13/11/2022
এই সেই নীল তিমি -
যে তিমি একক আধিপত্যে গ্রাস করছে - দ্বীপের খেটে খাওয়া সাধারণ মানুষের আহার,সৃষ্টি করছে নাব্যতা নামের কৃত্রিম সংকট ।
ঋণ,ধার,ফসলি জমি বন্ধ রেখে,এনজিও থেকে উচ্চ সুদে ঋণ নেওয়া শত শত বেকার মানুষের বেঁচে থাকার স্বপ্নকে ধুলিসাৎ করতে বসেছে।
বিগত ত্রিশ বছরে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌ রোডে ছিলো না কোনো নাব্যতা,পর্যটকদের চারণভূমি সেন্টমার্টিন প্রতি বছর নভেম্বর মাসের শুরুতেই হয়ে উঠে পর্যটক মূখর এক মিলন মেলা।
আজ সেন্টমার্টিনের সর্বস্তরের মানুষ অর্ধাহারে অনাহারে কালাতিপাত করছে। হতাশার কালো মেঘে ঢেকে গেছে - বিধাতার নিজ হাতে গড়া নৈসর্গিক সৌন্দর্যের লীলাভূমি সেন্টমার্টিনের আকাশ।
চারদিকে শুনশান নিরবতা,বুভোক্ষ মানুষের আর্তনাদ । সারা বছর ধরে বুকে লালন করা স্বপ্ন ভঙ্গের এক করুন নিঃশব্দ হা-হা কার
বিষন্নতা,অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ, কাধে ঋণের দায় - ঘরে ফিরতে পারছে না পরর্যটন খাতে স্বল্প পুঁজি বিনিয়োগকারী হাজারও মানুষ
কে দেবে আশা,কে দেবে ভরসা ?
কিছু স্বার্থান্বেষী কুচক্রী মহলের যোগসাজশে চলছে সরকারের উপরের মহল পর্যন্ত পর্যটন শিল্প ধ্বংসের এক গভীর ষড়যন্ত্র । দেশের পর্যটন শিল্পকে ধ্বংসের পায়তারায় মত্ত এই বিশেষ মহল - দেশের পর্যটকদের নিরুৎসাহিত করছে নিজের দেশ ভ্রমনে আর উৎসাহিত করছে পাশের দেশ ইন্ডিয়া, নেপাল,ভূটান ভ্রমণে ।
কিছু বলার আর বাড়তি কিছু লিখার ভাষা হারিয়ে ফেলেছি,চোখ ঝাপসা হয়ে আসছে,
এনজিও-র মাঠ কর্মী ঋণের কিস্তি'র জন্য বাড়ীতে বসে আছে।
চাই প্রতিকার,চাই আহার,চাই অধিকার
আমরাও মানুষ - আমাদেরও আছে পেট,আছে ক্ষুধা -- অন্ন দে- বস্ত্র দে - লইলে জাহাজ ছেড়ে দে (টেকনাফ-সেন্টমার্টিন রোডে)। আত্নহত্যা মহা পাপ তাই তা করতে চাইনা,চাই বাঁচতে -- এই মুহুর্তে আমাদের বাঁচার এক মাত্র পথ ---
"টেকনাফ-সেন্টমার্টিন" নৌ- রোড কে সকল জাহাজের জন্য উন্মুক্ত করা । এই রোডে সকল জাহাজ চলাচলের পথ সুগম করতে হবে। মানুষ রুপি কিছু অমানুষের হীন চক্রান্ত, মিথ্যে অজুহাত,পর্যটক আসা বন্ধ করার সকল ষড়যন্ত্রকে রোখে দিতে হবে। স্বাধীন দেশে স্বাধীন ভাবে বাঁচার অধিকার আমাদেরও আছে।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী - দুঃখী মানুষের কল্যাণী,মানবতার এক উজ্জল নক্ষত্র
জননেত্রী শেখ হাসিনা'র সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি ।