এ বি এন্টারপ্রাইজ

এ বি এন্টারপ্রাইজ services

21/08/2024

🚫 সবাইকে জানিয়ে সতর্ক করুন 🚫

আগামী ২৪-৭২ ঘন্টায় দেশের বন্যা পরিস্থিতির অবনতির আশংকা করা যাচ্ছে। নতুন নতুন জেলা প্লাবিত হবার আশংকা আছে। এতি মধ্যে ১৯০ ও বেশি গ্রাম বন্য পরিস্থিতি

করণীয় :
~ মোবাইলে চার্জ রাখুন।
~ শুকনা খাবার/ মোমবাতি ঘরে রাখুন।
~প্রাথমিক ঔষধ/চিকিৎসা সরঞ্জাম কাছে রাখুন।
~ যাদের পুকুরে মাছ আছে, এখনো না ডুবে থাকলে জাল দিয়ে ঘেরাও করে রাখুন।
~ ছোট বাচ্চাদের সাবধানে রাখুন।
~ গর্ত ডুবে যাওয়ায় সাপ এ সময় বের হয়ে আসবে। সাবধানতা অবলম্বন করুন।
~ সিজারিয়ান অপারেশন লাগবে এমন প্র‍্যাগনেন্ট মহিলা থাকলে ডাক্তারের সাথে কথা বলে নতুন করে ডেট ফিক্স করুন (বন্যার অবস্থা বুঝে)
~ গরু/ছাগলের জন্য শুকনা খাবারের মজুত রাখুন।
~ বৃষ্টির পানি যাতে ফুলের টব/ অন্য পাত্রে/ ডাবের খোসায় জমে না থাকে সে দিকে খেয়াল দিন।

৩১ বছর পর ত্রিপুরার ডুম্বুর সুইচ গেট খুলে দিল ভারত!
মধ্যরাতে নোয়াখালী-ফেনী পানিতে তলিয়ে গেল। বন্যার শঙ্কায় লক্ষীপুর-কুমিল্লা সহ আরও কয়েকটা জেলা।

- জনস্বার্থে পোষ্টটি শেয়ার করার অনুরোধ রইলো 🙏❤️

সারাদিন মিলে ঈদ আনন্দ সবাইকে ঈদ মোবারক
11/04/2024

সারাদিন মিলে ঈদ আনন্দ সবাইকে ঈদ মোবারক

09/04/2024

সৌদি আরবে একদিন আগে ঈদ হয় কেন ?

চাঁদের পৃথিবীর চারদিকে একবার ঘুরে আসতে সময় লাগে গড়ে প্রায় ২৯.৫৩ দিন । ফলশ্রুতিতে চন্দ্রমাস হয় ২৯ বা ৩০ দিনে ।

মজার ব্যাপার হল, চন্দ্রমাস নির্দিষ্ট নয় । ফলে মুসলিমদেরকে রমজান ও ঈদ পালন করতে চাঁদ দেখতে হয় । এই অনির্দিষ্টতার কারণে চন্দ্রবছরও আলাদা হয় । কোনো বছর ৩৫৪, আবার কোনো বছরে ৩৫৫ দিন হয় । অর্থাৎ এটি গ্রেগরীয় বা সৌরবর্ষ থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং অনন্য । এবং এখানেও সূর্যের কোন কাজ নেই । যদিও চন্দ্রবর্ষে সূর্য ডোবার পর নতুন দিন গণনা শুরু হয় । অর্থাৎ রাত আগে আসে, তারপর দিন ।

আসা করছি বিষয় দুটো পরিষ্কার । তবে এবার মূল বিষয়ে আলোচনা করা যাক ।

সময়ের বিশাল তারতম্য :
শুরুতে যেই প্রশ্নটা ছিল সেটাই আবার আলোচনা করি । হিসেব অনুযায়ী সৌদি আরব থেকে বাংলাদেশ ৩ ঘণ্টা এগিয়ে । এতে বরং বাংলাদেশ ৩ ঘণ্টা আগে চাঁদ দেখবে । কিন্তু তা তো হয়ই না, উল্টো সৌদি আরবে একদিন আগে রমজান, ঈদ শুরু হয়ে যায় সাধারণত ।

