Dhaka Commerce College Area, Rainkhola , Mirpur-2 , Dhaka-1216

Dhaka Commerce College Area, Rainkhola , Mirpur-2 , Dhaka-1216 The Area of infront and beside of Dhaka Commerce College and including
Duip plot , "Cha" block , A
(211)

দাড়ি টুপি পড়া কাঠমোল্লা, মৌলবাদীরাই আজ সাহায্যে এগিয়ে আসাদের মধ্যে সামনের কাতারে,,, মানুষ হতে মনুষ্যত্ব লাগে, কালা মানিক...
05/06/2022

দাড়ি টুপি পড়া কাঠমোল্লা, মৌলবাদীরাই আজ সাহায্যে এগিয়ে আসাদের মধ্যে সামনের কাতারে,,,
মানুষ হতে মনুষ্যত্ব লাগে, কালা মানিক, তুরিন আফরোজ, নিঝুম মজুমদারদের মতো ভন্ড রা কখনোই দেশের কোন উপকারে আসেনি আসবেও নাহ

22/05/2022

#নিষিদ্ধ
Tab. Kontab
Tab. Finix
Tab. Rabe 20
Tab. Rebeca 20
Tab. Acifix 20
Capsule Rabeprazole

নিষিদ্ধ করা হলো দেশের বহুল প্রচলিত গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ
RABEPRAZOLE 10mg 20mg
কারণ
১. ৬০০০০ patients এর উপর trial এ দেখা গেছে Rabiprazole - Stomach cancer এর ঝুঁকি double করে দেয়।
২. ৬-৮ সপ্তাহের বেশী use করা যায়না।
৩. Rabiprazole এর Drug drug interection অনেক বেশী।
এবং
ASTAXANTHIN 2mg 4mg
ঔষধ প্রশাসন অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে ০৯/০৫/২০২২
স্বারক নং ৮০৯১ মহাখালী ঢাকা।

Rabeprazole , Astaxanthin, ও Bromelain+Trypsin গ্রুপের তিনটি ঔষধ কে নিষিদ্ধ করেছে ঔষধ প্রশাসন।
ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ার কারনে এই নিষেধাজ্ঞা।

Finix, Acifix, Xorel, Rabepres, Rabeca, Rabepes, Prompton, Rasonix,ৎRabe, Paricel, Rabifast ইত্যাদি এই ঔষুধগুলো Rabeprazole গ্রুপের।

Zanthin, Aztacap, Astasoft, Avanza ইত্যাদি ঔষুধগুলো Astaxanthin গ্রুপের।

Kontab ঔষধ (Bromelain+Trypsin) এই গ্রুপের।

তাই আপনি এই গ্রুপের কোন ঔষুধ খেয়ে থাকলে আজকে থেকে বন্ধ করে দিবেন।

#স্বপ্নবাজ

11/05/2022

ইয়াহুদীরা নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর নিকট এসে বলল, হে আবুল কাসিম! আমাদেরকে রা’দ ( #মেঘের_গর্জন) প্রসঙ্গে বলুন, এটা কি? তিনি বললেনঃ মেঘমালাকে হাঁকিয়ে নেয়ার জন্য ফেরেশতাদের একজন নিয়োজিত আছে। তার সাথে রয়েছে #আগুনের #চাবুক। এর সাহায্যে সে মেঘমালাকে সেদিকে পরিচালনা করেন, যেদিকে আল্লাহ তা’আলা চান। তারা বলল, আমরা যে আওয়াজ শুনতে পাই তার তাৎপর্য কি? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ এটা হচ্ছে ফেরেশতার #হাঁকডাক। এভাবে হাঁকডাক দিয়ে সে মেঘমালাকে তার নির্দেশিত স্হানে নিয়ে যায়। তারা বলল, আপনি সত্য বলেছেন। তারা আবার বলল, আপনি আমাদের বলুন, ইসরাঈল [ইয়াকুব (‘‘আঃ)] কোন জিনিষ নিজের জন্য হারাম করেছিলেন? রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেনঃ তিনি ইরকুন নিসা (স্যায়াটিকা) রোগে আক্রান্ত ছিলেন কিন্তু উটের গোশত ও এর দুধ ছাড়া তার উপযোগী খাদ্য ছিল না। তাই তিনি তা হারাম করে নিয়েছিলেন। তারা বলল, আপনি সত্য বলেছেন।

