The Mayfair

The Mayfair The Mayfair, a modern holiday home in Sreemangal, Bangladesh where you can unwind, relax, enjoy the tourist attractions and take some great memories away.

We take bookings through Airbnb (link below) and you get the entire villa. The location is great and the villa is perfec...
04/09/2019

We take bookings through Airbnb (link below) and you get the entire villa. The location is great and the villa is perfect for a family holiday.

https://www.airbnb.co.uk/h/TheMayfairHome

Entire home/flat in Sreemangal, Bangladesh. The Mayfair, a modern holiday home in Sreemangal, Bangladesh where you can unwind, relax, enjoy the tourist attractions and take some great memorie...

শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের আকর্ষণ: হামহাম জলপ্রপাতনৈসর্গিক হামহাম জলপ্রপাতের অবস্থান বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেল...
27/03/2018

শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের আকর্ষণ: হামহাম জলপ্রপাত

নৈসর্গিক হামহাম জলপ্রপাতের অবস্থান বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি সংরক্ষিত বনাঞ্চলের কুরমা বনবিট এলাকায়। ২০১০ সালের শেষের দিকে একদল পর্যটক এই জলপ্রপাত আবিস্কারের দাবী করেন। হামহাম জলপ্রপাতে পৌঁছাতে আপনাকে কয়েক কিলোমিটার দুর্গম পাহাড়ি রাস্তা হেঁটে যেতে হবে। আর এই রাস্তা পাড়ি দেওয়ার জন্যই এই যাত্রা ভ্রমণের থেকে বেশিকিছু। বাংলাদেশে জলপ্রপাতের সংখ্যা নেহাত কম নয়। কিন্তু হামহাম জলপ্রপাতে যাওয়া শুধুমাত্র ভ্রমণ বলা যাবে না। এই ভ্রমণ আপনাকে একটি দারুণ অ্যাডভেঞ্চারের অভিজ্ঞতা দেবে।

মূল অ্যাডভেঞ্চার শুরু হবে কলাবনপাড়া থেকে। এটি কমলগঞ্জ উপজেলার শেষ গ্রাম। এর পাশেই ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত। শ্রীমঙ্গল থেকে কলাবনপাড়ার দূরত্ত ৩৩ কিলোমিটার। এই গ্রাম পর্যন্ত গাড়ি নিয়ে যাওয়া যাবে। তারপর শুরু হবে পায়ে হাঁটা রাস্তা। কলাবনপাড়া থেকে রাস্তা শুরু হবে কুরমা বনবিটের চাম্পারায় চা-বাগানের মধ্য দিয়ে। বনের শুরুতেই দুটি রাস্তা পাওয়া যাবে। ডান দিকের রাস্তা দিয়েই যাওয়া সুবিধাজনক। রাস্তা দিয়ে ঢুকতেই জানা-অজানা অনেক ধরণের গাছ চোখে পড়বে। আর সাথে চোখে পড়বে নানান প্রজাতির বাঁশ। মাঝেমধ্যেই ছোট ছোট সাঁকো পার হতে হবে। যাবার পথে চোখে পরবে সারি সারি কলাগাছ, জারুল, চিকরাশি, কদম গাছ। ভাগ্য ভাল থাকলে দেখা পেতে পারেন চশমাপড়া হনুমানের। রাস্তায় সবথেকে উঁচু এবং খাঁড়া যে পাহাড় তার নাম মোকাম টিলা। এটি অতিক্রম করা একটু কষ্টসাধ্য বটে। তবে মন খারাপ করতে হবে না। এর পাশের পাথুরে প্রাচীরগুলো দেখলে আপনার মন ভালো হতে বাধ্য। এই মোকাম টিলার পাশেই আরেকটি ছোট ঝর্না আছে যা স্থানীয়ভাবে ‘সীতাব’ নামে পরিচিত। অপরূপ এই ঝর্ণাটি দেখতে ভুলবেন না।

এই পাহাড়ি পথ একসময় আপনাকে স্বচ্ছ জলের স্রোতে নামিয়ে দিবে। এই স্বচ্ছ শীতল জলের স্রোত মনে এক অদ্ভুত প্রশান্তি এনে দেয়। স্বচ্ছ জলের নিচে তাকালেই চোখে পড়বে বিশাল বিশাল পাথর। এই জলের স্রোতের উৎপত্তি হয়েছে হামহাম জলপ্রপাত থেকে। তাই এই স্রোতে নেমে পড়ার কিছুক্ষনের মধ্যেই আপনি ঝর্ণার পানি পড়ার শব্দ শুনতে পাবেন। অপূর্ব এই বনেই মধ্যে প্রমত্তা হামহামের পানির শব্দ এক অভূতপূর্ব অনুভূতি। এই রোমাঞ্চকর পরিবেশে একবারও চোখ ফেরানোর চিন্তা আসে না। প্রায় ১৫০ ফুট উঁচু থেকে গড়িয়ে পড়া স্রোতধারা এগিয়ে যাচ্ছে পাথর থেকে পাথরে। আর এই শীতল পানি স্পর্শ করার অনুভূতিও অসাধারণ।

