Dhaleshwari Camping & Kayaking

Dhaleshwari Camping & Kayaking Camping & Kayaking

একটি কৃষিভিত্তিক পরিবেশবান্ধব পর্যটন উদ্যোগ, যা ধলেশ্বরী নদীর তীরে ১১ মে ২০১৮ সালে যাত্রা শুরু করে। এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য হলো দেশীয় জীবন, কৃষি সংস্কৃতি ও প্রকৃতির সঙ্গে সংযুক্ত হয়ে সুস্থ থাকা ও সুস্থ রাখা।

সুপ্রভাত। সুস্থতাই হোক সফলতা। 🍋 প্রতিদিনের খাবারে এক টুকরো লেবু—ছোট অঅভ্যাস জীবনে আনে বড় পরিবর্তন।আমাদের দৈনন্দিন খাবারে...
02/08/2026

সুপ্রভাত। সুস্থতাই হোক সফলতা।
🍋 প্রতিদিনের খাবারে এক টুকরো লেবু—ছোট অঅভ্যাস জীবনে আনে বড় পরিবর্তন।

আমাদের দৈনন্দিন খাবারের একটি সহজ সংযোজন হতে পারে এক টুকরো তাজা লেবু। লেবু শুধু খাবারের স্বাদই বাড়ায় না, এটি ভিটামিন C ও প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের একটি ভালো উৎস। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা করে, উদ্ভিজ্জ খাবার থেকে আয়রন শোষণে সাহায্য করে, ত্বক ভালো রাখে, হজমে সাহায্য করে, লিভার ভালো রাখে, যেকোনো সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষা করে এবং শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে সাহায্য করে।

আমরা দামি সাপ্লিমেন্টের পেছনে ছুটি, অথচ আমাদের হাতের কাছেই রয়েছে প্রকৃতির অমূল্য এক উপহার—লেবু।
প্রতিদিনের খাবারের সঙ্গে পরিমিত পরিমাণে তাজা লেবু খাওয়া শরীরকে ভিটামিন C সরবরাহ করতে সাহায্য করে। এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়ক, উদ্ভিজ্জ খাবার থেকে আয়রন শোষণ বাড়ায় এবং প্রাকৃতিক অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে শরীরের কোষকে সুরক্ষা দিতে ভূমিকা রাখে। লেবুর টক স্বাদ খাবারে অতিরিক্ত লবণের ব্যবহারও কমাতে সাহায্য করতে পারে।
কিন্তু শুধু লেবু খেলেই সুস্থ থাকা সম্ভব নয়। প্রকৃত সুস্থতা আসে যখন আমাদের প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে বিষমুক্ত শাকসবজি, নিরাপদ মাছ, দেশীয় মুরগি, বিশুদ্ধ পানি এবং একটি প্রাকৃতিক জীবনধারা।
ধলেশ্বরীর লক্ষ্য শুধু খাদ্য উৎপাদন নয়; এমন একটি সংস্কৃতি গড়ে তোলা, যেখানে মানুষ জানবে তার খাবার কোথা থেকে এসেছে, কীভাবে উৎপাদিত হয়েছে এবং তা তার পরিবারের জন্য কতটা নিরাপদ।
আসুন, ছোট ছোট স্বাস্থ্যকর অভ্যাস দিয়ে বড় পরিবর্তনের সূচনা করি। প্রকৃতির কাছাকাছি ফিরি, নিরাপদ খাবার বেছে নিই এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি সুস্থ বাংলাদেশ গড়ে তুলি।
🌱 ধলেশ্বরী — নিরাপদ, বিষমুক্ত ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যের অঙ্গীকার।

#বিষমুক্ত_খাবারই_হোক_সুস্থ_জীবনের_ভিত্তি।

#ধলেশ্বরী #নিরাপদখাদ্য #বিষমুক্তখাবার #সুস্থজীবন #প্রাকৃতিকখাদ্য #লেবুরউপকারিতা #বাংলারকৃষি

আপনি আজ বাজার থেকে যে সবজি, মাছ, মুরগি ও ডিম কিনে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন—আপনি কি জানেন, আপনার পরিবারের খাবারের সঙ্গে আর কী ...
01/08/2026

আপনি আজ বাজার থেকে যে সবজি, মাছ, মুরগি ও ডিম কিনে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন—আপনি কি জানেন, আপনার পরিবারের খাবারের সঙ্গে আর কী কী ঘরে ঢুকছে?