সহীহ : সহীহাহ (১৮৭২)।

-- জামে' আত-তিরমিজি:3117

04/05/2022

ঈদ মুবারাক🌙

তাক্বাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম! ❤️❤️

এই দুনিয়ায় কেউ কারোর আপন নাহ, আপন শুধু একজনই মহান আল্লাহ তায়ালা ❤️❤️

Ahmadullah স্যারের ওয়াল হতে নেয়া ❤️

 জরুরী ভিত্তিতে আজকের (২৮-০৩-২২) মধ্যেই এক মায়ের প্রসব পরবর্তী জটিলতার জন্য এ বি নেগেটিভ রক্তের প্রয়োজন ব্লাড গ্রুপঃ এবি...
28/03/2022



জরুরী ভিত্তিতে আজকের (২৮-০৩-২২) মধ্যেই এক মায়ের প্রসব পরবর্তী জটিলতার জন্য এ বি নেগেটিভ রক্তের প্রয়োজন

ব্লাড গ্রুপঃ এবি নেগেটিভ (AB -ve)
পরিমানঃ ১ ব্যাগ
স্থানঃ মিতু ক্লিনিক, আমলা পাড়া, নারায়ণগঞ্জ।

যোগাযোগঃ রোগীর ভাই ( বেলায়েত- ফোন / হোয়াটসঅ্যাপ - 01825965703)

Plz share & help to get blood donor.

 #জরুরী ভিত্তিতে একজন গর্ভবর্তী মায়ের সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য আগামীকাল সকালের মধ্যে  2 ব্যাগ AB+ve ব্লাড লাগবে,স্থানঃ উ...
28/02/2022

#জরুরী ভিত্তিতে একজন গর্ভবর্তী মায়ের সিজারিয়ান অপারেশনের জন্য আগামীকাল সকালের মধ্যে
2 ব্যাগ AB+ve ব্লাড লাগবে,

স্থানঃ উত্তরা লুবানা হসপিটাল।
যোগাযোগঃ 01741949589
রক্ত দিন, জীবন বাচাতে এগিয়ে আসুন ❤️❤️

বাইতুল্লাহতে জানাযার জন্য অপেক্ষমান সাদা কাফনের তিনটি লাশের মাঝেরটা একজন বাঙালীর। চার হাফেয সন্তানের পিতা তিনি। প্রায় এক...
03/12/2021

বাইতুল্লাহতে জানাযার জন্য অপেক্ষমান সাদা কাফনের তিনটি লাশের মাঝেরটা একজন বাঙালীর। চার হাফেয সন্তানের পিতা তিনি। প্রায় এক যুগের বেশি সময় মক্কাতে বসবাস করার পর কয়েক বছর আগে তিনি দেশে ফিরে আসেন।

দেশে আসার এক দুই বছরের মাথায় তার কোলন ক্যান্সার ধরা পরে। ক্যান্সারের চিকিৎসার জন্য তাকে যখন ভারতে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়, তিনি প্রথমে কিছুতেই রাজী হচ্ছিলেন না। সেই দেশের মাটিতে তার মৃত্যু হলে, সেখানেই তাকে কবর দেয়া হবে, তিনি সেটা মানতে পারতেন না। ক্যামো শুরুর আগেও ক্যামো দিতে চান নি, তার দাড়ী পড়ে যেতে পারে, এই ভয়ে।

তার সবচেয়ে ছোট ছেলের ১৯/২০ পারা হিফয হওয়ার পর পড়া আগাচ্ছিল না। তিনি প্রায়ই তখন তার আশেপাশের মানুষদের বলতেন, আমার সব ছেলে মেয়েদের হাফিয হিসেবে দেখা পর্যন্ত যেন আল্লাহ আমাকে হায়াত দেন। আল্লাহ তাআলা তার সেই ইচ্ছাকে পুর্ন করে দেন। তার ছোট ছেলে আব্দুর রহমান তারই উপস্থিতিতে হিফযের শেষ সবক শোনায়।

তার মৃত্যুর এক মাস আগে….