শ্রীমঙ্গল থেকে গাড়ী ভাড়া করে সরাসরি কলাবনপাড়া চলে যাওয়া যাবে। যে গাড়িতে যাবেন, সেটি অবশ্যই যাওয়া ও আসার জন্য ভাড়া করবেন। ঐ এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভাল না। তাই শুধুমাত্র যাওয়ার জন্য গাড়ি ভাড়া করলে আসার সময় যথেষ্ট সমস্যায় পড়তে হতে পারে। সিএনজি নিয়ে গেলে ভাড়া ১২০০-১৮০০ টাকার মধ্যে হবে। শ্রীমঙ্গল শহর থেকে কলাবনপাড়া যেতে দেড় থেকে দুই ঘন্টা সময় লাগবে। অন্যদিকে কলাবনপাড়া থেকে হামহামে যেতে-আসতে চার থেকে পাঁচ ঘন্টা সময় লাগে। রাস্তা খারাপ হলে একটু বেশী লাগতে পারে। তাই শ্রীমঙ্গল শহর থেকে সকাল সাড়ে ছয়টার ভেতরে রওয়ানা হওয়াই ভাল।

যা মনে রাখবেন: জঙ্গলের ভেতর দিয়ে যেতে হয়। তাই সঙ্গে একজন গাইড নিয়ে যাওয়া ভাল। এতে পথ হারানোর সম্ভাবনাও থাকবে না এবং সাথে কোনো সাহায্য চাইলেও পাবেন। কলাবনপাড়া গ্রামের অনেকেই গাইড হিসাবে কাজ করে। আপনি জিজ্ঞেস করলেই পেয়ে যাবেন। খরচ পড়বে ৩০০-৫০০ টাকার ভিতরে।

যাতায়াতে পাহাড়ের উপরে বেশ কয়েকবার ওঠা-নামা করতে হয়। পাহাড়ি রাস্তা বেশ পিচ্ছিল থাকে। সেক্ষেত্রে হান্টিং বুট ব্যবহার করা ভাল। তাছাড়া পাহাড়ি পথে হাঁটার সুবিধার্থে একটি করে বাঁশের লাঠি নিতে পারেন। ঐ রাস্তায় কোনো খাবারের দোকান পাওয়ার সম্ভাবনা নেই তাই সঙ্গে যথেষ্ট পরিমাণ খাবার নিয়ে নিতে হবে।

পর্যটকদের অনেকেই জলপ্রপাতের উপরে ওঠার জন্য চিন্তা করেন। কিন্তু এটি খুবই বিপদজনক। কারণ এতে ওঠার কোনো রাস্তা নেই। এছাড়াও এই ঝর্না র আশেপাশের মাটি খুবই পিচ্ছিল। তাই এর উপরে উঠার চেষ্টা করা মানে জীবন বাজি রাখা। আরেকটি কথা, অবশ্যই সন্ধ্যা হওয়ার আগে কলাবনপাড়ায় ফিরতে হবে। সেজন্য ফেরার জন্য কমপক্ষে ৫ ঘন্টা সময় হাতে রাখতে হবে। সূর্যাস্তের পরে জঙ্গলে থাকা নিরাপদ নয়।

বর্ষাকালে জোঁকের উপদ্রব বেশি হয়। তাই এই ব্যাপারে সতর্ক থাকবেন। জোকের হাত থেকে রেহাই পেতে সাথে লবণ ও সরিষার তেল নিলে ভাল হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সাথে রাখতে হবে। কারণ জঙ্গলে চলার পথে ছোটখাটো ব্যাথা পাওয়া অস্বাভাবিক নয়। এছাড়া সাথে খাবার পরিবহনের জন্য পলিথিন বা প্লাস্টিকের দ্রব্যাদি পরিবহণ করলে দয়া করে তা সাথে ফেরত নিয়ে আসবেন।

আরেকটা কথা, শ্রীমঙ্গল শহরটা কিন্তু অসম্ভব সুন্দর। তাই সময় পেলে শহরটাও ঘুরে দেখতে ভুলবেন না।

কিভাবে শ্রীমঙ্গল যাবেন: ঢাকা থেকে বাস অথবা আন্তঃনগর ট্রেনে শ্রীমঙ্গল যেতে পারেন। সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অনেক বাস পাবেন (হানিফ, শ্যামলী, এনা, ইত্যাদি)। ভাড়া ৪৫০-৫০০/-। এছাড়া ঢাকা-সিলেট এর মধ্যে চলাচলকারী যেকোনো আন্তনগর ট্রেনে শ্রীমঙ্গল যেতে পারবেন। সেক্ষেত্রে ভাড়া দিতে হবে ১৭৫-৩৫০ টাকা। আর বিমানে যেতে চাইলে সরাসরি সিলেটে চলে যেতে হবে।তারপর সেখান থেকে শ্রীমঙ্গলে আসতে হবে।


কোথায় থাকবেন: শ্রীমঙ্গলে থাকার জন্য বেশ কিছু দারুন কটেজ, রিসোর্ট ও রেস্টহাউস আছে যার একটি 'দি মেয়ফেয়ার' (www.themayfairhome.com)। যেখানেই থাকুননাকেন, আসার আগে বুকিং দিয়ে নেয়া ভালো। পোস্টটি পছন্দ হলে শেয়ার ও আমাদের পেইজ Like করতে পারেন। ধন্যবাদ।

অস্কারজয়ী হলিউড ছবির শুটিং হয়েছিল শ্রীমঙ্গলে: জুল ভার্নের বিখ্যাত কল্পবিজ্ঞান গ্রন্থ অবলম্বনে নির্মিত অস্কার জয়ী হলিউ...
09/03/2018

অস্কারজয়ী হলিউড ছবির শুটিং হয়েছিল শ্রীমঙ্গলে:

জুল ভার্নের বিখ্যাত কল্পবিজ্ঞান গ্রন্থ অবলম্বনে নির্মিত অস্কার জয়ী হলিউড ছবি 'অ্যারাউন্ড দ্য ওয়ার্ল্ড ইন এইট্টি ডেইজ' ১৯৫৬ সালে চিত্রায়িত একটি অ্যাডভেঞ্চার চলচ্চিত্র। এই ছবিতে একজন ব্রিটিশ তার ভৃত্য পার্সপাত্তুকে সঙ্গে নিয়ে বাজি ধরে ৮০ দিনে গোটা বিশ্ব চক্কর মেরে আসে।

মজার বিষয় হলো এই চলচ্চিত্রের একটি বড় অংশের শুটিং হয়েছিলা বাংলাদেশের মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গলে। সিনেমার এক পর্যায়ে ট্রেনে করে ভারত ভ্রমণের সময় প্রায় পুরো অংশটুকুই শ্যুটিং করা হয় শ্রীমঙ্গলে। সিনেমার ধারণকৃত দৃশ্যগুলোর সাথে অনেক কিছুই বর্তমানের সাথে অনেকাংশেই মিলে যায়।

সম্ভবত বাংলাদেশে শ্যুট করা প্রথম হলিউড মুভি হচ্ছে এটি। মুভিটি ৮টি ভিন্ন ভিন্ন ক্যাটাগরিতে অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনিত হয় এবং এর মধ্যে পাঁচটি জিতে নেয়। এই মুভিটিকে এখনও হলিউডের নেয়া সবচেয়ে বড় ফিল্ম প্রজেক্ট বলে ধরা হয়ে থাকে।

কিভাবে শ্রীমঙ্গল যাবেন: ঢাকা থেকে বাস অথবা আন্তঃনগর ট্রেনে শ্রীমঙ্গল যেতে পারেন। সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অনেক বাস পাবেন (হানিফ, শ্যামলী, এনা, ইত্যাদি)। ভাড়া ৪৫০-৫০০/-

কোথায় থাকবেন: শ্রীমঙ্গলে থাকার জন্য বেশ কিছু দারুন কটেজ, রিসোর্ট ও রেস্টহাউস আছে যার একটি 'দি মেফেয়ার' (www.themayfairhome.com)। যেখানেই থাকুননাকেন, আসার আগে বুকিং দিয়ে নেয়া ভালো।

পোস্টটি পছন্দ হলে শেয়ার ও আমাদের পেইজ Like করতে পারেন। ধন্যবাদ

https://youtu.be/27sVthMANss

This part of the movie was shot at Lawachara, Sreemangal, Sylhet and some part of Assam. The movie was shot in 1954-'55. 'Around the World in 80 Days' is a O...

শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের আকর্ষণ: লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানসারি সারি চা বাগানের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ...
06/03/2018

শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের আকর্ষণ: লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান

সারি সারি চা বাগানের অপরূপ সৌন্দর্য উপভোগ করতে করতে শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়ক ধরে ৯ কিলোমিটার পথ এগিয়ে যান। সেখানে রয়েছে আরেক বিস্ময়। দেশের সবচেয়ে সৌন্দর্যমন্ডিত পাহাড় লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান। ১ হাজার ২শ’ হেক্টর এলাকা জুড়ে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের উঁচু-নিচুঁ টিলায় কয়েক হাজার প্রজাতির লক্ষ লক্ষ সুউচ্চ বৃক্ষ আপনাকে বিমোহিত করবে।

এ জাতীয় উদ্যানে প্রবেশ করে একটু ভেতরের দিকে গেলেই দেখা যাবে বড় বড় বৃক্ষরাজির মগডালে উল্লুক, বানরসহ নানা প্রাণীর লাফালাফি। ঝিঁ-ঝিঁ পোকার মনোমুগ্ধকর ডাক শুনতে শুনতে বনের আরো গভীরে প্রবেশ করুন। ভাগ্য ভাল হলে সেখানেও আপনার জন্য রয়েছে বিস্ময়ের আলোকচ্ছটা। চোখে পড়তে পারে মেছোবাঘ, ভাল্লুক, হরিন, বিভিন্ন জাতের সাপ, বনমোরগ, বন বিড়াল, উল্লুক, বানর, খাটাস প্রভৃতি প্রাণী। এ বনে রয়েছে আড়াই হাজারের অধিক প্রজাতির পাখি, দশ প্রজাতির সরিসৃপ এবং বাঘ, ভাল্লুক, সিভিটকেট, বানর, হরিণসহ অর্ধ শতাধিক প্রজাতির বন্যপ্রাণী। এ বনে রয়েছে অসংখ্য ছোট-বড় পাহাড়ী ছড়া। বনের গভীরে বিভিন্ন পশুপাখির কিচির-মিচির ডাক ও ঝিঁ-ঝিঁ পোকার শব্দে আপনার মধ্যে কাজ করবে এক মোহনীয় অনুভূতি। পর্যটকরা বনের এ শব্দের নাম দিয়েছেন ‘ফরেষ্ট মিউজিক’।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের অভ্যন্তর দিয়ে সামান্য দুরত্বের মধ্যে ঢাকা-সিলেট রেলপথ এবং শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়কপথ রয়েছে। এ দুটি পথ জাতীয় উদ্যানকে তিন ভাগে বিভক্ত করে রেখেছে। আমেরিকান দাতা সংস্থা ‘ইউএসএআইডি’ এর অর্থায়নে পরিচালিত ‘আইপ্যাক’ নামের একটি সংস্থা এ বনটি রক্ষনাবেক্ষণ করছে। পর্যটকদের নিকট এ বনের আকর্ষন আরো বৃদ্ধি করার জন্য বনের সৌন্দর্য রক্ষা ও বৃদ্ধিকল্পে ‘আইপ্যাক’ বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

