উদয় একাডেমি এন্ড বয়েজ হোস্টেল

উদয় একাডেমি এন্ড বয়েজ হোস্টেল শুধুমাত্র একটি একাডেমিক হোস্টেল নয়, আরও একটু বেশী!!!
সুন্দর ভবিষ্যৎ এর শুরু হোক এখান থেকেই...

পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ "Lake Baikal"। রাশিয়ার সাইবেরিয়াতে অবস্থিত এটি। এর গভীরতা প্রায় ১,৬৪২ মিটার। অবাক করার মত ব্য...
27/09/2019

পৃথিবীর সবচেয়ে গভীরতম হ্রদ "Lake Baikal"। রাশিয়ার সাইবেরিয়াতে অবস্থিত এটি। এর গভীরতা প্রায় ১,৬৪২ মিটার। অবাক করার মত ব্যাপার হচ্ছে, এই হ্রদের পানি এতটাই স্বচ্ছ যে, খালি চোখেও ৪০ মিটার গভীর পর্যন্ত অনায়াসেই দেখতে পাওয়া যায়।
★★★নিচের ছবিটিতে লেক বৈকালের শীতকালীন একটি প্রাকৃতিক ঘটনা দেখানো হয়েছে। হিমায়িত বুদবুদগুলো হচ্ছে মিথেন গ্যাস যা হ্রদে থাকা শৈবালগুলো উৎপাদন করে থাকে।

13/08/2019

ঈদ উল আযহার শুভেচ্ছা।

আমাদের প্রতিবেশি দেশ ভারতের চেন্নাই পানির জন্য হাহাকার লেগে গেছে। হাসপাতালে পানি নেই, পানি নেই শপিং মলে। ভারতের কিছু কিছ...
01/07/2019

আমাদের প্রতিবেশি দেশ ভারতের চেন্নাই পানির জন্য হাহাকার লেগে গেছে। হাসপাতালে পানি নেই, পানি নেই শপিং মলে। ভারতের কিছু কিছু রাজ্যে খরা চলে আমরা জানি। কিন্তু চেন্নাইয়ের মত জায়গা যেখানে প্রচুর বাংলাদেশিরাও চিকিৎসা করতে যায়, সেখানে পানির জন্য হাহাকার আমাদের আতংকিত করে। শুনেছি সামনে দক্ষিণ আফ্রিকার কেপটাউনও নাকি এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে যাচ্ছে।

পানির অপর নাম জীবন। সুস্বাদু পানি ছাড়া এই পৃথিবীর অস্তিত্ব নেই। বাঁচবে না কোন প্রাণী, বাঁচবে না উদ্ভিদ। তবুও আমার আতংকিত হইনা।

আমরা মোটামুটি পানি প্রাচুর্যতার মধ্যই বসবাস করি। এই কারণে পানি নিয়ে আমাদের চিন্তা কম। আমরা অযথাই পানির অপচয় করি। যত্রটত্র ট্যাপ খুলে রাখি। পানির যে সংকট হতে পারে, সেটিই বিশ্বাস করতে পারিনা। অথচ আমাদের দেশেও পানির সংকট হয়। পাহাড়ি অঞ্চলে শীতের সময় পাহাড়ির মানুষেরা ৫-১০ কিঃমিঃ দুরে গিয়ে পানি সংগ্রহ করে। কখনও কখনও সেটিও পর্যাপ্ত হয়না।

কেউ কেউ বলেন, ৩য় বিশ্বযুদ্ধ যদি বেধেই যায়, তাহলে সেটি পানির জন্যই বাধবে।

পানির অপচয় রোধ করতে হবে। গাছ লাগাতে হবে। যেসকল পণ্য উৎপাদনে পানির মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার হয়, সেগুলোর উৎপাদন কমিয়ে আনতে হবে। সর্বপরী গাছ লাগাতে হবে, বিদ্যুতের অপচয় বন্ধ করতে হবে। এই কথাগুলোই সকলে বলেন।