এর উত্তরের সঙ্কেত উপরে খানিকটা দিয়েছিও । সমস্যা হল, আমরা সৌর ও চন্দ্রের হিসেবকে মিলিয়ে ফেলি । সৌর হিসেবে সৌদি আরবের সাথে আমাদের পার্থক্য মাত্র ৩ ঘণ্টা হলেও চন্দ্রের হিসেবে সৌদি আরব ও আমাদের পার্থক্য ২১ ঘণ্টার!

কি, অবাক হচ্ছেন? অবাক হওয়ারই কথা। এটা কিভাবে হল, বুঝতে পারছেন না নিশ্চয়ই ? চলুন জেনে নিই বিষয়টা ।

পৃথিবীর গতির কথা তো জানিই । পৃথিবী নিজের অক্ষের চারিদিকে পশ্চিম থেকে পূর্বে ঘুরে চলেছে প্রতিনিয়ত যাকে আহ্নিক গতি বলি । গতিটা সহজে বোঝা যাবে ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিক বা অ্যান্টি ক্লকওয়াইজ (Anti Clockwise) বললে । চাঁদ তো ধীরে ধীরে আবর্তন করছে । ফলশ্রুতিতে প্রতিদিন পশ্চিম দেশ সবার আগে চাঁদ দেখতে পায় । আমরা তো জানিই সূর্যোদয় হয় পূর্ব থেকে, তবে চাঁদের ক্ষেত্রে উল্টো । যদিও চাঁদ পূর্বে উঠে পশ্চিমে অস্ত যায়, তবুও পশ্চিমারা চাঁদের আলো সবার আগে পায় ।

কোনো এক দেশে চাঁদ দেখা গেলেও অন্য দেশে দেখা যেতে দেরি হতে পারে । কেননা খালি চোখে চাঁদকে দেখতে হলে চন্দ্র আর সূর্যের মাঝে ১০.৫ ডিগ্রি কোণ থাকতেই হবে । এবং যে পরিমাণ দূরত্ব অর্জন করলে এই কোণ তৈরি হবে, সে পরিমাণ যেতে যেতে চাঁদের ১৭ থেকে ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত লেগে যায় । এ কারণেই আজ আমেরিকাতে চাঁদ দেখা গেলেই যে বাংলাদেশেও দেখা যাবে, সেটা ভুল ধারণা । যতক্ষণ না পর্যন্ত সেই কোণ অর্থাৎ ১০.৫ ডিগ্রি অর্জন না হবে, ততক্ষণ পর্যন্ত চাঁদ দেখা যাবে না । একই বিষয় সৌদি আরব ও বাংলাদেশের ক্ষেত্রেও । এই সংকট কোণকে ইলঙ্গেশন (Elongation) বলে । তাই চাঁদের বয়স কত সেটা আদৌ আসল কথা নয়, সেই কোণ হয়েছে কিনা সেটার উপর নির্ভর করে চাঁদ দেখা যাবে কিনা ।

ফলে আমরা সৌদি আরব থেকে ৩ ঘণ্টা সূর্যের হিসেবে এগিয়ে থাকলেও, চাঁদের হিসেবে ২১ (২৪-৩=২১) ঘণ্টা পিছিয়ে আছি । ২১ ঘণ্টা প্রায় ১ দিন । অর্থাৎ আমরা প্রায় একদিন পিছিয়ে আছি । সেজন্যই সৌর বছরের হিসেবে একদিন পরে চাঁদ দেখি । তবে চন্দ্র বছরের কথা বললে আমরা সবাই একই দিনেই সব করি । তাই কারো এমনটা ভাবার কিছু নেই যে সবাই ভিন্ন দিনে রমজান বা ঈদ পালন করে । সবাই একই দিনেই পালন করে । কিন্তু সেটা যদি ইংরেজি বর্ষপঞ্জি দিয়ে যাচাই করেন, সেটা নিতান্তই বোকামি হবে ।