আমরা প্রতিদিন রঙিন, চকচকে, বড় আকারের ও দেখতে সুন্দর খাবার কিনে খুশি হই। কিন্তু সেই বাহ্যিক সৌন্দর্যের আড়ালে কী আছে, তা কি কখনো ভেবে দেখেছি?

সবজি দ্রুত বড় করতে অতিরিক্ত হরমোন এবং রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করা হয়। আবার ফসল সংগ্রহের পর দীর্ঘদিন টাটকা ও আকর্ষণীয় দেখাতে বিভিন্ন ধরনের সংরক্ষণকারী রাসায়নিক উপাদান ব্যবহারের অভিযোগও উঠে আসে।
মাছ ও মুরগির ক্ষেত্রেও মাত্রাতিরিক্ত অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্যান্য ওষুধ ব্যবহারের বিষয় নিয়ে বিশেষজ্ঞরা দীর্ঘদিন ধরে সতর্ক করে আসছেন।

এসব অনিরাপদ চর্চার ফলে খাবারে রাসায়নিকের অবশিষ্টাংশ থেকে যেতে পারে। দীর্ঘদিন ধরে এমন খাদ্য গ্রহণ করলে শরীরে ধীরে ধীরে ক্ষতিকর প্রভাব পড়তে পারে। গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত কীটনাশকের সংস্পর্শ স্নায়ুতন্ত্র, যকৃত, কিডনি ও হরমোনের স্বাভাবিক কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী জীবাণুর ঝুঁকিও বাড়ে, যা ভবিষ্যতে সাধারণ সংক্রমণের চিকিৎসাকেও কঠিন করে তুলতে পারে।

সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হলো—এই ক্ষতি অনেক সময় একদিনে বোঝা যায় না। মাসের পর মাস, বছরের পর বছর অল্প অল্প করে শরীরে জমতে থাকা ক্ষতিকর উপাদান ভবিষ্যতে নানা জটিল স্বাস্থ্যসমস্যার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

তবে আমরা , শুরু করেছি দেশী জাতের নিরাপদ বিষমুক্ত দেশীয় চাষাবাদ পদ্ধতির চাষাবাদ। সৎ ও দায়িত্বশীল নিরাপদ খাদ্য উৎপাদনে নিরলস পরিশ্রম করছি। আমাদের লক্ষ্য ভোক্তাদের কাছে বিশ্বস্ত খাদ্য পৌঁছে দেওয়া।

এই বিশ্বাস থেকেই আমরা কাজ করছি।

খুব শিগগিরই আমরা নিয়ে আসছি বিষমুক্ত, নিরাপদ ও স্বাস্থ্যকর সবজি, মাছ ও দেশীয় মুরগি। উৎপাদন থেকে আপনার টেবিল পর্যন্ত থাকবে স্বচ্ছতা, দায়িত্বশীলতা এবং নিরাপদ খাদ্যের প্রতিশ্রুতি।

আপনি যদি নিজের এবং আপনার পরিবারের জন্য নিরাপদ খাদ্য বেছে নিতে চান, তাহলে এখনই আমাদের পেজে লাইক ও ফলো দিয়ে সঙ্গে থাকুন। খুব শিগগিরই আমরা আমাদের উৎপাদন, পদ্ধতি এবং সংগ্রহের বিস্তারিত আপনাদের সঙ্গে শেয়ার করব।

নিরাপদ খাদ্য কোনো বিলাসিতা নয়—এটি আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার

#নিরাপদ_খাদ্য #বিষমুক্ত_খাদ্য #স্বাস্থ্যকর_জীবন #দেশীয়_কৃষি #ফার্ম_টু_প্লেট #প্রাকৃতিক_কৃষি #সচেতন_ভোক্তা #বাংলাদেশ

With Jayedul Huq Khan Khaled – I just got recognized as one of their top fans! 🎉
28/07/2026