অসুস্থতার মাত্রা অন্য সময়ের মতই। ক্যান্সার আস্তে আস্তে গোটা শরিরে ছড়িয়ে যাচ্ছে, একজন ফার্মাসিস্ট হওয়ার সুবাদে ডাক্তারি রিপোর্টগুলো তিনি দেখেই বুঝতেন। এরকম সময় হঠাৎ তিনি জানতে পারলেন, তার পরিচিত একটি গ্রুপ উমরাহতে যাচ্ছে। তিনি তার স্ত্রীকে জানালেন, তিনিও যেতে চান। সবাই মানা করলো। এই অসুস্থতা নিয়ে অনেক কষ্ট হবে। তিনি নাছোড়বান্দা, যাবেনই।

তার পাসপোর্টের মেয়াদ ছিল না, রিনিউ করতে হবে। অবশেষে মাত্র দুই দিনে সেই পাসপোর্ট রিনিউ করা হয়, ভিসা হয়ে যায়, তিনি গায়ে জড়ান ইহরামের চাদর।

উমরাহ ঠিকঠাক ভাবে শেষ করার পর একদিন পর্যন্ত তিনি কথা বার্তা বলেছেন। এরপর তার যবান বন্ধ হয়ে যায়। আসরের আযান চলাকালিন সময় মক্কাতেই তার ইন্তেকাল হয়।

একজন মানুষ তার জীবনকে যদি আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে পরিচালিত করে, তার মৃত্যুটাও তেমন সুন্দরভাবেই হয়। উমরার টাইমিংটা, অসম্ভব দ্রুততার সাথে ভিসা পাসপোর্ট হয়ে যাওয়া, ভাল ভাবে উমরা শেষ করতে পারা, এসব কিছু একটা দিকেই ইশারা করে, আল্লাহ তার প্রিয় বান্দাকে তার প্রিয় করেই নিয়েছেন। আমরা অনেকে মনে করি, মৃত্যুর পুর্বে কালিমা বলতে পারলেই কেবল সেটা সৌভাগ্যের মৃত্যু। অথচ হাদিসের ভাষ্য অনুযায়ী, যে কোন নেক কাজ করার পর যদি কেউ মারা যায়, সেই মৃত্যুও মুবারক।

আল্লাহ তাআলা আমাদের সবার অত্যন্ত শ্রদ্ধাভাজন কাজী মনসুর সাহেবের কবরকে জান্নাতের বাগান বানিয়ে দিন। জান্নাতুল ফিরদাউসে তাকে স্থান দান করুন।

Rizwanul kabir

এটাও কেয়ামতের একটা আলামত। মসজিদ গুলো দিন দিন চাকচিক্যময় হবে কিন্তু মুসল্লিদের আনাগোনা কমে যাবে। যেখানে আল্লাহর ঘর থাকার ...
02/12/2021

এটাও কেয়ামতের একটা আলামত।
মসজিদ গুলো দিন দিন চাকচিক্যময় হবে কিন্তু
মুসল্লিদের আনাগোনা কমে যাবে।
যেখানে আল্লাহর ঘর থাকার কথা সবার জন্য ওপেন সেখানে সময় মেনে মুসল্লি বা সাধারন মানুষদের আল্লাহর ঘরে ঢুকতে হয়।
এখনো হাজার লাখো পথচারী/মুসাফিরদের আশ্রয়স্থল মসজিদ কিন্তু এখন আর সেটা নেই বললেই চলে 😞😞 নামাজের সময় বাদে মসজিদ থাকে তালাবদ্ধ এমনকি কেউ জরুরী প্রয়োজনে ওয়াশরুম টাও ব্যবহার করতে পারে নাহ অথচ আগে যা থাকতো সবার জন্য উন্মুক্ত।
এ ব্যাপারটা খুবই হতাশা জনক 😣😣

কতটা নিষ্ঠুরঃ৬ অক্টোবর ২০১৯। রাত  ৮.১৩। বুয়েট শেরেবাংলা হলের ১০১১  নাম্বার কক্ষে ঘুমাচ্ছিলো একটা ছেলে। একই ব্যাচের তানিম...
13/10/2021