শেষ কথা হল, চন্দ্রবর্ষ অনুযায়ী পুরো পৃথিবীর সকলেই একই দিনে রমজান, ঈদ পালন করে । শুধু টাইমজোন (Timezone) আলাদা বলে আগে-পরে এমনটা মনে হয় ।

(সংগৃহীত)

11/03/2024

আল্লাহ বলেন, আমি ৬টি জিনিসকে লুকিয়ে রেখেছি ৬টি স্থানে। কিন্তু মানুষ তা খুঁজে বেড়ায় ভিন্ন জায়গায়।

১. আমি দ্বীন ইসলামকে রেখেছি ক্ষুধা, দারিদ্রতা ও ধৈর্যের মধ্যে, কিন্তু মানুষ তা খোঁজে উদরপূর্তি ও দুনিয়ার স্বচ্ছলতার মধ্যে।

২. আমি সম্মান রেখেছি শেষ রাতের ইবাদতে, কিন্তু মানুষ খোঁজে, শাসক ও ক্ষমতাবানের সাহচর্যে।

৩. আমি সুখ স্বাচ্ছন্দ্য রেখেছি জান্নাতে, কিন্তু মানুষ তা খোঁজে দুনিয়াতে।

৪. আমি বড়ত্ব রেখেছি বিনয় ও নম্রে, কিন্তু মানুষ তা খোঁজে অহংকারে।

৫. আমি ধনী হওয়া রেখেছি অল্প তুষ্টিতে, কিন্তু মানুষ তা খোঁজে লোভ- লালসার মধ্যে।

৬. আমি দোয়া কবুল হওয়াকে নিহিত রেখেছি হালাল উপার্জনের মধ্যে, কিন্তু মানুষ তা খোঁজে হারাম উপার্জনে।

আল্লাহ পাক আমাদেরকে সঠিকভাবে আমল করার তাওফিক দান করুন,
আ-মীন।

04/03/2024

চিত্রশাইল নিবাসী মাহবুব আকন্দ ও সাগরের বাবা হার্ট এটাক করে ইন্তেকাল করিয়াছেন ইন্নানিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন মরহুমের জানাজার নামাজ বাদ মাগরিব চিত্রশাইল হাজী ইউনুছ আলী কলেজ মাঠে অনুষ্ঠিত হবে

19/02/2024

চিত্রশাইল নিবাসী হাজী কফিল উদ্দিন ওমরা হজ অবস্থায় ইন্তেকাল করিয়া আছেন ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্নালিল্লাহি রাজিউন মরহুমার লাশ দেশে আসার পরে জানাযার তারিক এবং সময় জানায় দেওয়া হবে আল্লাহ সুবহানাতায়ালা তাকে জান্নাতুল ফেরদৌস দান করুক আমিন

03/02/2024

আমি জানিনা কিভাবে ডাকলে আমার ডাকে সাড়া দিবেন...
আমি জানিনা কিভাবে চাইলে আমার চাওয়া পূরণ করবেন...
আমি জানিনা কিভাবে হাত উঠালে আমার হাত ভরে দিবেন..
আমি জানিনা কিভাবে দোয়া করলে আমার দোয়া কবুল করবেন...

কিন্তু আপনি তো আপনার গুনাহগার বান্দার অন্তরের খবর জানেন,
ইয়া রব! আপনি তো অন্তরটাই দেখেন এবং আপনিই তো বলেছেন-
তোমরা আমাকে ডাকো আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিবো।
তোমরা আমার কাছে চাও আমি তোমাদের চাওয়া পূরণ করব।
আপনিই তো বলেছেন খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে আপনি লজ্জা বোধ করেন।