কিভাবে শ্রীমঙ্গল যাবেন: ঢাকা থেকে বাস অথবা আন্তঃনগর ট্রেনে শ্রীমঙ্গল যেতে পারেন। সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অনেক বাস পাবেন (হানিফ, শ্যামলী, এনা, ইত্যাদি)। ভাড়া ৪৫০-৫০০/-

কোথায় থাকবেন: শ্রীমঙ্গলে থাকার জন্য বেশ কিছু দারুন কটেজ, রিসোর্ট ও রেস্টহাউস আছে যার একটি 'দি মেয়ফেয়ার' (www.themayfairhome.com)। যেখানেই থাকুননাকেন, আসার আগে বুকিং দিয়ে নেয়া ভালো।

পোস্টটি পছন্দ হলে শেয়ার ও আমাদের পেইজ Like করতে পারেন। ধন্যবাদ

শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের আকর্ষণ: চা বাগানচা বাগান মানেই অপার্থিব মুগ্ধতা ছড়ানো এক অস্তিত্ব। চা বাগান মানেই সবুজের অবারিত সৌ...
28/02/2018

শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের আকর্ষণ: চা বাগান

চা বাগান মানেই অপার্থিব মুগ্ধতা ছড়ানো এক অস্তিত্ব। চা বাগান মানেই সবুজের অবারিত সৌন্দর্য। চা বাগান মানেই আনন্দ, অ্যাডভেঞ্চার, রোমাঞ্চ। শ্রীমঙ্গল উপজেলায় জেমস ফিনলে, ইস্পাহানী টি কোম্পানী ও ব্যক্তি মালিকানাধীন মিলিয়ে ছোট-বড় ৩৮টি চা বাগান রয়েছে। শহর থেকে যে কোন সড়ক ধরে হাটাপথ দুরত্বে পৌছা মাত্র চোখে পড়বে মাইলের পর মাইল চা বাগান। চা বাগানের বেস্টনির মাঝে ছোট শহর শ্রীমঙ্গল।

চা বাগানের অভ্যন্তরে প্রবেশ করার পর মনে হবে কোন চিত্রশিল্পী মনের মাধুরী মিশিয়ে সবুজ-শ্যামল মাঠ তৈরী করে রেখেছে। চা বাগানের সবুজ বুক চিড়ে আঁকা-বাঁকা পথ ধরে কোন এক বিকেলে বৈকালিক ভ্রমণ করলে মনটা আনন্দের অতিসয্যে ভরে উঠবেই-উঠবে। ভাগ্য ভাল হলে মহিলা চা শ্রমিকদের চা পাতা উত্তোলনের মনোরম দৃশ্যও চোখে পড়বে। শহরের পাশেই ভাড়াউড়া, বুড়বুড়িয়া ইত্যাদি চা বাগানের অবস্থান। একটু দুরেই কাকিয়াছড়া, ফুলছড়া, কালীঘাট, সিন্দুরখান, রাজঘাট চা বাগান অবস্থিত।

সবুজের মেলা চা বাগানের অভ্যন্তরে প্রবেশ করতে হলে আপনাকে অতি অবশ্যই বাগান কতৃপক্ষের অনুমতি নিতে হবে। ইচ্ছে করলে কতৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে এসব চা বাগানের চা প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানায় প্রবেশ করে কাচাঁ চা পাতা থেকে চা তৈরীর প্রক্রিয়াও দেখা যেতে পারে।

কিভাবে শ্রীমঙ্গল যাবেন: ঢাকা থেকে বাস অথবা আন্তঃনগর ট্রেনে শ্রীমঙ্গল যেতে পারেন। সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অনেক বাস পাবেন (হানিফ, শ্যামলী, এনা, ইত্যাদি)। ভাড়া ৪৫০-৫০০/-

কোথায় থাকবেন: শ্রীমঙ্গলে থাকার জন্য বেশ কিছু দারুন কটেজ, রিসোর্ট ও রেস্টহাউস আছে যার একটি 'দি মেয়ফেয়ার' (www.themayfairhome.com)। যেখানেই থাকুননাকেন, আসার আগে বুকিং দিয়ে নেয়া ভালো।

পোস্টটি পছন্দ হলে শেয়ার ও আমাদের পেইজ Like করতে পারেন। ধন্যবাদ

শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের আকর্ষণ: বাইক্কা বিলশ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্যবাহী সুবিশাল হাইল হাওরের ‘বাইক্কা বিল’ না দেখলে শ্রীমঙ্গলের কি...
28/02/2018

শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের আকর্ষণ: বাইক্কা বিল

শ্রীমঙ্গলের ঐতিহ্যবাহী সুবিশাল হাইল হাওরের ‘বাইক্কা বিল’ না দেখলে শ্রীমঙ্গলের কিছুই যেন দেখা হলো না। বর্তমান হাইল হাওরের প্রাণ বাইক্কা বিল। ‘ইউএসএআইডি’ এর অর্থায়নে মাচ্ প্রকল্পের মাধ্যমে বাইক্কা বিলে গড়ে তোলা হয়েছে মৎস্য ও পাখির স্থায়ী অভয়াশ্রম। বর্তমানে বাইক্কা বিলটি রক্ষনাবেক্ষণ করছে সমন্বিত রক্ষিত এলাকা সহ-ব্যবস্থাপনা প্রকল্প (আইপ্যাক)। বাইক্কা বিলে মাছের অভয়াশ্রম গড়ে তোলায় দেশের বিলুপ্তপ্রায় রুই, গইন্না, কালিবাউস, দেশী সরপুটি, পাবদা, আইড়, গুলশা, চিতলসহ ১৫/২০ প্রজাতির মাছ বর্তমানে প্রচুর পরিমানে পাওয়া যাচ্ছে। আগে শুধুমাত্র শীতকালে হাইল হাওরে পাখি দেখা যেত। কিন্তু পাখির স্থায়ী অভয়াশ্রম হবার কারনে পুরো বছরই পাখির কলকাকলিতে মুখরিত থাকে বাইক্কা বিল। পর্যটকদের সুবিধার্থে পাখি দেখার জন্য বাইক্কা বিলে পানির উপরে তৈরী করা হয়েছে তিন তলা বিশিষ্ট একটি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার। দেশের একমাত্র এ পর্যবেক্ষণ টাওয়ার থেকে শক্তিশালী দূরবিক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে পাখি দেখার ব্যবস্থা রয়েছে। এছাড়া বাইক্কা বিলে পাওয়া যায় সুস্বাধু মাখনা, শালুকসহ নানা স্বাদের, নানা বর্ণের জলজ ফল। বিলের পানিতে ফুটে থাকা পদ্ম, শাপলা প্রভৃতি জলজ ফুল আপনার তনোমনে নাড়া দেবে। প্রচন্ড গরমের সময় পর্যবেক্ষণ টাওয়ারের উপরে বসলে হিমশীতল পানি বাহিত আওলা বাতাস আপনার শরীরে ঠান্ডার কাঁপন তুলবে মুহুর্তেই। ইচ্ছে করলে আপনি স্বল্পমূল্যে বিলে নৌকাভ্রমন করতে পারেন।

বাইক্কা বিলে যেতে হলে শ্রীমঙ্গল-মৌলভীবাজার সড়ক ধরে কালাপুর বাজার থেকে একটু সামনে এগুলেই বরুনা-হাজীপুর পাকা রাস্তার দেখা মিলবে। এ রাস্তায় প্রবেশ করে যেতে হবে হাজীপুর বাজারে। স্থানীয়দের কাছে এ বাজারটি ঘাটেরবাজার নামে পরিচিত। সেখান থেকে মোটর সাইকেলে বা পায়ে হেটে প্রায় ৩/৪ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত বাইক্কা বিল। হাজীপুর বাজারে বেশ ক’জন গাইড রয়েছে। আপনি চাইলে গাইডের সাহায্যও নিতে পারেন। গাইড আপনাকে পুরো বাইক্কা বিল দেখতে সাহায্য করবে।

কিভাবে শ্রীমঙ্গল যাবেন: ঢাকা থেকে বাস অথবা আন্তঃনগর ট্রেনে শ্রীমঙ্গল যেতে পারেন। সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অনেক বাস পাবেন (হানিফ, শ্যামলী, এনা, ইত্যাদি)। ভাড়া ৪৫০-৫০০/-

কোথায় থাকবেন: শ্রীমঙ্গলে থাকার জন্য বেশ কিছু দারুন কটেজ, রিসোর্ট ও রেস্টহাউস আছে যার একটি 'দি মেয়ফেয়ার' (www.themayfairhome.com)। যেখানেই থাকুননাকেন, আসার আগে বুকিং দিয়ে নেয়া ভালো।

পোস্টটি পছন্দ হলে শেয়ার ও আমাদের পেইজ Like করতে পারেন। ধন্যবাদ

শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের আকর্ষণ: মাধবকুন্ড জল প্রপাতদেশের সর্ববৃহৎ জলপ্রপাত মাধবকুণ্ডের অবস্থান মৌলভীবাজার জেলার । বড়লেখা থ...
28/02/2018

শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের আকর্ষণ: মাধবকুন্ড জল প্রপাত

দেশের সর্ববৃহৎ জলপ্রপাত মাধবকুণ্ডের অবস্থান মৌলভীবাজার জেলার । বড়লেখা থানায় মাধবকুণ্ডের সুউচ্চ পাহাড় শৃঙ্গ থেকে শুভ্র জলরাশি অবিরাম গড়িয়ে পড়ছে। আর এই জলপ্রপাতের স্ফটিক জলরাশি দেখতে পুরো বছরই পর্যটকদের আনাগুনা পরিলক্ষিত হয় মাধবকুণ্ডে। সবুজে আবৃত আর পাহাড়ে ঘেরা এই জলপ্রপাতটি সিলেট বিভাগের মৌলভিবাজার জেলায় অবস্থিত। ঝর্নার শব্ধ আর পাখির কলতানই এখানে কেবল এখানে নিশব্ধতার ঘুম ভাঙ্গায়। প্রায় ৮৫ মিটার উচু হতে পাথরের খাড়া পাহাড় বেয়ে শোঁ শোঁ শব্দ করে জলধারা নিচে আছড়ে পড়ছে। নিচে বিছানো পাথেরের আঘাতে পানির জলকনা বাতাসে উড়ে উড়ে তৈরি করছে কুয়াশা। ঝিরি ঝিরি সে জলকনা চারিপাশের পরিবেশকে যেমন শীতল করে তেমনি সিক্ত করে প্রকৃতিকে।

