ভোজন রসিক

ভোজন রসিক সহজে খাবার তৈরীর রেসিপি জানতে চোখ রাখুন দেশ বিদেশের মজাদার খাবার রেসিপি নিয়ে আমাদের নিয়মিত আয়োজন Vozon Roshik

09/04/2026

টাঙ্গাইলের কাবাব চা!

তালের বরফিউপকরণ:তালের রস ২ কাপ, গুড় (বা চিনি) ১ কাপ, নারকেল কুচি ১ কাপ, দুধ ১ লিটার, মাওয়া বা খোয়া আধা কাপ (ঐচ্ছিক), ঘি ...
21/08/2025

তালের বরফি

উপকরণ:
তালের রস ২ কাপ, গুড় (বা চিনি) ১ কাপ, নারকেল কুচি ১ কাপ, দুধ ১ লিটার, মাওয়া বা খোয়া আধা কাপ (ঐচ্ছিক), ঘি ২ টেবিল চামচ, এলাচিগুঁড়া আধা চা-চামচ, কাজু/কিশমিশ সাজানোর জন্য পরিমাণমতো।

প্রণালি:
প্রথমে তালের রস ছেঁকে নিন। একটি কড়াইয়ে নিয়ে নিন। মাঝারি আঁচে দিয়ে কিছুটা ঘন হওয়া পর্যন্ত নাড়তে থাকুন। এবার গুড় বা চিনি দিয়ে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন। গলে গেলে নারকেলকুচি যোগ করুন। এখন দুধ ও মাওয়া (যদি দেন) দিয়ে নাড়তে থাকুন। ঘি ও এলাচিগুঁড়া মিশিয়ে দিন। মিশ্রণটি কড়াই থেকে ছাড়তে শুরু করলে বুঝবেন বরফি তৈরি হয়ে গেছে। একটি স্টিলের বা গ্লাসের ট্রেতে ঘি মাখিয়ে নিন। গরম-গরম মিশ্রণ ঢেলে দিন। সমান করে ছড়িয়ে দিন। ওপর থেকে কাজু/কিশমিশ ছড়িয়ে দিন। (ইচ্ছা করলে) ঠান্ডা হলে পছন্দমতো আকারে কেটে নিন।

টিপস:
বেশি সময় নাড়তে হবে, না হলে বরফি জমবে না।
গুড় দিলে আসল স্বাদ আসবে, তবে হালকা রং চাইলে চিনি ব্যবহার করতে পারেন।

কলাপাতা পুড়িয়ে তালের পিঠাউপকরণতাল: ১টি (ক্বাথ বের করে ছেঁকে নিন)চালের গুঁড়া: আধা কাপময়দা: ২০ গ্রামগুড়: ৫০ গ্রামচিনি: ৫০ ...
21/08/2025

কলাপাতা পুড়িয়ে তালের পিঠা

উপকরণ
তাল: ১টি (ক্বাথ বের করে ছেঁকে নিন)
চালের গুঁড়া: আধা কাপ
ময়দা: ২০ গ্রাম
গুড়: ৫০ গ্রাম
চিনি: ৫০ গ্রাম
নারকেল কোরা: আধা কাপ
কলা: ২টি
কলাপাতা: ১টি

প্রণালি
তালের ক্বাথের সঙ্গে চালের গুঁড়া, ময়দা, চিনি, গুড় মিশিয়ে নিন।
পাকা কলা চটকে তালের মিশ্রণে দিন।
শেষে নারেকল দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নরম ব্যাটার তৈরি করে নিতে হবে।
চুলার ওপর কলার পাতাটা একটু তাপে রেখে নরম করে নিন।
পাতাগুলো ৫-৬ ইঞ্চি পরিমাণ ছোট ছোট টুকরা করে নিন।
এক টুকরা কলাপাতার ওপর রুটির চেয়ে একটু বেশি পুরু করে ব্যাটার দিন।
আরেকটি একই মাপের পাতা দিয়ে ওপরের অংশ ঢেকে নিন।
চুলায় একটা তাওয়া বসিয়ে গরম হলে একটা করে ব্যাটারযুক্ত পাতা এপিঠ-ওপিঠ সেঁকে নিন।
পাতা পুড়ে এলে ভেতরের পিঠা সেদ্ধ হয়ে যাবে।
এবার সেদ্ধ পিঠা তাওয়া থেকে নামিয়ে পাতা খুলে পরিবেশন করুন।