আমি অযোগ্য আমার যোগ্যতার বাহিরে আপনি অনেক কিছুই দান করেছেন।
আমি এবারও বিশ্বাস করি আপনি আমাকে নিরাশ করবেন না...
আমি জানি আমি ছাড়া আপনার অনেক উত্তম বান্দা আছে কিন্তু আমার আপনি ছাড়া কেউ নেই ইয়া রব!
আমার আবদার করার মতো, ডাকার মতো, চাওয়ার মতো আপনি ছাড়া আর কেউ নেই।
ইয়া রব! আমি দুর্বল আমার ধৈর্য্যের পরীক্ষা নেবেন না!
আমি তার উপযুক্ত নই, আমার জন্য পরীক্ষা সহজ করে দিন।
আপনি আমার ডাকে সাড়া দিন, আমার চাওয়া পূরণ করুন, ইয়া মালিক-
আমার খালি হাত আপনার রহমত দিয়ে পরিপূর্ণ করে দিন...! আমিন

28/01/2024

"""শুভ সকাল
صباح الخير
Good Morning 🌷🌳🌹
আজ রবিবার
২৮ জানুয়ারি ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
১৫ রজব ১৪৪৫ হিজরি
১৪ মাঘ ১৪৩০ বঙ্গাব্দ
এখন শীতকাল🌨❄🥶
আজকের সূর্যোদয় ৬.৪০
এবং সূর্যাস্ত ৫.৪১ মিনিটে
দিনটি শুরু ক‌রি এক‌টি ফজরের নামাজ দিয়ে ভালো কাজের মাধ্যমে,
যত্রতত্র পলিথিন পরিহার করি
অকারণে হর্ন বাজিয়ে শব্দ দূষণ বন্ধ করি
গাছ লাগিয়ে নতুন প্রজন্মের দেশ গড়ি
সতর্ক থাকুন, নিরাপদে থাকুন
আনন্দময় হোক আপনার সারাদিন💙❤💜"""

পুরুষের টাখনুর নিচে কাপড় পড়া হারাম।(বুখারী--৫৭৮৭)  মহিলাদের টাখনুর উপর কাপড় পড়া হারাম।(তিরমিযী--১৭৩১) এই পাপ টিকে আজকাল ...
12/12/2023

পুরুষের টাখনুর নিচে কাপড় পড়া হারাম।
(বুখারী--৫৭৮৭)
মহিলাদের টাখনুর উপর কাপড় পড়া হারাম।
(তিরমিযী--১৭৩১)

এই পাপ টিকে আজকাল আমরা পাপ ই মনে করিনা ( নাউজুবিল্লাহ) ।
ফ্যাশান যেনো আমার/ আপনার জাহান্নামের কারণ না হয়ে যায় খেয়াল রাখবেন।
আল্লাহ আমাদের আমল করার তৌফিক দান করুন.. আমিন!!

12/12/2023

হায়াত সীমিত
রিজিক নির্ধারিত
মৃত্যু অবধারিত
তবুও আমরা দুনিয়া নিয়ে ব্যস্ত

সম্পন্ন তথ্য সুত্রঃ- কক্সবাজার রেলওয়ে সম্পর্কে। ★ ৮১৩/৮১৪ কক্সবাজার এক্সপ্রেস এর বিস্তারিত সকল তথ্য...... 😍 √ নামঃ কক্সব...
03/12/2023

সম্পন্ন তথ্য সুত্রঃ- কক্সবাজার রেলওয়ে সম্পর্কে।

★ ৮১৩/৮১৪ কক্সবাজার এক্সপ্রেস এর বিস্তারিত সকল তথ্য...... 😍

√ নামঃ কক্সবাজার এক্সপ্রেস।
√ ট্রেন কোডঃ ৮১৩/৮১৪।
√ রুটঃ কক্সবাজার- ঢাকা।
√ সার্ভিসঃ ননস্টপ।
√ পরিসেবাঃ ব্র‍্যান্ড নিউ কোরিয়ান লাল-সবুজ রেক৷
√ সাপ্তাহিক বন্ধঃ ৮১৩ কক্সবাজার থেকে মঙ্গলবার/ ৮১৪ ঢাকা থেকে সোমবার।