কিভাবে শ্রীমঙ্গল যাবেন: ঢাকা থেকে বাস অথবা আন্তঃনগর ট্রেনে শ্রীমঙ্গল যেতে পারেন। সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অনেক বাস পাবেন (হানিফ, শ্যামলী, এনা, ইত্যাদি)। ভাড়া ৪৫০-৫০০/-

কোথায় থাকবেন: শ্রীমঙ্গলে থাকার জন্য বেশ কিছু দারুন কটেজ, রিসোর্ট ও রেস্টহাউস আছে যার একটি 'দি মেফেয়ার' (www.themayfairhome.com)। যেখানেই থাকুননাকেন, আসার আগে বুকিং দিয়ে নেয়া ভালো।

পোস্টটি পছন্দ হলে শেয়ার ও আমাদের পেইজ Like করতে পারেন। ধন্যবাদ

শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের আকর্ষণ: সাত রঙের চাসন্ধ্যায় বা সকালে চায়ের কাপে চুমুক দিতে কে না চান। কাজ বা ব্যস্ততার ফাঁকে ফাঁকে ...
28/02/2018

শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের আকর্ষণ: সাত রঙের চা

সন্ধ্যায় বা সকালে চায়ের কাপে চুমুক দিতে কে না চান। কাজ বা ব্যস্ততার ফাঁকে ফাঁকে কেউ কেউ চায়ে চুমুক দেন। প্রতিদিন আমরা কত রঙের চায়ে আর চুমুক দেই। এই শুধু দুধ চা নয়তো রঙ চা। কিন্তু এবার পান করুন সাত কালারের চা।

সাত লেয়ারের চায়ের খ্যাতি দেশজুড়ে। এ বিশেষ ধরনের চা পান করতে অনেকেই চলে যান সিলেটের শ্রীমঙ্গলে। সাত রঙের চায়ের উদ্ভাবক হলেন রমেশ রাম গৌড়। একটি স্বচ্ছ কাচের গ্লাসে সাত রঙের সাত স্বাদের চা। প্রতিটি কালার ভিন্ন। একটি অপরটির সঙ্গে মিশে না। প্রতিটি কালারের স্বাদও আলাদা। চামচ দিয়ে না ঘুটে যতই নাড়াচাড়া করুন এক স্তর আরেক স্তরে মিশবে না।

কিভাবে শ্রীমঙ্গল যাবেন: ঢাকা থেকে বাস অথবা আন্তঃনগর ট্রেনে শ্রীমঙ্গল যেতে পারেন। সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অনেক বাস পাবেন (হানিফ, শ্যামলী, এনা, ইত্যাদি)। ভাড়া ৪৫০-৫০০/-

কোথায় থাকবেন: শ্রীমঙ্গলে থাকার জন্য বেশ কিছু দারুন কটেজ, রিসোর্ট ও রেস্টহাউস আছে যার একটি 'দি মেফেয়ার' (www.themayfairhome.com)। tযেখানেই থাকুননাকেন, আসার আগে বুকিং দিয়ে নেয়া ভালো।

পোস্টটি পছন্দ হলে শেয়ার ও আমাদের পেইজ Like করতে পারেন। ধন্যবাদ

শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের আকর্ষণ:  মাধবপুর লেকমৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নে পাত্রখলা চা বাগানে লেকটির অবস...
28/02/2018

শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের আকর্ষণ: মাধবপুর লেক

মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নে পাত্রখলা চা বাগানে লেকটির অবস্থান। এটি মৌলভীবাজার থেকে ৪০ কিঃমিঃ দক্ষিনে ও শ্রীমঙ্গল থেকে ১০ কিঃমিঃ পুর্বে অবস্থিত। খানাখন্দে ভরা চা বাগানের রাস্তা দিয়ে এ লেকে যেতে হয়।মাধবপুর লেক চারদিকে পাহাড় দিয়ে ঘেরা, amoeboid shape এর অতীব সুন্দর এক লেক। লেক টা অনেক বড়। পুরো লেক টার ছবি এক ফ্রেমে আসে না। অ্যামিবার মত চারিদিকে ছড়িয়ে আছে এই লেক। পাহাড়ের উপর থেকে লেক টাকে অপূর্ব লাগে। এই উপমহাদেশের সবচেয়ে বড় চা বাগানের ফ্যাক্টরী টাও এখানে দেখে নিতে পারবেন।

কিভাবে শ্রীমঙ্গল যাবেন: ঢাকা থেকে বাস অথবা আন্তঃনগর ট্রেনে শ্রীমঙ্গল যেতে পারেন। সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অনেক বাস পাবেন (হানিফ, শ্যামলী, এনা, ইত্যাদি)। ভাড়া ৪৫০-৫০০/-

কোথায় থাকবেন: শ্রীমঙ্গলে থাকার জন্য বেশ কিছু দারুন কটেজ, রিসোর্ট ও রেস্টহাউস আছে যার একটি 'দি মেফেয়ার' (www.themayfairhome.com)। যেখানেই থাকুননাকেন, আসার আগে বুকিং দিয়ে নেয়া ভালো।

পোস্ট টি পছন্দ হলে শেয়ার ও আমাদের পেইজ Like করতে পারেন। ধন্যবাদ

শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের আকর্ষণ: মনিপুরী পাড়া ও খাসিয়া পান পুঞ্জিমনিপুরী পাড়া: সরকারি পৃষ্টপোষকতার অভাব, কাচামালের দুস্প্...
28/02/2018