বৈশাখে পান্তা-ইলিশ কেন খায়?বাংলা নববর্ষ মানেই যেন পান্তা-ইলিশ। নববর্ষের প্রথম দিনে মাটির সানকিতে করে পান্তা-ইলিশ খাওয়ার ...
11/04/2025

বৈশাখে পান্তা-ইলিশ কেন খায়?

বাংলা নববর্ষ মানেই যেন পান্তা-ইলিশ। নববর্ষের প্রথম দিনে মাটির সানকিতে করে পান্তা-ইলিশ খাওয়ার রেওয়াজ অনেকের কাছে এখন বাঙালিয়ানার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত। যদিও এই ঐতিহ্য অতিপ্রাচীন নয়, তবুও তা দ্রুতই জনপ্রিয়তা পেয়েছে শহর থেকে গ্রামবাংলা পর্যন্ত।

বাঙালির পান্তাভাত খাওয়ার ইতিহাস কত বছর পুরনো, তা নিশ্চিতভাবে বলা না গেলেও মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যের মঙ্গলকাব্য, বিশেষত চণ্ডীমঙ্গলে পান্তার বর্ণনা পাওয়া যায়। মুকুন্দরাম চক্রবর্তীর ‘চণ্ডীমঙ্গল’ কাব্যের ‘কালকেতুর ভোজন’ অংশে উল্লেখ রয়েছে, “এক শ্বাসে সাত হাড়ি আমানি উজাড়ে”—যেখানে ‘আমানি’ শব্দটি পান্তার জলীয় অংশ নির্দেশ করে।

বাংলা নববর্ষে ‘আমানি’ ছিল অন্যতম প্রাচীন কৃষকীয় আয়োজন। চৈত্র সংক্রান্তির সন্ধ্যায় অপরিপক্ক চাল পানিতে ভিজিয়ে আমপাতা বসিয়ে রাখা হতো হাঁড়িতে। নববর্ষের সকালে সেই পানি দিয়ে ঘর ঝাড়ু দেওয়া হতো, এবং পরে সেই পান্তা ভাত পরিবারের সদস্যরা খেতেন।

পান্তাভাত মূলত সহজলভ্য কৃষকীয় খাবার। দীর্ঘ শতাব্দী ধরে এটি বাঙালির প্রাত্যহিক খাদ্যতালিকায় ছিল। গ্রামের মানুষ সাধারণত পান্তা খেতেন নুন, কাঁচা লঙ্কা, কিংবা পেঁয়াজ সহযোগে। দরিদ্র কৃষকেরা মাটির পাত্রের পরিবর্তে কচুপাতা বা কলাপাতা ব্যবহার করতেন। ষোড়শ শতাব্দীর মনসামঙ্গলের কবি বিজয়গুপ্ত লিখেছেন, “আনিয়া মানের পাত বাড়ি দিল পান্তাভাত”—যেখানে ‘মান’ মানকচুর পাতা বোঝায়।

কালের বিবর্তনে পান্তার সঙ্গে যুক্ত হয় আলু ভর্তা, পোড়া বেগুন এবং সহজলভ্য মাছ যেমন পুঁটি, কৈ, টাকি, ট্যাংরা ইত্যাদি। তবে ইলিশের স্থান ছিল ভিন্ন। ইলিশের দাম তুলনামূলকভাবে বেশি হওয়ায় এটি সাধারণত গরম ভাতের সঙ্গে খাওয়া হতো। শহরের বিত্তবানদের হেঁশেলে পান্তাকে গরিবের খাবার বলেই গণ্য করা হতো।