আমি অবশ্য বলি বেলুনের কথা। যত মানুষ তত পরিবেশের সমস্যা। পৃথিবীতে এত মানুষের প্রয়োজন নেই। অনেকে হয়ত বলবেন, মানুষ সচেতন হলে, পৃথিবীর ম্যানেজমেন্ট ঠিক হলে এত ঝামেলা হতো না। হয়ত কম হতো। কিন্তু মানুষ কম থাকলে এত সচেতন, ম্যানেজমেন্ট নিয়ে চিন্তাও কম করতে হতো। এমনিতেও প্রাণী হিসেবে মানুষ খুব একটা সুবিধার না। নিজের সুখের জন্য প্রকৃতির েএমন কোন ক্ষতি নেই মানুষ করতে পারেনা। তাই পানি টানি নিয়ে ভাবুন ভাল কথা, কিন্তু মানুষের মাত্রাতিরিক্ত উৎপাদন সেটি নিয়েও একটু ভাবুন।

কলেজ নির্বাচনের পূর্বে মাথায় রেখো ১০টি বিষয়১) Priority List তৈরির ক্ষেত্রে সাবধানতা:অনলাইনে কলেজ নির্বাচন এর জন্য তোমা...
22/06/2019

কলেজ নির্বাচনের পূর্বে মাথায় রেখো ১০টি বিষয়

১) Priority List তৈরির ক্ষেত্রে সাবধানতা:
অনলাইনে কলেজ নির্বাচন এর জন্য তোমাকে একটা লিস্ট তৈরি করতে হবে। যেখানে তোমার সব থেকে বেশি পছন্দের কলেজের স্থান হবে সবার উপরে এবং পর্যায়ক্রমে কম পছন্দের কলেজ গুলোর স্থান নিচে নিচে সাজাতে হবে। কাজটা অনেক সহজ হলেও বেশ কিছু ভুলের কারণে তোমাকে অনেক ভোগান্তির মধ্যে পড়তে হতে পারে। তাই প্রথমেই চলো ভুলগুলোর কথা জেনে নেই।

ক) মার্কস বিবেচনা করে অগ্রাধিকার প্রদান: বর্তমানে এসএসসি এবং এইচএসসি উভয় পরীক্ষাতেই মার্কশিট প্রকাশ করা হয়। প্রথমেই তোমাকে জানতে হবে, কলেজ কখনোই জিপিএ দেখে তোমাকে নির্বাচন করবে না!

খুব করুণ সত্যি এই যে, সবসময়ই তোমার মার্কস দেখে তোমাকে নির্বাচন করা হবে। তাই তোমার মোট নম্বর যোগ করে ফেলো এবং দেখো মোট ১৩০০ নম্বরের মধ্যে তুমি কত পেয়েছো। এখন তোমাকে বেশ কিছু বিষয় চিন্তা করতে হবে; তার মধ্যে অন্যতম হলো, তুমি কত পেয়েছো আর তোমার আশেপাশে সবাই কত পেয়েছে। একটু তুলনা করলেই তুমি পার্থক্য দেখতে পাবে আর আন্দাজ করতে পারবে তুমি আসলে কোন পর্যায়ে আছো।


আবিষ্কার করো পাওয়ারপয়েন্ট এর খুঁটিনাটি!
পাওয়ার পয়েন্টকে এখন আমাদের জীবনের অনেকটা অবিচ্ছেদ্য একটা অংশ বলা যায়। ক্লাসের প্রেজেন্টেশান বানানো কিংবা বন্ধুর জন্মদিনের ব্যানার, সবক্ষেত্রেই এর ব্যাপক ব্যবহার।

যেহেতু পরীক্ষা শেষ এবং রেজাল্টও তোমার হাতে, তাই এই মুহূর্তে আসলে রেজাল্ট খারাপ হলেও তোমার মন খারাপ করার কিছুই নেই। মন খারাপ করলে কি রেজাল্ট পরিবর্তন হয়ে যাবে? তাই যে নম্বর হাতে আছে তাতেই সন্তুষ্ট থেকে সামনে এগিয়ে যাও।