কতটা নিষ্ঠুরঃ

৬ অক্টোবর ২০১৯। রাত ৮.১৩। বুয়েট শেরেবাংলা হলের ১০১১ নাম্বার কক্ষে ঘুমাচ্ছিলো একটা ছেলে। একই ব্যাচের তানিমসহ তিনজন এসে তাকে ঘুম থেকে ডেকে তোলে।
-- বড় ভাইয়েরা তোকে ডাকছে। ২০১১ তে আয়।
-- কেনো?
-- গেলেই দেখতে পাবি।
-- কখন যাওয়া লাগবে?
-- এখনই। তোর ল্যাপটপ এটা?
-- হ্যাঁ।
-- মোবাইলটাও দে।
--কেনো?
-- দিতে বলছি তাই দিবি। ভাইরা বলছে।
মোবাইল, ল্যাপটপ এবং ছেলেটাকে নিয়ে তারা রওনা দিলো ২০১১ নাম্বার রুমের উদ্দেশ্যে। এই ছেলেটা কোন সাধারণ ছেলে ছিলো না। বুয়েটের EEE বিভাগে ২০১৮ সালে ভর্তি হওয়া এই ছেলের নাম আবরার ফাহাদ রাব্বি। অসাধারণ মেধাবী এই ছেলে ঢাবি 'ক ইউনিট' ভর্তি পরীক্ষায় ১৩ তম হয়েছিলো। চান্স পেয়েছিলো ঢাকা মেডিকেলেও। বড় ভাইদের ডাকে ২০১১ নাম্বার রুমের দিকে পা বাড়ানো আববার তখনো জানতো না, "অনন্ত মহাকালে এই যাত্রা, অসীম মহাকাশের অন্তে"।

আবরারের অপরাধ ছিল তাদের চোখে মারাত্মক! ভারতের আগ্রাসনের বিরুদ্ধে স্ট্যাটাস দিয়েছে সে। আবরারেরই রুমমেট মিজানের সন্দেহ, "আবরার শিবির করে।" তাই বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের আজ এই আয়োজন। কক্ষে ঢোকার পরই মোবাইল আর ল্যাপটপ চেক করা শুরু করে তারা। তেমন কোন প্রমাণ না পেয়ে রুমে থাকা রবিন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে।
-- এদিকে আয়। চশমা খোল।
আবরার চশমা খোলার পর রবিন প্রচন্ড জোরে তার গালে কয়েকটি চড় মারে। হাত দিয়ে গাল চেপে বসে পড়ে আবরার। এরই মধ্যে মোরশেদ কাঠের তৈরি শক্ত ক্রিকেট স্ট্যাম্প নিয়ে আসে। ইফতি প্রথমে রবিনের মতোই গায়ের জোরে থাপ্পড় মারে আবরারকে। এরপর হাতে তুলে নেয় ক্রিকেট স্ট্যাম্প। পিঠে, পায়ে, পায়ের তালুতে, হাতে সর্বশক্তিতে মারতে থাকে। প্রচণ্ড শক্তিতে মারার কারণে কয়েক বাড়ি দেওয়ার পরই স্ট্যাম্প ভেঙে দুই টুকরা হয়ে যায়। আবরার ততক্ষণে চিৎকার দিতে দিতে লুটিয়ে পড়েছে মেঝেতে। সেই চিৎকার শুনে আশেপাশের রুমের জানালা ভয়ে দ্রুত বন্ধ হয়ে যায়। এহতেসামুল, রাব্বি ও তানিম আরেকটি নতুন স্ট্যাম্প নিয়ে আসে। এবার অনিক স্ট্যাম্প হাতে তুলে নেয়। একাধারে মাটিতে লুটিয়ে থাকা আবরারের সারা শরীরে আঘাত করতে থাকে। প্রায় ৫০ থেকে ৬০টি আঘাত করে অনিক নিজেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে। মেঝেতে পড়ে কাতরাতে থাকে আবরারের শরীর। সঙ্গে সঙ্গে মুজাহিদ ও শামিম স্কিপিং রোপ (মোটা দড়ি) দিয়ে মারতে শুরু করে। আবরার তখন বাঁচার জন্য আকুতি-মিনতি করে কিন্তু তাতে কারো মন গলেনি। কারো মধ্যেই মনুষ্যত্ব ফিরে আসেনি। বরং জীয়ন এগিয়ে এসে অনিক থেকে ক্রিকেট স্ট্যাম্প নিয়ে আবরারের শরীরের বিভিন্ন স্থানে সর্বশক্তিতে মারতে থাকে।