তবে আশির দশকে দৃশ্যপট বদলাতে শুরু করে। রমনার বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের পাশাপাশি পান্তা-ইলিশের প্রচলন শুরু হয়। ১৯৮০/৮১ সালে সাংবাদিক বোরহানউদ্দিন আহমেদ প্রথমবারের মতো নববর্ষে পান্তা-ইলিশ খাওয়ার ধারণা দেন। বন্ধুদের চাঁদা তুলে আয়োজন করা হয় পান্তা-ইলিশের।

পরের বছর গীতিকার শহিদুল হক খান রমনায় পান্তা-ইলিশের আনুষ্ঠানিক আয়োজন করেন ও পোস্টার ছাপিয়ে তা জনপ্রিয় করে তোলেন। এরপর থেকে নববর্ষে রমনায় পান্তা-ইলিশ আয়োজন শহুরে সংস্কৃতির অংশ হয়ে ওঠে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পান্তা-ইলিশ বিক্রি করে বাড়তি আয়ের পথও তৈরি করেন।

আশির দশকের মাঝামাঝি সময় থেকে পান্তা-ইলিশ সর্বত্র জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। নব্বইয়ের দশকে এ খাবার হয়ে ওঠে নববর্ষ উদযাপনের প্রধান অনুষঙ্গ। ঢাকা ছাড়িয়ে বিভাগীয় শহর, এমনকি জেলা শহরের অলিগলিতে পান্তা-ইলিশ বিক্রি হতে থাকে নববর্ষে।

তবে জনপ্রিয়তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ইলিশের চাহিদা বাড়ে। যার ফলে শুরু হয় জাটকা নিধন। সরকার বাধ্য হয় মার্চ ও এপ্রিল মাসে দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি করতে। এই সময়ে পদ্মা, মেঘনা, কালাবদর, তেঁতুলিয়াসহ পাঁচটি নদীতে মাছ ধরা বন্ধ থাকে।

যদিও নিষেধাজ্ঞা চলাকালেও ব্যবসায়ীরা মাঘ মাস থেকেই হিমাগারে ইলিশ সংরক্ষণ শুরু করেন। ফলে নববর্ষে শহুরে পান্তা-ইলিশ সরবরাহ নিশ্চিত করা যায়। এই অবস্থায় পান্তা-ইলিশ যতটা না সংস্কৃতির দাবিদার, তার চেয়েও বেশি হয়ে ওঠে ব্যবসায়িক সফলতার দৃষ্টান্ত।

তবে পান্তা ভাত বরাবরই ছিল বাঙালির নিত্যদিনের খাবার। নববর্ষের দিনে ভালো খাবারের আয়োজনের রীতি বহু পুরনো। চৈত্র সংক্রান্তির দিনে ‘শাকান্ন’ খাওয়ার রেওয়াজ এখনো বহু পরিবারে রয়েছে। সেই দিন বউ-ঝিরা বাড়ির আশেপাশের অনাবাদী জায়গা থেকে তোলা শাক দিয়ে রান্না করতেন চৌদ্দ পদের শাকান্ন, যেখানে মাছ-মাংস রান্না নিষিদ্ধ থাকত।

অর্থাৎ, পান্তা-ইলিশের আধুনিকতর সংস্করণ যতটা শহুরে জনপ্রিয়তা ও ব্যবসায়িক কৌশলের ফল, ততটাই তার মূল শিকড় রয়েছে কৃষিপ্রধান বাঙালির জীবনে।

বৈশাখে পাটপাতার বড়াউপকরণ: কচি পাটপাতা ২০ থেকে ২৫টি, বেসন ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো, চিনি স্বাদমতো, কালিজিরা সামান্য পরিমাণ, পা...
11/04/2025