এখন তুমি নিজেও অনুমান করো আর বড় ভাইয়া-আপুদের কাছে জিজ্ঞেস করে দেখো, আসলে কোন কলেজের জন্য কত নম্বর পাওয়ার প্রয়োজন হয়। সব যাচাই-বাছাই করে তারপর দেখো আসলে কোন কলেজে তোমার ভর্তি হবার চান্স আছে। হয়তোবা তোমার অনেক নামকরা একটা কলেজে ভর্তির ইচ্ছা ছিলো কিন্তু তোমার মার্কস খারাপ থাকার কারণে মনে হচ্ছে তুমি চান্স পাবে না। তাহলে তোমাদের কাছে একটা পরামর্শ থাকবে, সেই কলেজকে Priority list-এ জায়গা দিওনা।

যদি মনে হয় কোন একটা কলেজ যা তোমার প্রিয়, আর সেখানে চান্স পাওয়ার সম্ভাবনাও আছে, কেবল সে ক্ষেত্রেই তুমি সে কলেজকে অগ্রাধিকার দিবে। কারণ রেজাল্ট ৩ বার প্রকাশিত হয়। ৩ ধাপেই তুমি যদি লেগে থাকো তোমার স্বপ্নের কলেজ পেয়েও যেতে পারো!

খ) “ব্রাঞ্চ”এর বিষয়ে সতর্কতা: আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষিয় হলো ব্রাঞ্চ। ধরি তোমার প্রিয় কলেজ “ক”। যার ২টি ব্রাঞ্চ আছে “ক” মিরপুর এবং “খ” মতিঝিল। তুমি হয়তোবা “ক” মিরপুরে ভর্তি হতে চাও, কিন্তু তোমার লিস্টের শুরুর দিকে “ক” মতিঝিল দিয়ে রেখেছো! আমার খুব কাছে থেকে এমন ঘটনা দেখার অভিজ্ঞতা রয়েছে। এই ভুলের জন্য তোমাকে অনেক ঝামেলা পোহাতে হবে। তাই আগে থেকেই সব কিছু জেনে নিয়ে বুঝে শুনে লিস্ট তৈরি করো।

২) কলেজ থেকে বাসার দূরত্ব:
ইন্টারমিডিয়েট লেভেলের সিলেবাস নবম-দশম শ্রেণির সিলেবাসের থেকে অনেক বড় এবং এখানে সময় অনেক কম পাওয়া যায়। এই অল্প সময়ের মধ্যে তোমার উচিত বেশিরভাগ সময় পড়ার কাজে ব্যয় করা। তোমার কলেজ যদি বাসা থেকে অনেক দূরে হয় তাহলে প্রতিদিনের যাতায়াতে অনেক সময় লেগে যাবে। আর দিন শেষে তুমি ক্লান্ত হয়ে যাবে।

তাই পড়ালেখায় মনোযোগ বসানো এবং সামনে ভালো করা তোমার জন্য হয়ে যাবে অনেক কষ্টের বিষয়। তাই চেষ্টা করো কলেজটি যেন বাসা থেকে অনেক দূরে না হয়ে যায়।

তাই তুমি যে লিস্ট তৈরি করবে সেখানে শুরুর দিকে এমন কলেজগুলো দিও যেগুলো তোমার বাসার নিকটবর্তী। বাসা নিকটবর্তী যদি নাও হয়, তাহলে এমন রেখো যেন কলেজ থেকে বাসায় আসা-যাওয়া করতে দিনে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার বেশি সময় ব্যয় না হয়।

৩) কলেজে পূর্ববর্তী বছরগুলোর রেজাল্ট:
আমাদের দেশে এখনও কোন একটা কলেজ ভালো অথবা খারাপ এটি নির্বাচন করা হয় বেশিরভাগ সময়েই কলেজটির পূর্ববর্তী বছরগুলোর রেজাল্ট দেখে। তোমারও উচিত হবে কলেজের পূর্ববর্তী বছরের রেজাল্ট সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়েই কলেজে ভর্তি হওয়া। কলেজের পাশের হার কেমন, পরীক্ষার্থী কত জন এবং জিপিএ-5 কতজন পেয়েছে, সেগুলো দেখে তারপর কলেজ নির্বাচন করো।