রাত সাড়ে দশটা। অমানুষিক মার খেয়ে মেঝেতে লুটিয়ে গোঙাতে থাকে আবরার। ইফতি ধমক দিয়ে টেনে দাঁড় করায়। তারপর সর্বশক্তিতে কয়েকটি চড় মারে। এরপর আবার স্ট্যাম্প দিয়ে পেটাতে থাকে।

রাত এগারোটা। ২০১১ নাম্বার কক্ষে এসে হাজির হয় এস এম মাহমুদ সেতু। এসেই সবাইকে জিজ্ঞেস করলো,
-- কি অবস্থা? কিছু বাইর হইছে?
-- না, কোন কিছু বলতেছে না।
-- মারতে থাক।
সেতুর নির্দেশে আবরারকে আবার ক্রিকেট স্ট্যাম্প, স্কিপিং রোপ দিয়ে মারা শুরু হয়। ইফতি ও অনিক আবরারকে ক্রিকেট স্ট্যাম্প দিয়ে মারতে থাকে। হাতের কনুই দিয়ে পিঠে প্রচণ্ড আঘাত করে। উৎসাহিত হয়ে তখন সবাই মিলে প্রচন্ড শক্তিতে আবরারকে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি চড়-থাপ্পড়, লাথি মারতে থাকেন। আবরারের কুঁকড়ে যাওয়া শরীর থেকে তখন শুধু গোঙানি শোনা যাচ্ছিলো।

রাত সাড়ে এগারোটা। কিছুক্ষণের জন্য রুম থেকে বের হওয়ার আগে অনিক ও রবিন অন্যদের বলে যায়,
-- তোরা অর কাছ থেকে যেমনেই হোক তথ্য বের কর।
এবার মনির ক্রিকেট স্টাম্প দিয়ে আবরারকে পেটাতে শুরু করে। তাবাখখারুল, নাজমুস সাদাত, তানিম, জেমি আবরারকে চড়-থাপ্পড় মারতে থাকে। বাইরে থেকে আবার রুমে ঢুকে অনিক হাতে ক্রিকেট স্ট্যাম্প তুলে নেয়। এরপর আবরারকে প্রচন্ড জোরে একটানা আরও ৪০ থেকে ৫০টি আঘাত করে। মুমূর্ষু আবরার তখন বমি ও প্রস্রাব করে ফেলে। ব্যথায় চিৎকার করার মতো শক্তিও অবশিষ্ট নেই। বাঁচার জন্য ইশারা-ইঙ্গিতে কাকুতি-মিনতি করে। নিঃশ্বাস বন্ধ হয়ে আসার উপক্রম হয়। শ্বাসকষ্ট দেখে ইফতি আবরারের মাথার নীচে বালিশ দেয়। পরপর আরো কয়েকবার বমি করে আববার। এমন অবস্থায় আবরারকে হলের বাথরুমে নিয়ে যাওয়া হয়। ধুয়ে মুছে জামা কাপড় বদলানো হয়।

রাত সাড়ে বারোটা। ইফতি ও মেহেদীর নির্দেশে আবরারকে ধরাধরি করে ২০০৫ নম্বর কক্ষে নিয়ে আসা হয়। ইফতি মোশাররফ হলের মেস বয় জাহিদ হাসানকে ডেকে আসে। ২০১১ নম্বর রুমে আবরারের বমি তাকে দিয়ে পরিষ্কার করানো হয়।
২০০৫ নম্বর কক্ষে আনার পর ইফতি বলে,
-- তোরা এবার অর থেকে তথ্য বাইর কর। বুয়েটে কে কে শিবির করে বাইর কর।
দুই-একজন আবরারের মুমূর্ষু অবস্থা দেখে ভয়ে ভয়ে বললো,
-- ভাই, অবস্থা বেশ খারাপ। হাসপাতালে নেওয়া দরকার।
এই কথা শোনার পর রবিন তেলেবেগুনে জ্বলে উঠেন।
-- যা বলছি তাই কর। এইগুলি সব নাটক। ভং ধরছে। তোরা শিবির চেনস না। শিবির চেনা কষ্ট।

