smarter than a DU Student.

একজন বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র হিসেবে prepare yourself to be more well-read, well mannerd, well networked than a BUET student.

এটা কি কঠিন? অবশ্যই!

এটা কি অসম্ভব? অবশ্যই না!!

"YOU" build your future, not your university / subject.

গতকাল থেকেই শুরু করেন না!

Shabbir Ahsan

12/12/2017

এখন যে ভয়াবহতার কথা বলব তা থেকে রক্ষা পাবার উপায় কারোই থাকবে না, যদি এভাবেই চলতে থাকে। রাষ্ট্র প্রধান থেকে শুরু করে একজন মজুর পর্যন্ত। সবচেয়ে ভয়ের আর কঠিন ব্যাপার হচ্ছে, আমাদের বাচ্চাদের জন্য রেখে যাচ্ছি এক অভিশপ্ত জীবন। জনমনে প্যানিক সৃষ্টি হবে বলে যদি চেপে যাই, তার দায়ভার বর্তাবে ,আমার বা আমাদের উপরে।

আমার শঙ্কা হয়, আজ থেকে কয়েক বছর পর আমাদের বাচ্চাদের একটি বড় অংশ এন্টিবায়োটিকের কার্যহীনতার অভাবে ধ্বংস হয়ে যাবে। ঔষধ হিসেবে যথেচ্ছার ব্যবহারের সাথে আমাদের খাবারের সাথে আসছে এন্টিবায়োটিক রেসিডিউ। বিশেষ করে মুরগীর মাংস হতে। ১৫টি বাজারের মুরগীর মাংস পরীক্ষায় প্রতিটিতে এন্টিবায়োটিক রেসিডিউ ধরা পড়েছে এবং প্রতিটি মুরগী এন্টিবায়োটিক রেসিস্টেন্ট হয়ে গেছে। প্রতিটি মুরগীতে ভয়ঙ্কর জীবাণু ই-কোলি এবং সালমোনেলা পাওয়া গেছে।

আপনি আপনার বাসায় প্রতিদিন বাজারের কেটে ছিলে আনা মুরগীর সাথে এই ভয়াবহ ব্যাকটেরিয়া বহন করে আনছেন। জবাই করে একটি ড্রামে ফেলে দেয়া এবং অন্য ড্রামের গরম পানির মধ্যে চুবিয়ে লোম তুলে ফেলায় সৃষ্টি হচ্ছে মারাত্মক বিপদ। একটি অসুস্থ এবং আক্রান্ত মুরগীর সাথে অসংখ্য ভাল মুরগীর রক্ত এবং ঐ গরম পানি থেকে বাহিত হচ্ছে সব ভাল মুরগীর মধ্যে সংক্রমণ। রান্নায় ই-কোলি এবং সালমোনেলা ধ্বংস হলেও রান্নাঘরে মুরগী প্রসেস হয়ে বটি ছুরি, হাড়ি পাতিল, থালা বাসনে এবং পানির মাধ্যমে তা সংক্রামিত হচ্ছে অনায়াসেই।

সারাদেশে মুরগীর খামারিরা দেধারছে মুরগীর মধ্যে এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করছে। উইথড্রল পিরিয়ডের আগেই তা বাজারে তুলছে। কোনো ইন্টারভেল মানা হয় না। সকালে এন্টিবায়োটিক দিয়ে বিকালে বাজারে, রাতে আমাদের পেটে। ঔষধ কোম্পানি নাকি বাকিতে খামারিদের কাছে এন্টিবায়োটিক বিক্রি করে থাকে। এন্টিবায়োটিক বিক্রি বাড়ছে, বাড়ছে লাভ।

আরও ভয়াবহ বিষয় হচ্ছে, মুরগীর ফিডেও নাকি গোপনে এন্টিবায়োটিক দেয়া হচ্ছে। খামারিরা খুশি, এই কোম্পানির ফিড দিলে মুরগীর স্বাস্থ্য ভাল থাকে, অসুস্থ হয় না। কোম্পানিও খুশি, বিক্রি বাড়ছে, বাড়ছে লাভ।