With Jayedul Huq Khan Khaled – I just got recognized as one of their top fans! 🎉

28/07/2026

#ধলেশ্বরী একটি সবুজ পৃথিবী রক্ষায় আর্থ সামাজিক উদ্যোগ, যার লক্ষ্য হলো দেশীয় কৃষি ঐতিহ্য, জীববৈচিত্র্য ও নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা পুনরুদ্ধার করা।

আমাদের মূল কার্যক্রম—

• দেশীয় বীজ সংরক্ষণ
• দেশীয় ফসলের পুনরুজ্জীবন
• দেশীয় প্রাণিসম্পদ সংরক্ষণ
• বিষমুক্ত ও প্রাকৃতিক কৃষি
• কৃষকভিত্তিক টেকসই অর্থনীতি
• কৃষি শিক্ষা ও গবেষণা

আমাদের দর্শন—

প্রকৃতি, কৃষক ও মানুষের মধ্যে একটি টেকসই সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠা করা।

28/07/2026

সুপ্রভাত।। ১৩ই শাওন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ।মঙ্গলবার
আজ ভরা পূর্নীমা।।
মাঠ ঘাট নদী নালা সব জলে পরিপূর্ন।।

🌿 **আসসালামু আলাইকুম।**আশা করি সবাই ভালো আছেন।এই বর্ষাকাল গাছ লাগানো ও ফলের বীজ বপনের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। আজ আমরা যে ফল ...
23/07/2026

🌿 **আসসালামু আলাইকুম।**
আশা করি সবাই ভালো আছেন।

এই বর্ষাকাল গাছ লাগানো ও ফলের বীজ বপনের সবচেয়ে উপযুক্ত সময়। আজ আমরা যে ফল খাচ্ছি, সেই ছোট্ট বীজই একদিন বিশাল গাছে পরিণত হয়ে মানুষ, পাখি ও প্রকৃতির জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠতে পারে।

**ধলেশ্বরী**-এর চলমান **বৃক্ষরোপণ ও বীজ সংগ্রহ কর্মসূচিতে** আপনিও অংশ নিতে পারেন।

ফল খাওয়ার পর বীজটি পরিষ্কার করে ধুয়ে ছায়ায় শুকিয়ে একটি কাগজের খাম বা ব্যাগে সংরক্ষণ করুন। এরপর আমাদের হাতে তুলে দিন। আমরা নিজ দায়িত্বে উপযুক্ত স্থানে বপন ও রোপণ করব। প্রয়োজনে আপনার কাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করেও নিয়ে আসব।

🌱 **একটি বীজ মানেই একটি নতুন জীবনের শুরু।**
🌳 **একটি গাছ মানেই বিশুদ্ধ অক্সিজেন, ফল, ছায়া এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর পৃথিবী।**

আসুন, শুধু একটি গাছ নয়—হাজারো গাছের ভিত্তি গড়ে তুলি। আপনার একটি ছোট উদ্যোগই হতে পারে আগামী দিনের সবুজ বাংলাদেশের অনুপ্রেরণা।

**আসুন, বীজ সংগ্রহ করি, গাছ লাগাই, সবুজ পৃথিবী গড়ি।** 💚

**ধন্যবাদান্তে,**
**জায়েদ খালেদ**
📞 ০১৭৮২-৬৭৮৪৫৪
📞 ০১৬৭০-৯০২৪৪২

#বীজসংগ্রহ #বৃক্ষরোপণ #গাছলাগান #সবুজবাংলাদেশ #ধলেশ্বরী #ধলেশ্বরীএগ্রো #পরিবেশরক্ষা

🌿 ধলেশ্বরীতে একটি নতুন সবুজ উদ্যোগ শুরু করতে চাই... আপনার মতামত কী? 🌿অনেক দিন ধরেই আমরা একটি বিষয় নিয়ে ভাবছি।শুধু কৃষি ক...
19/07/2026

🌿 ধলেশ্বরীতে একটি নতুন সবুজ উদ্যোগ শুরু করতে চাই... আপনার মতামত কী? 🌿

অনেক দিন ধরেই আমরা একটি বিষয় নিয়ে ভাবছি।

শুধু কৃষি করলেই কি হবে? একটি প্রকল্প কি শুধু ফসল উৎপাদনের জায়গা হবে, নাকি এটি পরিবেশ, মানুষ ও প্রকৃতির জন্যও একটি অনুকরণীয় মডেল হতে পারে?