রবিনের রেগে ওঠা দেখে সবাই ভয়ে জলদি আবরারকে আবার ইন্টারোগেট শুরু করে। কিন্তু আবরারের মুখ থেকে কোন শব্দ আসে না। নিশ্চল, নিস্তেজ পড়ে থাকা দেহ কোন সাড়া না দেওয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে আবার আরেক দফা পেটানো শুরু হয়।

রাত দুইটা। সিদ্ধান্ত হয় আবরারকে হল থেকে বের করে পুলিশে দেওয়া হবে। মেহেদী চকবাজার থানা পুলিশকে ফোন দেয়, "হলে একটা শিবির ধরা পড়েছে। এসে নিয়ে যান।" চকবাজার থানা পুলিশ একটা টহল দল পাঠায় শেরে বাংলা হলের গেইটে। কিন্তু দেরী হওয়ায় গেইট থেকে পুলিশকে ফিরিয়ে দেওয়া হয়।

রাত আড়াইটা। ইফতি, মুজাহিদ, তাবাখখারুল ও তোহা মিলে নিশ্চল আবরারকে তোশকে করে হলের দোতালার সিঁড়িতে এনে রেখে দেয়। সিঁড়ির লাইটের আলোয় আবরারের খালি গায়ে তখন স্পষ্ট কালো কালো দাগ। সারা শরীরে স্ট্যাম্পের বাড়ির কারণে কালশিটে পড়ে আছে। চোখ বন্ধ। তবে চেহারায় কোন যন্ত্রণার ছাপ নেই। বরং সেখানে প্রশান্তির চিহ্ন। নিষ্ঠুর অমানুষদের এই পৃথিবী ছেড়ে স্রষ্টার সান্নিধ্যে চলে যাওয়ার প্রশান্তি।

রাত তিনটা। খুনীরা বুয়েটের চিকিৎসক ও অ্যাম্বুলেন্স ডেকে আনে। চিকিৎসক আবরারের দেহ পরীক্ষা করে ঘোষণা দেন সে মারা গেছে। তড়িঘড়ি করে ক্রিকেট স্ট্যাম্প, তোষক, বালিশ, আবরারের ল্যাপটপ, চাপাতি হলের ২০১১ নম্বর কক্ষ থেকে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মুহতাসিম ফুয়াদ এর কক্ষে নিয়ে রেখে দেওয়া হয়। বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মেহেদী হাসান রাসেল আবরারের মৃতদেহ হলের নিচে নামানোর পর তড়িঘড়ি করে সেখান থেকে সরিয়ে ফেলার জন্য বুয়েটের চিকিৎসককে চাপ দেন। খুনীরা সিদ্ধান্ত নেয় আবরারের লাশ গুম করে ফেলা হবে। কিন্তু ততক্ষণে কিছু শিক্ষার্থী দেখে ফেলায় তার নতুন পরিকল্পনা করে। আবরারের লাশের সাথে কিছু মাদক দিয়ে গণপিটুনিতে মারা যাওয়ার নাটক সাজানোর চেষ্টা করে। কিন্তু আবরারের সহপাঠীদের দৃঢ়তায় সেই অপচেষ্টা ব্যর্থ হয়।

৭ অক্টোবর ২০১৯। ভোরের আলো ফোটার আগেই বুয়েটের শিক্ষার্থীরা উপহার পায় এক সতেজ তাজা লাশ। পাঁচ ঘন্টা অমানুষিক নির্যাতনে মৃত ফর্সা শরীরটার সবখানে শুধু লাল আর কালোর মিশ্রণ। দেশের পক্ষে ফেসবুকে দেওয়া স্ট্যাটাস আবরার ফাহাদ রাব্বিকে পৌঁছে দিয়েছে অনন্ত মহাকাশের পথে।