মুরগির মাংসের সাথে আপনার আমার, আমাদের বাচ্চাদের শরীরে অনবরত যাচ্ছে এন্টিবায়োটিক। প্রায় প্রতিটি শরীর হয়ে যাচ্ছে এন্টিবায়োটিক রেসিস্টেন্ট। কয়েকদিন আগে দেখলাম এক নবাগত শিশুর শরীর সব এন্টিবায়োটিক রেসিস্টেন্ট হয়ে গেছে। তারমানে বাচ্চার মায়ের শরীরও এন্টিবায়োটিক রেসিস্টেন্ট ছিল। আজ কয়েকজনের কাছে শুনলাম, তাদের শরীরে এখন কোনো এন্টিবায়োটিক কাজ করে না।

আমার নিজের কথা বলি। বছর খানেক আগে দিনে একটি পাঁচশত এমজির এজিথ্রোমাইসিন খেলেই কাজ করত। এখন দিনে দুইটি দিলেও আর কাজ কাজ হয় না। সামান্য ইনফেকশনে ৪র্থ জেনারেশনের এন্টিবায়োটিক খেতে হয়। এরপর কি খাব??

প্রেসক্রিপশন ছাড়া ফার্মেসী থেকে অবাধে বিক্রি হয় এন্টিবায়োটিক সহ সব ঔষধ। পৃথিবীর কোনো দেশেই তা সম্ভব নয়। ফার্মেসীর সেলসম্যান বড় ডাক্তার। কর্পোরেট আর মাফিয়াদের স্বার্থে এই আইন আমাদের দেশে কখনোই বাস্তবায়ন করা যাবে না।

এন্টিবায়োটিক এর ফুল কোর্স কমপ্লিট না করা, নিন্মমানের এন্টিবায়োটিক, যখন তখন এন্টিবায়োটিক!! তার সাথে খাবারের মাধ্যমে যাচ্ছে এন্টিবায়োটিক।

হলপ করে বলতে পারি, আমারা আমাদের বাচ্চাদের টুটি চেপে ধরে মেরে ফেলছি। ধান্ধাবাজি, আরাম আয়েশ, লোভ লালসা, ব্যবসা বাণিজ্য, চাকুরীবাকরি, রাজনীতি আর টাকা পয়সা নিয়ে ব্যস্ত আমরা। কি অন্ধকার গহ্বরে পতিত হচ্ছে একটি জাতি, তা সময়ই বলে দেবে।

Mahbub Kabir Milon

11/12/2017

৯৯.৯৯% মানুষের জন্য সত্যি, সবাই তো আর স্টিভ জবস কিংবা ইলন মাস্ক না

পকেটে বাজার করার পয়সা না থাকলে, কিংবা আগামীকাল কিভাবে চলবে সেই চিন্তায় ব্যস্ত থাকা লাগলে ক্রিয়েটিভিটি মশাইয়ের দেখা পাওয়া দুষ্কর। সুতরাং ক্রিয়েটিভ হইতে হলে আগে বাজারের চিন্তা এবং মাসের বাজেটের চিন্তা মাথা থেকে সরানোর ব্যবস্থা করা লাগবে। এই কারনে বাপের হোটেলে থাকা খাওয়ার সময়টা ক্রিয়েটিভিটির চর্চার মোক্ষম সময় যেটা হেলায় হারালে পরে আফসোস করা ছাড়া উপায় নাই :P

কবি বলেছেন "ক্ষুধার রাজ্যে ক্রিয়েটিভিটি উঠেছে লাটে, ফাঁকা মানিব্যাগ নিয়ে আমি তো পড়েছি বাটে"

হাসিন হায়দার।

প্রগতী ইণ্ডাস্ট্রিজ ও বাংলাদেশি গাড়ীআমরা যারা বাংলাদেশি গাড়ি ব্যবহারকারী তারা সবাই জানি বাংলাদেশের সব গাড়িই ইম্পোর্টেড। ...
08/12/2017