√ সময়সূচিঃ

> ৮১৩ কক্সবাজার থেকে ছাড়বে দুপুর ১২.৩০ মিনিটে ➡️ চট্টগ্রাম পৌঁছাবে দুপুর ০৩.৪০ মিনিটে ➡️ চট্টগ্রাম ছাড়বে বিকেল ০৪.০০ মিনিট ➡️ বিমানবন্দর স্টেশন পৌঁছাবে রাত ০৮.৩০ মিনিটে ➡️ বিমানবন্দর স্টেশন ছাড়বে রাত ০৮.৩৩ মিনিটে ➡️ ঢাকা পৌঁছাবে রাত ০৯.১০ মিনিটে।

> ৮১৪ ঢাকা থেকে ছাড়বে রাত ১০.৩০ মিনিটে ➡️ বিমানবন্দর স্টেশন পৌঁছাবে রাত ১০.৫৩ মিনিটে ➡️ বিমানবন্দর স্টেশন ছাড়বে রাত ১০.৫৮ মিনিটে ➡️ চট্টগ্রাম পৌঁছাবে রাত ০৩.৪০ মিনিটে ➡️ চট্টগ্রাম ছাড়বে ভোর ০৪.০০ মিনিটে ➡️ কক্সবাজার পৌঁছাবে সকাল ০৭.২০ মিনিটে।

√ ঢাকা- কক্সবাজার রুটের চূড়ান্ত ভাড়া.....

> শোভন চেয়ার- ৬৯৫; স্নিগ্ধা- ১৩২৫; এসি সিট- ১৫৯০; এসি বার্থ- ২৩৮০।

√ চট্টগ্রাম- কক্সবাজার রুটের চূড়ান্ত ভাড়া.....

> শোভন চেয়ার- ২৫০; স্নিগ্ধা- ৪৭০; এসি সিট- ৫৬৫; এসি বার্থ- ৮৪৫।

√ বিস্তারিত সিটপ্লানঃ

> শোভন চেয়ারে উইন্ডো নম্বর সমূহঃ ০১, ০২, ০৪, ০৫, ০৮, ০৯, ১২, ১৩, ১৬, ১৭, ২০, ২১, ২৪, ২৫, ২৮, (২৯, ৩২, ৩৩, ৩৬), ৩৭, ৩৯, ৪১, ৪৪, ৪৫, ৪৭, ৪৯, ৫১, ৫৩, ৫৬, ৫৭, ৫৯, ৬০৷ () টেবিল সিট।

> স্নিগ্ধা শ্রেণীর উইন্ডো নম্বর সমূহঃ ০১, ০৩, ০৪, ০৭, ০৮, ১১, ১২, ১৫, ১৬, ১৯, ২০, ২৩, (২৪, ২৭, ২৮, ৩১) ৩২, ৩৫, ৩৬, ৩৯, ৪০, ৪৩, ৪৪, ৪৭, ৪৮, ৫১, ৫২, ৫৪, ৫৫। () টেবিল সিট৷

> ৮১৩ঃ কক্সবাজার- চট্টগ্রাম ৬০ থেকে ৩৬ যাত্রামুখী। চট্টগ্রাম- ঢাকা ১-৩৫ যাত্রামুখী৷
> ৮১৪ঃ ঢাকা- চট্টগ্রাম ৬০-৩৬ যাত্রামুখী। চট্টগ্রাম- কক্সবাজার ১- ৩৫ যাত্রামুখী।

√ বর্তমানে দেশে পর্যাপ্ত কোরিয়ান কেবিন না থাকার কারণে এই ট্রেনে আপাততঃ কোনো কেবিন সংযুক্ত নেই। তবে ইনশাআল্লাহ শীঘ্রই এই ট্রেনের সাথে এসি এবং ননএসি কেবিন যুক্ত হবে।