বৈশাখে পাটপাতার বড়া

উপকরণ:
কচি পাটপাতা ২০ থেকে ২৫টি, বেসন ১ কাপ, লবণ স্বাদমতো, চিনি স্বাদমতো, কালিজিরা সামান্য পরিমাণ, পানি পরিমাণমতো, সয়াবিন তেল পরিমাণমতো, চালের গুঁড়া ১ টেবিল চামচ, হলুদের গুঁড়া সিকি চা-চামচ (ঐচ্ছিক), মরিচের গুঁড়া সিকি চা-চামচ (ঐচ্ছিক)।

প্রণালি:
তেল আর পাতা ছাড়া ওপরের সব উপকরণ একসঙ্গে মাখান। পানি কম হলে আরেকটু মিশিয়ে নিন। পাতাগুলো ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। কড়াইতে তেল দিন। তেল গরম হলে একটা একটা করে পাতা মিশ্রণে ডুবিয়ে ডুবো তেলে ভাজতে হবে। সোনালি রং হলে তেল থেকে উঠিয়ে পরিবেশন করুন।

17/03/2025

'ওই কিরে, ওই কিরে, মধু মধু...'

ইফতারে কোন দেশে কী খাওয়া হয়রমজান মাস চলে আসছে। ইফতারের সময় বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন ঐতিহ্যবাহী খাবার খাওয়ার প্রচলন আছে। ...
26/02/2025

ইফতারে কোন দেশে কী খাওয়া হয়

রমজান মাস চলে আসছে। ইফতারের সময় বিভিন্ন দেশে ভিন্ন ভিন্ন ঐতিহ্যবাহী খাবার খাওয়ার প্রচলন আছে। বাংলাদেশে সাধারণত খেজুর দিয়ে রোজা ভাঙা হয়। এরপর আসে ছোলা, আলুর চপ, বেগুনি ও মুড়িমাখা। আমাদের ইফতার আয়োজনে লেবুর শরবত ও বিভিন্ন ফলের শরবতও অন্যতম উপাদান। তবে পৃথিবীর অন্য মুসলিম দেশে ইফতারে কী খাওয়া হয়? পাঁচটি দেশের ঐতিহ্যবাহী ইফতারি সম্পর্কে জেনে নিন।

মিসরের কাতায়েফ
মিসরে ইফতারে কাতায়েফ নামের এই বিশেষ মিষ্টান্ন থাকবেই। মিষ্টিপ্রেমীদের মন জয় করে নেওয়ার মতো একটা খাবারই বটে। দেখতে অনেকটা প্যানকেকের মতো, তবে বিশেষ মিশ্রণ দিয়ে তৈরি। এর মধ্যে পুর হিসেবে মিষ্টি চিজ বা বাদাম ভরে ভাজা হয়, যতক্ষণ না সোনালি ও মচমচে হয়ে ওঠে। এরপর এর ওপর সিরা ও চিনি ছড়িয়ে পরিবেশন করা হয়। কাতায়েফের বিশেষত্ব হলো এর অনন্য টেক্সচার। মচমচে ও নরমও। কাতায়েফ হয় দুই ধরনের—ভাজা কাতায়েফ, বাইরে মচমচে ও ভেতরে নরম। বেক করা কাতায়েফ, যা কেকের মতো ও স্পঞ্জি। কাতায়েফের উৎপত্তি মিসরে হলেও বর্তমানে এটি মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে জনপ্রিয় এক খাবার।

তুরস্কের দোলমা
তুর্কি শব্দ ‘দোলমা’ অর্থ ‘স্টাফড’ বা ‘ভরা’। অটোমান সাম্রাজ্য থেকে উদ্ভূত এই খাবার মূলত আঙুরের পাতা, বেল মরিচ বা ক্যাপসিকামের মতো সবজির ভেতরে চাল, মসলা ও কিমা করা মাংস ভরে তৈরি করা হয়। দোলমা সাধারণত ঠান্ডা অবস্থায় অ্যাপেটাইজার হিসেবেই সমাদৃত। আবার দইয়ের সঙ্গে প্রধান খাবার হিসেবেও খাওয়া হয়। এর হালকা ও সতেজ স্বাদ ইফতারে নিয়ে আসে প্রশান্তি। তাই রমজান মাসে এটি তুরস্কের অন্যতম জনপ্রিয় খাবার।

মরক্কোর হারিরা
মরক্কোর ঐতিহ্যবাহী ইফতারি হারিরা। এটা মূলত একধরনের সুস্বাদু স্যুপ। সাধারণত খেজুর ও মিষ্টি পেস্ট্রির সঙ্গে পরিবেশন করা হয়। একে বাংলাদেশের হালিমের সঙ্গে তুলনা করা চলে। হারিরা তৈরি হয় মসুর ডাল, ছোলা, টমেটো, পেঁয়াজ, আদা, হলুদ, দারুচিনি ও বিভিন্ন সুগন্ধি মসলা দিয়ে। ধীরে ধীরে রান্নার কারণে এটি ঘন ও সুস্বাদু হয়। শেষে ময়দা ও ডিমের কুসুম দিয়ে করা হয় আরও ঘন। দীর্ঘ সময় রোজা রাখার পর এই স্যুপ শরীরে শক্তি জোগায়, স্বস্তি দেয়।

ইন্দোনেশিয়ার মি গ্লোসর
ইন্দোনেশিয়ার পশ্চিম জাভার বিখ্যাত খাবার মি গ্লোসর, যা ইফতারেও বেশ জনপ্রিয়। এটি মূলত একধরনের নুডলস। ‘মি গ্লোসর’ শব্দের অর্থ ‘স্লাইড’ বা ‘পিছলে পড়া’। মসৃণ ও নরম টেক্সচারের কারণে এমন নামকরণ। এই বিশেষ নুডলস তৈরি হয় কাসাভা ময়দা ও হলুদ দিয়ে। স্বাদ ও রঙে গমের নুডলসের চেয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন।

পাকিস্তানের হালিম
পাকিস্তানে ইফতারে জনপ্রিয় পদ হালিম। এর রেসিপি আমাদের হালিমের মতোই—মসুর ডাল, গম ও মাংস (গরু, খাসি বা মুরগি) মূল উপকরণ। স্বাদ বাড়াতে দারুচিনি, এলাচি, লবঙ্গসহ বিভিন্ন সুগন্ধি মসলা দিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধীরে ধীরে রান্না করা হয়। পরিবেশন করা হয় মূলত নান বা রুটি দিয়ে। ওপরে ছড়িয়ে দেওয়া হয় বেরেস্তা, লেবু ও ধনেপাতা, যা খাবারটাকে করে তোলে আরও সুস্বাদু।

চা, চপ, সিঙ্গারা, সমুচা © Chowdhury Z. H. Bipul
30/09/2024

চা, চপ, সিঙ্গারা, সমুচা
© Chowdhury Z. H. Bipul

ভাপা পিঠা© Soniya Hridy
30/09/2024

ভাপা পিঠা
© Soniya Hridy

কাঁচকলায় ইলিশের ঝোলউপকরণ: কলা ৭–৮টি লম্বা করে টুকরা করা, ইলিশ ৭–৮ টুকরো, আলু মাঝারি আকারের ১টি, পেঁয়াজবাটা ২ চা-চামচ, ...
20/09/2024

কাঁচকলায় ইলিশের ঝোল

উপকরণ: কলা ৭–৮টি লম্বা করে টুকরা করা, ইলিশ ৭–৮ টুকরো, আলু মাঝারি আকারের ১টি, পেঁয়াজবাটা ২ চা-চামচ, জিরাবাটা আধা চা-চামচ, হলুদের গুঁড়া আধা চা-চামচ, মরিচের গুঁড়া প্রয়োজনমতো, লবণ স্বাদমতো, তেল প্রয়োজনমতো, আস্ত জিরা ফোড়নের জন্য অল্প পরিমাণ।