প্রগতী ইণ্ডাস্ট্রিজ ও বাংলাদেশি গাড়ী
আমরা যারা বাংলাদেশি গাড়ি ব্যবহারকারী তারা সবাই জানি বাংলাদেশের সব গাড়িই ইম্পোর্টেড। যার দরুণ আমদানী শুল্কের কারণে দাম আকাশ ছোঁয়া। অনেকই স্বপ্ন দেখে একদিন বাংলাদেশে গাড়ি তৈরী হবে। কিন্তু অনেকেই জানে না আজ থেকে বহু বছর আগে এই বাংলাদেশেই আন্তর্জাতিক মানের গাড়ি তৈরী ও রপ্তানী হতো।
১৯৬৬ সালে এমআর হাবিবুল্লাহ নামের এক পশতুন রিটায়ার্ড মেজর জেনারেল চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে একটি মোটর গাড়ী কোম্পানী খুলে। নাম 'গান্ধারা ইন্ডাস্ট্রিজ।' এই কারখানা মূলত বিদেশ থেকে আমদানী করা সিকেডি বা নির্মিত মোটর গাড়ীর পার্টস সংযোগ করে সম্পূর্ণ গাড়ী ও অন্যান্য গাড়ীর স্পেয়ার স্পার্টস তৈরী করতো। নিজেদের ব্র্যাণ্ড প্রোডাক্ট না থাকলেও বিশ্বমানের অন্যান্য গাড়ী কোম্পানীর অনুমতি নিয়ে আমেরিকান ও ইউরোপীয়ান গাড়ী তৈরী করতো। প্রতিষ্ঠার কয়েক বছরের মাঝেই আমেরিকার বিখ্যাত 'জেনারেল মোটরস্‌ কর্পোরেশন' এই কারখানার সাথে চুক্তিবদ্ধ হয় ও জয়েন্ট ভেঞ্চারে কাজ শুরু করে। জেনারেল মোটরসের সাথে থাকায় বহু বাঘা বাঘা কোম্পানীর গাড়ী তৈরী করার সুযোগ পায়।
সে সময় এই কোম্পানী প্রায় পঞ্চাশ হাজার গাড়ী নির্মান করে যা দেশীয় অর্থনীতিতে গুরুত্ত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কমার্শিয়াল যানবাহন যেমন বাস, ট্রাক, ট্রাক্টর, লরি, পিকআপের পাশাপাশি বিলাশবহুল সেডান, এসইউভি ও এম্বুলেন্সও তৈরী করে। এই কারখানা দেশিয় কারেন্সীর পাচার রোধ ও কর্মসংস্থানের সৃষ্টি করে।
ট্রাক বললেই যে হলুদ দানবের কথা আমাদের চোখে ভেসে ওঠে তা মূলত ব্রিটিশ 'বেডফোর্ড কোম্পানী'র ট্রাক যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সৈন্য পরিবহনে ব্যবহৃত হতো। নানা প্রতিকূলতার কারণে ১৯৬৯ সালে বেডফোর্ড কোম্পানী দেউলিয়া হয়ে যায়। যাবার আগে সেই মডেলটির পেটেন্ট দেয় গান্ধারাকে যা আজতক বানাচ্ছে।
আরেক ব্রিটিশ সেডান কোম্পানী ভক্সহল। আমাদের দেশীয় কোম্পানীটি লাইসেন্স নিয়ে ভক্সহল ভিভা ও ভক্সহল ভিক্টর নামের দুটি বিলাশবহুল গাড়ী বানাতো যা তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের ধনী ব্যক্তিরা ব্যবহার করতো।
১৯৭১ সালে লিবারেশনের পরে গান্ধারা ইন্ডাস্ট্রিজ রাষ্ট্রায়ত্ত্ব প্রতিষ্ঠান হিসেবে রূপ লাভ করে ও নতুন নাম হয় 'প্রগতী ইন্ডাস্ট্রিজ।'
১৯৭২ সালে এশিয়া বাণিজ্য মেলায় বাংলাদেশ অংশগ্রহন করে ও 'Bangladesh Produce Quality' ক্যাপশন নিয়ে একটি ব্র্যাণ্ড নিউ ভক্সহল ভিভা গাড়ী প্রদর্শিত হয় যা সেই সময় একটি বিলাসবহুল দামী গাড়ী হিসেবে গন্য হতো।
আশির দশক থেকে প্রগতীর পতন শুরু হয়। এখন শুধু মাত্র কিছু গাড়ীর পার্টস সংযোগের মাধ্যমে এটি টিকে আছে। সরকারী মিৎসুবিশি এসইউভি ও কিছু ভারতীয় গাড়ীর ফিট করে কারখানাটি। অথচ এটি একটি প্রমিজিং সেক্টর ছিলো এককালে।
সূত্রঃ শিহরণ-Shihoron

কপি পোস্ট।

Address

Mirpur
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bachelor Hostel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category