√ যেহেতু পর্যটন মৌসুম চলমান এবং মাত্র একটি ট্রেন চালু হয়েছে, তাই ভাড়া নিয়ে যতই আলোচনা/সমালোচনা থাকুক তবুও টিকেট পাওয়া যাচ্ছে না সহজে। তাই আপনাদের প্রতি অনুরোধ টিকেট কাটার সময় অবশ্যই একটু ফাস্ট হওয়ার চেষ্টা করবেন। এবং অবশ্যই কাউন্টার পরিহার করার চেষ্টা করবেন। কারণ ১০০% টিকেট অনলাইন এবং কাউন্টার এর জন্য উন্মুক্ত, তাই, সকাল আটটার সময় একজন বুকিং সহকারীর কম্পিউটার এর মাউস আর আপনার মোবাইল স্ক্রিনের ক্ষমতা সমান। তবে টিকেট কাটার সময় অবশ্যই ধৈর্য্য ধরতে হবে।

ধন্যবাদ সকলকে।

30/11/2023

শ্রেষ্ঠ গ্রন্থ হয়েছে আল-কোরআন

বই সময়, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের দর্পণ। বইয়ের হরফ শুদ্ধ আলোর প্রদীপ। যে আলোয় উদ্ভাসিত হয় সমাজ ও সমাজের মানুষ। যে আলোয় সূর্যের মতো দেখা যাবে আগামী দিনের পথ। যে আলোয় নির্মাণ হবে আদর্শ, মানবতাধারী এবং ভালোবাসার মানুষ। তবে সে বই হতে হবে ওহি উৎসারিত এবং ওহির আলোয় জ্বলমলে।

বই শব্দটি এসেছে ওহি থেকে। ওহি থেকে বহি, তারপর বই। মানব সভ্যতার ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ গ্রন্থ হলো আল-কোরআন। তার ভাষা, বর্ণ, বর্ণনা, সাহিত্য, উপমা, কাব্য ও গদ্যরীতি, রসবোধ পৃথিবীর সব গ্রন্থকে ছাড়িয়ে ছাপিয়ে। জগতের এ বইয়ের নির্মাতা স্বয়ং আল্লাহ। এবং তা অবতীর্ণও হয়েছে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানব হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর ওপর।

পৃথিবীতে কোরআন একমাত্র গ্রন্থ; যার ব্যাপারে আল্লাহ চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন মানুষের প্রতি। কোরআন ছাড়া অদ্বিতীয় কোনো গ্রন্থের ব্যাপারে নির্ভুল বলে চ্যালেঞ্জ দেওয়া হয়নি। আল্লাহ বলেন, ‘এটা সেই গ্রন্থ যাতে কোনো সন্দেহ নেই। মুত্তাকিনদের জন্য এটা পথ নির্দেশ।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ০২)

কোরআন একটি গতিশীল ও কিয়ামত পর্যন্ত স্থায়ী মুজেজা বা অলৌকিকতা। অন্যান্য সব নবী-রাসুলগণের মুজেজা এবং তাদের ওপর নাযিলকৃত কিতাব বা গ্রন্থ তাদের জীবন পর্যন্ত কার্যকর ও বিদ্যমান ছিল। কিংবা অন্য নবী আগমনের পূর্ব পর্যন্ত ছিল। কিন্তু মহানবী (সা.)-এর ওপর অবতীর্ণ মুজেজা কোরআনুল কারিম তার মৃত্যুর পরও পূর্বের ন্যায় আপন বৈশিষ্ট্যে বিদ্যমান রয়েছে।

কোরআনের বর্ণ, শব্দ, ভাষা, রচনা শৈলী, উপমাতে আজ অবধি কোনো পরিবর্তন-পরিবর্ধন হয়নি। কিয়ামত পর্যন্ত এটি টিকে থাকবে এবং মানুষকে কল্যাণের পথ দেখাবে। রাসুল (সা.) বলেন ‘আমি তোমাদের মধ্যে এমন দুটি বিষয় রেখে যাচ্ছি যা আঁকড়ে থাকলে তোমরা কোনোদিন পথহারা হবে না। আর তাহলো আল্লাহর কোরআন এবং তার নবীর সুন্নত।’ (মুয়াত্তায়ে মালেক, হাদিস : ১৫৯৪)