এই ভাবনা থেকেই ধলেশ্বরীতে আমরা একটি "সবুজ সীমানা কর্মসূচি (Green Living Fence)" শুরু করার পরিকল্পনা করছি।

আমাদের ইচ্ছা, প্রকল্পের চারপাশে ধাপে ধাপে এমন একটি জীবন্ত সবুজ বেষ্টনী তৈরি করা, যেখানে থাকবে বিভিন্ন উপকারী ও দেশীয় গাছ। এটি শুধু সীমানা রক্ষা করবে না, বরং পাখি, মৌমাছি ও অন্যান্য প্রাণীর জন্য আশ্রয় তৈরি করবে, ভবিষ্যতে খাদ্য, পশুখাদ্য ও পরিবেশ সংরক্ষণেও ভূমিকা রাখবে।

কিন্তু আমরা চাই না এটি শুধু ধলেশ্বরীর একটি প্রকল্প হয়ে থাকুক।

আমরা চাই, এটি হোক একটি সামাজিক উদ্যোগ, যেখানে সবাই নিজের অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি গাছের সঙ্গে, একটি সবুজ ভবিষ্যতের সঙ্গে এবং প্রকৃতির সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলবে।

তাই কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে আমরা আপনাদের মতামত জানতে চাই।

আপনাদের কাছে কয়েকটি প্রশ্ন—

🌱 এমন একটি উদ্যোগ কি বর্তমান সময়ে প্রয়োজন বলে মনে করেন?

🌱 এই কর্মসূচি বছরের কোন সময়ে আয়োজন করলে সবচেয়ে ভালো হবে—বর্ষার শুরুতে, নাকি অন্য কোনো সময়ে?

🌱 আপনি কি নিজে একটি গাছ রোপণ করতে আগ্রহী?

🌱 আপনি কি আপনার পরিবার, সন্তান বা প্রিয়জনকে নিয়ে এই কর্মসূচিতে অংশ নিতে চান?

🌱 আপনি কি একজন স্বেচ্ছাসেবক, গাছদাতা বা এই উদ্যোগের সহযোগী হতে আগ্রহী?

আমরা বিশ্বাস করি, একটি সফল সামাজিক উদ্যোগ মানুষের মতামত, অংশগ্রহণ ও ভালোবাসা থেকেই শুরু হয়।

আপনার পরামর্শ, সমালোচনা, নতুন আইডিয়া বা অভিজ্ঞতা—সবকিছুই আমাদের জন্য মূল্যবান। কমেন্টে নির্দ্বিধায় লিখুন। যদি এই উদ্যোগের সঙ্গে থাকতে চান, তাহলে কমেন্টে শুধু "আমি আছি" লিখে জানান।

আপনাদের সাড়া ও মতামতের ভিত্তিতেই আমরা পরবর্তী ধাপে "ধলেশ্বরী সবুজ সীমানা কর্মসূচি"-এর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা ও ইভেন্ট প্রকাশ করব।

🌱 একটি গাছ হয়তো পৃথিবী বদলে দেয় না, কিন্তু হাজারো মানুষের হাতে লাগানো হাজারো গাছ অবশ্যই একটি সবুজ ভবিষ্যতের সূচনা করতে পারে।

আপনি কি এই যাত্রার অংশ হবেন? 💚

#ধলেশ্বরী #সবুজ_সীমানা #গাছ_লাগান_পরিবেশ_বাঁচান

🌿 সীমানা শুধু দেয়াল নয়, হতে পারে খাদ্য, নিরাপত্তা ও প্রকৃতির আশ্রয় 🌿আমরা সাধারণত জমির চারপাশে ইটের দেয়াল, কংক্রিটের বেড়া...
18/07/2026

🌿 সীমানা শুধু দেয়াল নয়, হতে পারে খাদ্য, নিরাপত্তা ও প্রকৃতির আশ্রয় 🌿

আমরা সাধারণত জমির চারপাশে ইটের দেয়াল, কংক্রিটের বেড়া বা লোহার জাল দিয়ে নিরাপত্তা তৈরি করি। কিন্তু প্রকৃতির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে যদি আমরা একটি জীবন্ত সীমানা (Living Fence) তৈরি করি, তাহলে একই জায়গা থেকে পাওয়া যায় নিরাপত্তা, খাদ্য, পশুখাদ্য এবং পরিবেশের উপকার।

