06/03/2015
একটি কবিতা পড়া হবে,
তার জন্য কী ব্যাকুল প্রতীক্ষা মানুষের:
‘কখন আসবে কবি?’ ‘কখন আসবে কবি?’
শত বছরের শত সংগ্রাম শেষে,
রবীন্দ্রনাথের মতো দৃপ্ত পায়ে হেঁটে অতঃপর
কবি এসে জনতার মঞ্চে দাঁড়ালেন।
তখন পলকে দারুণ ঝলকে তরীতে উঠিল জল,
হৃদয়ে লাগিল দোলা,
জনসমুদ্রে জাগিল জোয়ার
সকল দুয়ার খোলা।
কে রোধে তাঁহার বজ্রকণ্ঠ বাণী?
গণসূর্যের মঞ্চ কাঁপিয়ে কবি শোনালেন
তাঁর অমর-কবিতাখানি:
‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম,
এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম।’
সেই থেকে স্বাধীনতা শব্দটি আমাদের।
আজ ঐতিহাসিক ৭ই মার্চ,
১৯৭১ সালের এই দিনে হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী, জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তৎকালীণ রেসকোর্স ময়দানে মুক্তিপাগল সাড়ে ৭ কোটি বাঙ্গালীকে শুনিয়েছিলেন মুক্তির মন্ত্র।যা পৃথিবীর ইতিহাসে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ গুলির তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।
কি ছিলনা সেই ভাষনে, মুক্তিকামী বাঙ্গালীর শোষন নির্যাতন আর বঞ্চনার ইতিহাস থেকে শুরু করে অধিকার আদায়ের সংগ্রাম, প্রতিবাদ, প্রতিরোধ এবং চুড়ান্ত সশস্ত্র সংগ্রামের নির্দেশনা সবই ছিলো সেই ভাষনে।মাত্র কয়েক মিনিটের একটি ভাষণ অথচ তার প্রভাব কত সুদূর প্রসারী।একটি মাত্র ভাষন শুনে নিরস্ত্র সাড়ে ৭ কোটি মানুষ একটি সশস্ত্র সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে জীবন বাজি রেখে মুক্তির সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়তে পারে এমন দৃষ্টান্ত ইতিহাসে বিরল।তাইতো আজও দেশে বিদেশে বিভিন্ন জায়গায় ঐতিহাসিক ৭ই মার্চের ভাষন নিয়ে গবেষণা হচ্ছে।
আজকের দিনে পিতা তোমায় স্মরি বিনম্র শ্রদ্ধায়.....
জয় বাংলা,
জয় বঙ্গবন্ধু।