কোরআন ও কোরআনের নির্দেশনাবলি সমগ্র বিশ্ববাসীর জন্য অবতীর্ণ হয়েছে। পৃথিবীতে এ যাবৎ যেসব বই এসেছে বা আসবে, এর প্রত্যেকটির সীমা নির্ধারিত। এছাড়াও আল্লাহর নবীদের ওপর যে গ্রন্থ অবতীর্ণ হয়েছিল, সেগুলোও ছিল জাতি ও গোত্র বিশেষের জন্য সীমিত। একমাত্র মোহাম্মদ (সা.)-এর ওপর অবতীর্ণ গ্রন্থ পুরো বিশ্ববাসীর জন্য অবতীর্ণ হয়েছে। পৃথিবীর সব মানুষের জন্য পথনির্দেশক হিসেবে বিশেষায়িত হয়েছে।

মানব জীবনের সব বিষয়ের সুস্পষ্ট বর্ণনা দিয়েছে পবিত্র মহাগ্রন্থ আল-কোরআন। আল্লাহ বলেন ‘পরম করুণাময় তিনি, যিনি তার বান্দার প্রতি ফায়সালা গ্রন্থ অবতীর্ণ করেছেন, যাতে সে বিশ্বজগতের জন্য সতর্ককারী হয়।’ (সুরা ফুরকান, আয়াত : ০১)

কোরআনে বিভিন্ন আয়াতে মানুষের অন্তর্নিহিত কিছু বিষয়ের সুসংবাদ দিয়েছে, পরে সংশ্লিষ্ট লোকদের স্বীকারোক্তিতে প্রমাণিত হয়েছে যে এসব কথা সত্য। তাদের মনে উদিত বিষয় এরকমই ছিল। এটা একমাত্র আল্লাহর কাজ। আর যে গ্রন্থে মনে উদিত কথার সংবাদ দেওয়া হয়েছে, সে গ্রন্থও স্বয়ং আল্লাহর।

ভবিষ্যতে ঘটবে এমন বহু ঘটনার সংবাদ কোরআন পূর্বেই দিয়েছে, যা পরে হুবহু সংঘটিত হয়েছে। কোরআন শরিফের সুরা আর রুমের এক থেকে চার নম্বর আয়াতে ঘোষিত হয়েছে ‘আলিফ, লাম, মিম। রোমকরা পরাজিত হবে। নিকটবর্তী এলাকায় এবং তারা তাদের পরাজয়ের পর অতিসত্তর বিজয়ী হবে কয়েক বছরের মধ্যে। অগ্র-পশ্চাতের কাজ আল্লাহর হাতেই। সেদিন মুমিনরা আনন্দিত হবে। আল্লাহর সাহায্যে। তিনি যাকে ইচ্ছা সাহায্য করেন এবং তিনি পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।’

ইতিহাসের পাতায় রোম সা¤্রাজ্যের জয়-পরাজয়ের কথা বিধৃত হয়েছে। এই আয়াত অবতীর্ণ হওয়ার পর মক্কার কুরাইশরা আবু বকর (রা.)-এর সঙ্গে এই আয়াতের ভবিষ্যদ্বাণীর যথার্থতা সম্পর্কে বাজি ধরে। শেষ পর্যন্ত কোরআনের ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী রোম বিজয় লাভ করে এবং আবু বকর (রা.) বাজিতে জিতেও বিনিময় নেয়নি।

পবিত্র কোরআনে পূর্ববর্তী উম্মত, তাদের শরিয়ত, ইতিহাস, সংস্কৃতি, ঘটনা এবং জীবন ধারণ পরিষ্কারভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। কোরআনে বর্ণিত সবকিছুই সত্য ও যথার্থ। ইতিহাসে আলোড়িত ও আলোচিত ঘটনা; কাহাফবাসী থেকে শুরু করে ইব্ররাহিম (আ.)-এর কাবা নির্মাণ, মুসা (আ.)-এর নীল নদ পাড়ি, তার জাতির মান্না সালওয়া খাবার, ঈসা (আ.)-এর পবিত্র মাতার কাহিনী এবং এমন বহু ঘটনা কোরআনে স্পষ্ট বর্ণিত হয়েছে। যা পৃথিবীর ইতিহাসে প্রমাণিত।