ধলেশ্বরী প্রকল্পে আমরা এমন একটি উদ্যোগ নিতে চাই—যেখানে আমাদের জমির সীমানা শুধু একটি বেড়া হবে না, বরং একটি জীবন্ত সবুজ বেষ্টনী ও খাদ্য বন (Food Forest Boundary) হিসেবে গড়ে উঠবে।

আমাদের পরিকল্পনা হচ্ছে—

🌳 প্রথম স্তরে থাকবে বাবলা গাছের শক্ত প্রাকৃতিক বেষ্টনী।
বাবলার কাঁটাযুক্ত ডাল একটি নিরাপদ প্রাকৃতিক দুর্গ তৈরি করবে। প্রয়োজন হলে এর সঙ্গে জাল সংযুক্ত করে গরু, ছাগল ও অন্যান্য প্রাণীর প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করা যাবে। পাশাপাশি বাবলার পাতা ও কচি ডাল ছাগলের খাদ্য হিসেবেও ব্যবহার করা সম্ভব।

🍋 দ্বিতীয় স্তরে থাকবে লেবু গাছ।
যা একদিকে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করবে, অন্যদিকে নিয়মিত ফল উৎপাদন ও আমাদের Farm-to-Table কার্যক্রমে সহায়তা করবে।

🌿 তৃতীয় স্তরে থাকবে সজনে গাছ।
সজনে হবে পুষ্টির উৎস, পশুখাদ্যের সহায়ক এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের অংশ।

🌱 পাশাপাশি কিছু নিম গাছ রাখা হবে, যা ভবিষ্যতে প্রাকৃতিক কীটনাশক ও ঔষধি ব্যবহারের উৎস হতে পারে।

আমাদের লক্ষ্য—
একটি জমির সীমানাকে এমনভাবে তৈরি করা, যেখানে নিরাপত্তার পাশাপাশি থাকবে খাদ্য, জীববৈচিত্র্য, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং ভবিষ্যতের জন্য একটি টেকসই মডেল।

আজ যখন চারদিকে কংক্রিটের দেয়াল বাড়ছে, তখন আমরা চেষ্টা করতে চাই প্রকৃতির সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ একটি বিকল্প তৈরি করতে।

তবে এটি আমাদের প্রাথমিক পরিকল্পনা। আপনাদের মূল্যবান মতামত ও অভিজ্ঞতা আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আপনারা কী মনে করেন?

✅ বাবলা দিয়ে এমন জীবন্ত বেষ্টনী তৈরি করা কেমন হবে?
✅ এর সঙ্গে আর কোন গাছ যুক্ত করা যেতে পারে?
✅ এই পরিকল্পনার ভালো-মন্দ দিকগুলো কী হতে পারে?

আপনাদের পরামর্শ, অভিজ্ঞতা ও গঠনমূলক মতামত কমেন্টে জানাবেন।
হয়তো আপনাদের একটি পরামর্শই ধলেশ্বরীর এই সবুজ উদ্যোগকে আরও সুন্দর ও কার্যকর করে তুলবে। 🌱

#সবুজবাংলা

🌿 বাংলাদেশের প্রতি ১০০ জন ক্যান্সার রোগীর মধ্যে ৬৪ জনই কৃষক।যে মানুষটি আমাদের জন্য ধান ফলায়, সবজি উৎপাদন করে, ফলের বাগা...
17/07/2026

🌿 বাংলাদেশের প্রতি ১০০ জন ক্যান্সার রোগীর মধ্যে ৬৪ জনই কৃষক।

যে মানুষটি আমাদের জন্য ধান ফলায়, সবজি উৎপাদন করে, ফলের বাগান গড়ে তোলে—আজ সেই মানুষটিই বিষের সবচেয়ে বড় শিকার।