শ্রীমঙ্গলে পর্যটকদের আকর্ষণ: মনিপুরী পাড়া ও খাসিয়া পান পুঞ্জি

মনিপুরী পাড়া: সরকারি পৃষ্টপোষকতার অভাব, কাচামালের দুস্প্রাপ্যতা ইত্যাদি নানাবিদ কারনে মনিপুরী তাঁত শিল্প অনেকটা ধ্বংশের দ্বারপ্রান্তে চলে আসলেও অনেক সৌখিন নারী এখনো মনিপুরী তাঁতের শাড়ি পরিধান করার জন্য ব্যকুল। মনিপুরী তাঁত শিল্পের আগের সেই রমরমা অবস্থা না থাকলে শ্রীমঙ্গল রামনগর মনিপুরী পাড়ায় এখনো ঐতিহ্য ধরে রাখার প্রয়াসে বেশ কটি তাঁতে তৈরী হচ্ছে শাড়ি, ত্রি-পিস, ওড়না, ব্যাগসহ নানা ধরনের পণ্য। তাঁত শিল্প সম্পর্কে জানতে এবং তাঁতে কাপড় বুনার প্রক্রিয়া দেখতে চাইলে চলে আসুন শ্রীমঙ্গলের রামনগর মনিপুরী পাড়ায়। মনিপুরীদের আতিথেয়তা গ্রহন করতে শ্রীমঙ্গল শহর থেকে রিকসা বা অন্যান্য যে কোন বাহন যোগে সহজেই আসতে পারেন মনিপুরী পাড়াতে। তবে বাংলা সনের কার্তিক মাসের শেষ পূর্ণিমা তিথিতে মনিপুরীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ‘রাসোৎসব’ দেখতে চাইলে যেতে পারেন কমলগঞ্জের মাধবপুরস্থ জোড়ামন্ডপ অথবা আদমপুরস্থ মনিপুরী শিক্ষা ও সংস্কৃতি কেন্দ্রে। দু’স্থানই প্রতি বছর ‘রাসোৎসব’-এ লক্ষ লক্ষ মানুষের পদভারে মুখরিত হয়।

খাসিয়া পান পুঞ্জি: সিলেট বিভাগে ৭৫টি খাসিয়া পান পুঞ্জি রয়েছে। এর মধ্যে শ্রীমঙ্গলে পান পুঞ্জির সংখ্যা দশ। উপজাতি খাসিয়া সম্প্রদায়ের লোকজন বিভিন্ন দূর্গম পাহাড়ি এলাকায় এসে সুউচ্চ পাহাড়ি টিলা পরিস্কার করে বসবাসের উপযোগি ঘর তৈরী ও পান চাষে আত্মনিয়োগ করে। এসব পান চাষের এলাকাকে পুঞ্জি বলে। প্রতিটি পান পুঞ্জিতে ২৫/৩০টি পরিবার গোষ্ঠীবদ্ধভাবে বসবাস করে। খাসিয়ারা পাহাড়ি পতিত ভূমিতে সুউচ্চ গাছের পাশে লতানো পানের চারা রোপন করে। রোপনকৃত এ চারা অল্পদিনেই বড় গাছ বেয়ে উঠতে থাকে উপরের দিকে। বড় গাছ পরম মমতায় বুকে জড়িয়ে ধরে রেখেছে লতানো পান গাছকে এ দৃশ্য অত্যন্ত নয়নাভিরাম। টিলার পর টিলা সুউচ্চ গাছগুলো সবুজ পান পাতায় ঢাকা পড়ে আছে। খাসিয়া সম্প্রদায়ের পুরুষরা বাঁশের তৈরি এক প্রকার মই ব্যবহার করে সুউচ্চ গাছ থেকে পান সংগ্রহ করে। সে পান খাসিয়া নারীরা গুছিয়ে খাচায় ভরে রাখে। খাসিয়া সম্প্রদায়ের জীবন জীবিকা সম্পর্কে ধারনা পেতে এবং পান পুঞ্জির পান চাষ সম্পর্কে জানতে চান? চলে আসুন নাহার, নিরালা, চলিতাছড়া, লাউয়াছড়া প্রভৃতি পান পুঞ্জিতে। এসব পুঞ্জিতে প্রতিদিনই সকাল-বিকেল পান ক্রেতাদের জীপ গাড়ি যাতায়াত করে। আপনি ভাড়া পরিশোধ সাপেক্ষে যে কোন পুঞ্জি ভ্রমনে যেতে পারবেন।

কিভাবে শ্রীমঙ্গল যাবেন: ঢাকা থেকে বাস অথবা আন্তঃনগর ট্রেনে শ্রীমঙ্গল যেতে পারেন। সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অনেক বাস পাবেন (হানিফ, শ্যামলী, এনা, ইত্যাদি)। ভাড়া ৪৫০-৫০০/-

কোথায় থাকবেন: শ্রীমঙ্গলে থাকার জন্য বেশ কিছু দারুন কটেজ, রিসোর্ট ও রেস্টহাউস আছে যার একটি 'দি মেফেয়ার' (www.themayfairhome.com)। যেখানেই থাকুননাকেন, আসার আগে বুকিং দিয়ে নেয়া ভালো।

পোস্টটি পছন্দ হলে শেয়ার ও আমাদের পেইজ Like করতে পারেন। ধন্যবাদ

সিলেটে পর্যটকদের আকর্ষণ: রাতার গুল সোয়াম্প ফরেস্টসুন্দরবনের পর বাংলাদেশে যে বনটি অনন্য বৈশিষ্ট্য বহন করে সেটি হল রাতারগ...
28/02/2018