কোরআন শরিফ শ্রবণ করলে মুমিন-কাফের নির্বিশেষে সবার ওপর প্রভাব পড়ে। সবার মনে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। কোরআন পাঠের মহিমায় মানবহৃদয় হারিয়ে যায় রবের করুণাবৈভবে। মন প্রশান্ত হয়ে অন্য রকম ভালো লাগা তৈরি করে।

জুবাইর ইবনে মাতআম (রা.) ইসলাম গ্রহণের পূর্বে একদিন রাসুল (সা.)-কে মাগরিবের নামাজে সুরা তুর পড়তে শুনেন। মহনবী (সা.) যখন শেষ আয়াতে পৌঁছলেন, তখন জুবাইর বলেন যে, ‘মনে হলো যেন আমার অন্তর উড়ে যাচ্ছে।’

কোরআন শরিফ বারবার পাঠ করলেও মনে বিরক্তি আসে না। যত বেশি শ্রবণ করা যায়, ততই ভালো লাগে। শুনতেই ইচ্ছে করে, মনে হয় যেন এই মাত্র শুনলাম। বরং আরও আগ্রহ বাড়তে থাকে। অধীর আগ্রহে দুনিয়ার কোনো খেয়াল থাকে না। কোরআন শ্রবণকারী যেন দুনিয়াবিচ্ছিন্ন মানুষ।

কোরআন সংরক্ষণের দায়িত্ব আল্লাহর। আজ থেকে প্রায় দেড় হাজার বছর আগে মক্কা মদিনার কোলে মহানবীর ওপর কোরআন নাযিল হয়। কোরআন শুরুতে যেভাবে অবতীর্ণ হয়েছে, দেড় হাজার বছর পরও তাতে বিন্দুমাত্র রদবদল হয়নি। কোনো পবিবর্তন পরিবর্ধনের ছোঁয়া লাগেনি। পৃথিবীর অন্য গ্রন্থের ব্যাপারে এমন কল্পনাও করা যায় না।

মানুষের অন্তরে নির্ভুলভাবে কোরআন বেঁচে আছে। নির্ভুল এই কোরআন একটি ছোট বাচ্চার পবিত্র কলবেও নির্ভুলভাবেই বেঁচে থাকে। কোরআন সংরক্ষণের দায়িত্ব নিয়েছেন স্বয়ং আল্লাহ নিজে। আল্লাহ বলেন ‘নিশ্চয় আমি উপদেশ গ্রন্থ নাযিল করেছি এবং তা সংরক্ষণের দায়িত্ব আমার নিজের।’ (সুরা হিজর, আয়াত : ৩৭)

কোরআন একমাত্র গ্রন্থ যা পাঠ করলে সওয়াব হয়। প্রতি হরফে হরফে পুণ্য হয়। পাঠকারীর ওপর আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয়।

এই গ্রন্থ পাঠ করলে অফুরান সওয়াবের প্রতিশ্রুতি দিয়ে হাদিসে বিধৃত হয়েছে ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর কিতাব কোরআনের একটি হরফ পাঠ করবে, সে একটি নেকি পাবে। আর প্রতিটি নেকি লেখা হয় দশগুণ। আমি বলি না আলিফ-লাম-মিম একটি হরফ। বরং আলিফ একটি হরফ, লাম একটি হরফ এবং মিম একটি হরফ।’ (সুনানে তিরমিজি, হাদিস : ২৯১০)

Address

Fantasy Kingdom, Jamgora, Ashulia
Dhaka
DHAKA

Telephone

+8801915424221

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when এ বি এন্টারপ্রাইজ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to এ বি এন্টারপ্রাইজ:

Share