***
৭ অক্টোবর ২০২১। আবরারের হত্যাকারীরা এখন জেলে। হয়তো বিচার হবে, হয়তো হবে না। কিন্তু ক্ষমতার জোরে মানবরূপী দানবরা দাপিয়ে বেড়াচ্ছে বুয়েট থেকে এমসি কলেজ, তাদের কোনদিন বিচার হবে কিনা জানি না। তবু নিজ জায়গা থেকে নিজের এই অক্ষম কন্ঠস্বরের ক্ষীণ আওয়াজে এতোটুকুই বলবো,
"দানব ও দানবের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতাদের বিচার চাই"।

এক অখ্যাত হিরোর অকাল মৃত্যুতে আমরা গভীর ভাবে শোকাহত....
06/09/2021

এক অখ্যাত হিরোর অকাল মৃত্যুতে আমরা গভীর ভাবে শোকাহত....

বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই। "সুলি" নামে টম হ্যাঙ্কসের একটা মুভি দেখেছিলাম। ২০০৯ সালে পাখির সাথে ধাক্কা লেগে বিমানের দুটো ইঞ্জি...
05/09/2021

বিনম্র শ্রদ্ধা জানাই।

"সুলি" নামে টম হ্যাঙ্কসের একটা মুভি দেখেছিলাম। ২০০৯ সালে পাখির সাথে ধাক্কা লেগে বিমানের দুটো ইঞ্জিনে আগুন লেগে গেলে সেই বিমানকে হাডসন নদীতে জরুরী অবতরণ করান পাইলট। আমেরিকার পাইলট চিসলি সুলেনবার্গার এই অসাধ্য সাধন করেছিলেন, যেখানে কোনো যাত্রীই আহত পর্যন্ত হননি। শুধু সামান্য ছড়ে গিয়েছিল ক'জনের চামড়া!

এই পাইলটের অসাধারণ এই কাজ নিয়ে ৬০ মিলিয়ন ডলার খরচ করে মুভি বানিয়ে প্রযোজক আয় করেন ২৪০ মিলিয়ন ডলার!

বাংলাদেশের একজন পাইলট, ক্যাপ্টেন নওশাদ আতাউল কাইয়ুম। ওমানের মাস্কাট থেকে বিমান নিয়ে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে উড্ডয়ন করার পরপরই টের পেলেন কিছু একটা গণ্ডগোল হয়েছে। একটু পরে জানতে পারলেন বিমানের ল্যান্ডিং-এর একটা টায়ার ফেটে গেছে!
এভাবেই তিনি বাংলাদেশে এলেন। ঢাকা বিমানবন্দরে ল্যান্ডও করলেন দৃঢ়তা আর সাহসিকতার সাথে। আরেকটা টায়ারও ফেটে গেল। চাকাও খানিকটা দুমড়েমুচড়ে গেলো! ঝাকি খেতে খেতে বিমান থেমে গেলো একসময়। বেচে গেলো ১৫০ জন যাত্রী!

না, এটা নিয়ে কোন মুভি হয়নি। বাংলাদেশ বিমান চলাচল কতৃপক্ষের থেকে কোন স্বীকৃতিও জোটেনি!

স্বীকৃতি অবশ্য পেয়েছিলেন তিনি। ইন্টারন্যাশনাল সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশন, যার সদর দপ্তর কানাডার মন্ট্রিলে, তাকে সনদ দিয়েছেন, পুরষ্কৃত করেছেন তার এই অসাধারণ কাজের জন্য।

নওশাদ আতাউল নামের বাংলাদেশি এই ভদ্রলোক আজ মৃত্যুবরণ করেছেন। মৃত্যুর আগমুহূর্তেও করেছেন তিনি অনন্যসাধারণ আরেকটি কাজ।

গত শুক্রবারে ওমান থেকে বিমান চালিয়ে আসছিলেন দেশের উদ্দেশ্যে। বিমান যখন ভারতের আকাশসীমায়, তখন তিনি হার্ট অ্যাটাক করেন! সেই অবস্থাতেই কলকাতার এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল সেন্টারের সাথে যোগাযোগ করে নাগপুর এয়ারপোর্টে বিমান অবতরণের ব্যবস্থা করেন। আরো একবার তিনি তার সকল যাত্রীকে নিরাপদে পৌঁছে দেন কোনো হতাহত ছাড়াই!
কিন্তু তিনি নিজে বাঁচতে পারেননি। বাঁচবেন কিভাবে? যখন তার শরীরের কোষগুলো রক্ত আর অক্সিজেনের অভাবে হাহাকার করছিল, তিনি তখন হাহাকার করছিলেন বিমানের ১২২ জন মানুষের প্রাণের কথা ভেবে!