সিলেটে পর্যটকদের আকর্ষণ: রাতার গুল সোয়াম্প ফরেস্ট

সুন্দরবনের পর বাংলাদেশে যে বনটি অনন্য বৈশিষ্ট্য বহন করে সেটি হল রাতারগুল সোয়াম ফরেস্ট।এটি বাংলাদেশের এক এবং একমাএ সোয়াম ফরেস্ট বা জলাবন।সারা পৃথিবীতে মোট ২১টি সোয়াম ফরেস্ট রয়েছে।এর মধ্যে দক্ষিণ এশিয়ায় দুটি একটি রাতারগুলে অন্যটি শ্রীলঙ্কায়।রাতারগুল সোয়াম ফরেস্ট সিলেট জেলার গোয়াইনঘাটের ফতেহপুর ইউনিয়নে গুরাইন নদীর দক্ষিণে অবস্থিত।এর আয়তন ৩৩২৫.৬১ একর এর মধ্যে ৫০৪ একর ১৯৭৩ সালে বন্যপ্রাণী অভয়ারণ্য হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

আপনাদের মনে হয়তবা এতক্ষণে প্রশ্ন জেগেছে সোয়াম ফরেস্ট কী?সোয়াম ফরেস্ট সেই বনকেই বলা হয় যেখানে কয়েক মাস বা সারা বছর পাছপালা পানির নিচে নিমজ্জিত থাকে।জলাবনটি স্বাদুপানির হতে পারে আবার লবণাক্ত পানিরও হতে পারে।

আঁকাবাঁকা সারিতে দাড়িয়ে আছে বনের প্রধান উদ্ভিদ করচ ও হিজল।গাছগুলো চার থেকে আট মাস ১৫ -২০ ফুট পানিতে নিমজ্জিত থাকে।দেখলে মনে হবে যেন পানির উপর দাড়িয়ে আছে।জীববৈচিএ্য এখানে দুই ভাগে বিভক্ত। একভাগ গাছের উপর আরেকভাগ পানিতে।যখন বনটি পানিতে নিমজ্জিত থাকে তখন স্হলজ প্রাণীগুলো গাছের উপরে উঠে থাকে।বনটিতে প্রচুর সাপ রয়েছে।আরও রয়েছে বানর, বিভিন্ন পোকামাকড়, গেছোব্যাঙ।জনশ্রুতি আছে যে এলাকায় গেছোব্যাঙ থাকে সেই এলাকা স্বাস্থ্যকর হয়।পানিতে আছে প্রচুর মাছ ও জোঁক।এজন্য পানিতে না নামায় উত্তম।

যারা ভ্রমণে যান তারা সাধারণত নৌকায় করে ঘুরেন।আপনি যদি ভাগ্যবান বা ভাগ্যবতী হন তবে ঈগল ও শকুন দেখতে পেতে পারেন। গাছের উপরের জীববৈচিএ্য ও পানির জীববৈচিএ্য মিলে তৈরি করেছে ভারসাম্যপূর্ণ বাস্তুসংস্থান।প্রকৃতি মিলিয়ে দিয়েছে তার অপরূপ সৌন্দর্য। প্রতিবছর অসংখ্য দর্শনার্থী ভ্রমণে যান বাংলাদেশের দ্বিতীয় সুন্দরবন খ্যাত সোয়াম ফরেস্টে।

কিভাবে শ্রীমঙ্গল যাবেন: ঢাকা থেকে বাস অথবা আন্তঃনগর ট্রেনে শ্রীমঙ্গল যেতে পারেন। সকাল থেকে রাত ১২টা পর্যন্ত অনেক বাস পাবেন (হানিফ, শ্যামলী, এনা, ইত্যাদি)। ভাড়া ৪৫০-৫০০/-

কোথায় থাকবেন: শ্রীমঙ্গলে থাকার জন্য বেশ কিছু দারুন কটেজ, রিসোর্ট ও রেস্টহাউস আছে যার একটি 'দি মেফেয়ার' (www.themayfairhome.com)। যেখানেই থাকুননাকেন, আসার আগে বুকিং দিয়ে নেয়া ভালো।

পোস্টটি পছন্দ হলে শেয়ার ও আমাদের পেইজ Like করতে পারেন। ধন্যবাদ

27/01/2018

Welcome to The Mayfair, our modern holiday home in Sreemangal, Bangladesh. It has been designed by me and my wife so we can retreat from our busy life in England to have some quality time near to nature.

Sreemangal is a quiet beautiful town on a hilly area in Sylhet, covered with 38 tea gardens, producing a large portion of the world’s highest quality tea. The Lawachara National Park, Madhobpur Lake, Baikka Beel, Monipuri and Kashia tribal villages and the famous seven layer colour tea cabin are also in Sreemangal and make great tourist attractions. The Madhabkunda waterfall- the highest waterfall in Bangladesh and Ratargul Swamp Forest are also great daytrips from Sreemangal. The people of this town are very friendly, helpful and welcoming.

Whilst we are not there, we would like to welcome you to come and spend some quality time and take some good memories away. Our large 6 bed villa over three floors features a large living space and a modern kitchen on the ground floor, a family area on the second floor for those moments when you just want to put your feet up and on the third floor you will find a sports room equipped with table tennis, carrom board and various other board games to keep you and your family entertained out of the sun. Next to this is the roof top terrace where you will have the sun all day and enjoy a BBQ in the evening.

We would like to welcome you to The Mayfair, unwind and relax, enjoy the tourist attractions and take some great memories away.

Address

A2, Housing Estate, Sreemangal
Moulvi Bazar
3210

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when The Mayfair posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to The Mayfair:

Share