আমি নিজেও একজন কৃষক।

আমার বাগানে যদি কীটনাশক না দিই, তাহলে আশেপাশের বাগানের সব পোকা এসে আমার গাছের পাতাগুলো শেষ করে দেয়। কারণ চারপাশে এত বেশি বিষ ব্যবহার করা হয় যে সেখানে আর কোনো পোকা বেঁচে থাকে না। তখন আমিও বাধ্য হই স্প্রে করতে।

একবার…
দুইবার…
তিনবার…
পাঁচবার…
সাতবার…

কৃষক জানেই না ঠিক কতবার স্প্রে করা উচিত। সে শুধু জানে, বাজারে পোকামুক্ত, চকচকে ফল-সবজি দিতে হবে। না হলে তার ফসল বিক্রি হবে না।

কিন্তু আমরা কি কখনো ভেবে দেখেছি—এই বিষ কার জন্য ব্যবহার হচ্ছে?

আমাদের জন্যই।

আমরা বাজারে গিয়ে যদি একটি পোকাযুক্ত বেগুন দেখি, যদি একটু বাঁকা বা দাগযুক্ত কোনো সবজি দেখি, তখন আমরা সেটি ফিরিয়ে দিই। আমরা নিখুঁত দেখতে খাবার চাই, কিন্তু নিরাপদ খাবার চাই না।

ফলাফল?

কৃষক বিষ ব্যবহার করছে, মাটি বিষাক্ত হচ্ছে, পানি দূষিত হচ্ছে, জীববৈচিত্র্য ধ্বংস হচ্ছে, আর ধীরে ধীরে বিষ ঢুকে যাচ্ছে আমাদের শরীরে—সবচেয়ে বেশি আমাদের শিশুদের শরীরে।

আজ আমাদের খাবারে সিসাসহ নানা ক্ষতিকর উপাদান পাওয়া যাচ্ছে, যা সহনীয় মাত্রার বহু গুণ বেশি। সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হলো—আমরা আমাদের সন্তানদের কী খাওয়াচ্ছি? আমরা তাদের জন্য কেমন একটি ভবিষ্যৎ তৈরি করছি?

🌱 একটি পোকাযুক্ত বেগুন হয়তো অসুন্দর, কিন্তু সেটি আমাদের জন্য অনেক বেশি নিরাপদ হতে পারে।

🌱 একটি বাঁকা শসা হয়তো বাজারের চোখে নিখুঁত নয়, কিন্তু সেটি আমাদের সন্তানের জন্য একটি সুস্থ ভবিষ্যৎ হতে পারে।

বিড়ালের গলায় ঘণ্টা বাঁধবে কে?

শুধু কৃষককে দোষ দিয়ে এই সংকটের সমাধান হবে না। এই দায় আমাদের সবার—কৃষক, ভোক্তা, ব্যবসায়ী, নীতিনির্ধারক, সমাজের প্রতিটি মানুষের।

আজ যদি আমরা বিষমুক্ত, প্রাকৃতিক এবং কিছুটা অসম্পূর্ণ দেখতে খাবার গ্রহণ করতে না শিখি, তাহলে আগামী ১০-১৫ বছরে ক্যান্সার, বন্ধ্যাত্ব, শিশুদের নানা জটিল রোগ এবং পরিবেশ বিপর্যয় আমাদের জন্য আরও ভয়াবহ বাস্তবতা হয়ে দাঁড়াবে।

ধলেশ্বরীর স্বপ্ন শুধু কৃষি নয়; এটি নিরাপদ খাদ্য, সুস্থ মানুষ, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ এবং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন।

🌿 আসুন, আমরা নিখুঁত দেখতে খাবার নয়, নিরাপদ খাবার বেছে নিই।

কারণ আমরা পৃথিবীকে আমাদের পূর্বপুরুষদের কাছ থেকে উত্তরাধিকার হিসেবে পাইনি; আমরা এটি আমাদের সন্তানদের কাছ থেকে ধার নিয়েছি।

আল্লাহ আমাদের, আমাদের কৃষকদের এবং আমাদের সন্তানদের হেফাজত করুন।

Address

Dhaleshwari Camping & Kayaking, Dhalikandi, Kolatia, Hazratpur, Keraniganj
Dhaka
1310

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhaleshwari Camping & Kayaking posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dhaleshwari Camping & Kayaking:

Shortcuts

Share

Category