৪) Extra Curriculur Activities:
আয়মান ভাইয়ার কথাটা মনে আছে, গোল্ডেন এ-প্লাসের সাথে একটা গোল্ডেন কালারের ট্রফি? আসলে দিন শেষে তোমার রেজাল্ট যেমন জরুরি, তেমন তোমার অর্জন আর অভিজ্ঞতার বিষয়টিও জরুরি। তাই চেষ্টা করো কলেজ লাইফ থেকেই নানা ধরনের Extra curriculur activities-এর মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রাখতে।

সে জন্য তোমাকে যেমন আগে থেকে কলেজের রেজাল্ট কেমন তার খবর নেয়া লাগবে, ঠিক একইভাবে কলেজে কতগুলো ক্লাব আছে, তাদের রেগুলারিটি কেমন, কতগুলো ফেস্ট আয়োজন করা হয় ইত্যাদি বিষয়ের একটা ধারণা তোমার থাকা উচিত।

৫) Teacher-Student Ratio:
সাধারণত ঢাকার কিছু এবং ঢাকার বাইরের অনেক কলেজেই ছাত্র অনেক হওয়া সত্ত্বেও শিক্ষকের সংখ্যা অনেক কম থাকে। যার ফলে দেখা যায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ সাবজেক্টের ঠিকমতো ক্লাস হয়না শিক্ষক স্বল্পতার কারণে।

যেমন ধরো, বর্তমানে আমাদের শিক্ষাব্যবস্থায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিষয়কে অনেক বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়। যার প্রেক্ষিতে দেখা যায় সায়েন্স,কমার্স এবং আর্টস-সবার জন্যই তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বাধ্যতামূলক একটি বিষয়। আর এই বিষয়ের শিক্ষকের অভাব ঢাকা এবং ঢাকার বাইরে সব অঞ্চলেই।

শুধু মাত্র একটা বিষয় না বরং সায়েন্সের অন্যান্য বিষয়ের শিক্ষকেরও সংখ্যা তুলনামূলক কম থাকে অনেক কলেজে। তাই আগে থেকেই শিক্ষক ও ছাত্রের অনুপাত সম্পর্কিত ধারণা রেখেই কলেজ নির্বাচনের লিস্ট তৈরি করা উচিত।

৬) Class-Exam Ratio:
Class-Exam Ratio বলতে সোজা বাংলায় বোঝায় পরীক্ষা এবং ক্লাসের অনুপাত। অনেক কলেজে দেখা যায় প্রচুর পরিমাণে পরীক্ষা হয়। সে অনুপাতে ক্লাসে সিলেবাস শেষ হয় কম। আবার অনেক কলেজে পরীক্ষা থেকে ক্লাস অনেক বেশি হয়। ব্যাপারটা সম্পূর্ণ নির্ভর করে তুমি কতটা চাপ নিয়ে পড়ালেখা করতে পারো তার উপর।

কলেজের অবস্থা দেখে এবং নিজের কথা ভেবে দেখো, কোনটা তোমার জন্য ভালো হয়। আমার মতে পরীক্ষা বেশি দিলে অর্থাৎ চাপের মধ্যে থাকলে তুমি ভালো করবে। কারণ কলেজে সিলেবাস আসলেই অনেক বেশি আর সময় অনেক কম। তাই তুমি যত পরীক্ষা দিতে থাকবে ততই সামনে এগিয়ে যাবে। যদিও এটা সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত মতামত। তাই তোমাদেরকে একটাই পরামর্শ, নিজের ক্যাপাসিটি বিবেচনা করে তারপর কলেজ বাছাই করো।

৭) কলেজের সময়সূচী:
কয়টা থেকে কয়টা পর্যন্ত কলেজ হবে অথবা ছেলেদের কোন শিফট, মেয়েদের কোন শিফট ইত্যাদি বিষয়গুলো আগে থেকে জেনে রেখো।