প্রণালি: প্রথমে হালকা করে কাঁচকলা ভেজে একটি পাত্রে তুলে রাখতে হবে। প্রথমে তেলে জিরা ফোড়ন দিয়ে আলু ছেড়ে দিন। তারপর একে একে সব বাটা মসলা ছেড়ে দিন। পরে সব গুঁড়া মসলা দিয়ে কষিয়ে নিতে হবে। কষানো হয়ে গেলে যখন তেল ভেসে উঠবে, তখন পরিমাণমতো পানি দিন। পানি ফুটে উঠলে হলুদ ও লবণ মাখানো ইলিশ ও ভাজা কাঁচকলা ঝোলে ছেড়ে দিতে হবে। ১০ মিনিট ঢেকে রাখুন। হয়ে এলে ভাজা জিরার গুঁড়া ছিটিয়ে ও কাঁচা মরিচ দিয়ে কিছুক্ষণ রেখে নামিয়ে ফেলুন এবং পরিবেশন করুন (ইচ্ছা করলে ইলিশ ভেজে নিতে পারেন)।

ঘরেই বানান মালাই চাবর্ষণমুখর বিকেলে মনটা একটু চা চায়। এমন দিনে নিয়মিত গ্রিন টির বদলে চুমুক দিতে ইচ্ছে হয় ঘন দুধের মালা...
13/07/2024

ঘরেই বানান মালাই চা

বর্ষণমুখর বিকেলে মনটা একটু চা চায়। এমন দিনে নিয়মিত গ্রিন টির বদলে চুমুক দিতে ইচ্ছে হয় ঘন দুধের মালাই চায়ে। কিংবা ছুটির দিনে নিয়ম ভেঙে নাস্তার পরে মালাই চা হতেই পারে।

মালাই চা তৈরি করার জন্য প্রথমেই আধা লিটার দুধকে ঘন করে জ্বাল করে নিতে হবে। এরপর চুলা নিভিয়ে ঠান্ডা করে নিলে এর উপরে সর জমা হবে। দুটো কাপে ছাঁকনির সাহায্যে সর তুলে নিতে হবে। এবার জ্বাল হতে থাকা সেই দুধে এক চা চামচ ডিমের কুসুম ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। ভাবছেন ডিমের গন্ধ আপনার চা খাওয়া পণ্ড করে দিবে? মোটেই না। ডিমের কুসুমের সুন্দর ক্রিমই ঘনত্ব তৈরি করবে আপনার চায়ে। এবার দুটো এলাচ আর এক টুকরো আদা দিন। মালাই চায়ের জন্য চাই ভালো মানের চা পাতা। দুধে এবার দুই টেবিল চামচ চা পাতা আর দুই চা চামচ চিনি দিয়ে দিতে হবে। দুধের নিজস্ব মিষ্টতার কারণে অতিরিক্ত চিনি দেওয়ার দরকার নেই। পছন্দমতো রং না আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। চা যত কড়া খেতে চান তত বেশি সময় জ্বাল দেবেন। চায়ের রং মনমতো হলেই চা চুলো থেকে নামিয়ে ছেঁকে নিন।

আগে থেকে সর দেওয়া কাপে খানিকটা উপর থেকে ধীরে ধীরে চা ঢালুন। এতে করে কাপটা চায়ের সঙ্গে ফেনায় ভরে উঠবে আর সুন্দর একটা মিষ্টি ঘ্রাণ ছড়াবে। যে পরিমাপ বলা হলো, এতে করে দুই কাপ চা হবে। এবার উপভোগ করুন নিজের তৈরি পারফেক্ট মালাই চা।

জিলাপি © Badol Khan
22/06/2024

জিলাপি
© Badol Khan

Address

Dhaka
1217

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ভোজন রসিক posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share