নাগপুরে হাসপাতালে সকল প্রকার চিকিৎসা ব্যবস্থাকে ফাঁকি দিয়ে ৪৪ বছর বয়সী এই বাঙ্গালি সুপারম্যান মঙ্গলবার চলে গেলেন সব কিছুর ঊর্ধ্বে!

আল্লাহ তাকে জান্নাতবাসী করুন।

লেখনীতেঃ হারুন অর রশীদ।

শিক্ষানীয় পোস্ট।"ইচ্ছে মাফিক নাপা খেয়ে কিডনি কে হত্যা কর‌বেন না"চেম্বারে রোগী এসেছে , ডাক্তারঃ জিজ্ঞাসা করলাম, কি সমস্য...
23/08/2021

শিক্ষানীয় পোস্ট।

"ইচ্ছে মাফিক নাপা খেয়ে কিডনি কে হত্যা কর‌বেন না"

চেম্বারে রোগী এসেছে ,

ডাক্তারঃ জিজ্ঞাসা করলাম, কি সমস্যা??
রোগীঃ স্যার কিডনি ডেমেজ, সেরাম ক্রিয়েটিনিন ১৪, হিমোগ্লোবিন ৮.৪ 💔

ডাক্তারঃ কবে থেকে সমস্যা??
রোগীঃ স্যার ১ মাস হলো ধরা পরছে।

ডাক্তারঃ ধরেই ১৪ হয়ে গেলো কি করে? আগে টের পান নি??
রোগীঃ না স্যার,বমী ভাব, পা গুলা ফুলা লাগায় ডাক্তার এর কাছে গেলে ডাক্তার সেরাম ক্রিয়েটিনিন লেভেল পরীক্ষা করে দেখে ১৪। এটা দেখে ডাক্তার সাহেব বলছে ডায়লাইসিস করার জন্য।

ডাক্তারঃ আচ্ছা আপনি কি কখনো নাপা, নাপা এক্সটা, পেরাসিট্যামল, ব্যাথার ঔষধ অনেক দিন খেয়েছেন??
রোগীঃ জি স্যার, নাপা খাইতাম একটু শরীর খারাপ লাগলেই।

ডাক্তারঃ আহ, কি ক্ষতিটাই না করলেন। কে বলছে আপনাকে কথায় কথায় নাপা, নাপা এক্সট্রা খেতে??
রোগীঃ স্যার, এগুলাতো অনেকেই খায় তাই আমিও খাইতাম।

ডাক্তারঃ আমি আমার এইটুকু বয়সে যতো রোগী দেখেছি তার মধ্যে ৭০% কিডনী ডেমেজ এর রোগী এবং এই সকল কিডনি রোগী গনের মধ্যে ৭০-৮০% হয় কিছু দিন ব্যাথার ঔষধ খেয়েছে, না হয় নাপা, নাপা এক্সট্রা, প্যারাসিটামল খেয়েছে না হয় এলার্জির ঔষধ দীর্ঘ দিন খেয়েছে।🙄💔

রোগীঃ আগে জানলে কি আর খাইতাম ?? স্যার এই কথা বলার মানুষ পাই নাই, তাই জানতাম ও না।🥺

"সময় থাকতে বুঝলে ভালো, না হয় যখন বুঝবেন অনেক দেরি হয়ে যাবে। আল্লাহ পাক আপনাদের রক্ষা করুন।"🙂

সুত্রঃ Dr. Syed Golam Gous Ashrafi.

Address

Block-A, Rainkhola, Mirpur-2 , Dhaka
Mirpur
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dhaka Commerce College Area, Rainkhola , Mirpur-2 , Dhaka-1216 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dhaka Commerce College Area, Rainkhola , Mirpur-2 , Dhaka-1216:

Share