তুমি স্কুলে থাকতে কোন শিফটে স্কুলে যেতে সেটা দেখে এবং তার অভিজ্ঞতা থেকে ঠিক করো কোন শিফটে পড়লে তুমি বেশি স্বাচ্ছন্দ্য অনুভব করবে এবং যেটা ভালো মনে হয় সেটাই করো। ব্যাপারটা সম্পূর্ণ তোমার ব্যক্তিগত স্বাচ্ছন্দ্যের উপর নির্ভর করবে। চাইলে সাথে সাপ্তাহিক ছুটির ব্যাপারটাও দেখে রাখতে পারো!

“যেই কলেজকে অগ্রাধিকার দিচ্ছো, সেখান থেকে বের হয়ে যাওয়া অথবা সেখানে পড়ুয়া কোন সিনিয়র ভাইয়া বা আপুর পরামর্শ নাও।”

৮) ল্যাবরেটরির অবস্থা সম্পর্কে জানা:
সায়েন্সের শিক্ষার্থীদের জন্য এইচএসসি পরীক্ষার ব্যবহারিক অংশ অনেক গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু খুব কম কলেজেই পর্যাপ্ত সুযোগ সুবিধা সম্পন্ন ল্যাবরেটরি দেখা যায়। অনেক ল্যাবরেটরি থাকলেও ভালো ইন্সট্রাকটর না থাকার জন্যে খুব বেশি শেখার সুযোগ থাকে না!

তাই যে কলেজগুলোকে তোমার লিস্টের উপরের দিকে প্রাধান্য দিচ্ছো, তাদের ল্যাবরেটরির অবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নিয়ে রেখো।

৯) Affordable কিনা:
তুমি যেই কলেজটিকে তোমার লিস্টের উপরে অবস্থান দিচ্ছো মাথায় রেখো সেই কলেজটির বেতন-ফি কত এবং সেটা তোমার সাধ্যের মধ্যে আছে কিনা। অনেক সময় ঝোঁকের বশেই অনেকে এমন কলেজ লিস্টের উপরের দিকে দিয়ে বসে যার খরচ বহন করা তাদের পক্ষে অনেক কষ্টকর হয়ে যায়।

তাই অবশ্যই তুমি যে কলেজটাকে তোমার লিস্টের উপরের দিকে স্থান দিচ্ছো তার খরচ সম্পর্কে আগে থেকেই খোঁজ নিয়ে রাখবে।

১০) সিনিয়রদের পরামর্শ নাও:
তুমি যদি উপরের নয়টা কাজ করতে ব্যর্থ হও তবুও অন্তত এই কাজটি করো। যেই কলেজকে অগ্রাধিকার দিচ্ছো, সেখান থেকে বের হয়ে যাওয়া অথবা সেখানে পড়ুয়া কোন সিনিয়র ভাইয়া বা আপুর পরামর্শ নাও। তাদের কাছ থেকে তাদের অভিজ্ঞতাগুলো জেনে নাও।

সব ধরনের ভালো এবং খারাপ অভিজ্ঞতা জেনে নেয়ার ফলে তুমি কলেজ সম্পর্কে একটা সম্পূর্ণ ধারণা পেয়ে যাবে। তারপর নিজেই বিচার করে দেখো এই কলেজটি তোমার জন্য কতটা উপযোগী।

কলেজ নির্বাচনের পূর্বে এই দশটি বিষয় বিবেচনা করে যদি একটি কলেজকে তুমি দশের মধ্যে নম্বর দাও, আমার বিশ্বাস বাংলাদেশের কোন কলেজই দশে দশ পাবে না! কারণ, দিন শেষে সবারই কোন না কোন ত্রুটি থাকেই। কিন্তু চেষ্টা করো ব্যাপারগুলো মাথায় রেখে নিজের জন্য ভালো হবে এমন কলেজই বেছে নিতে।

তোমাদের সবার জন্য অনেক শুভকামনা!
উদয় একাডেমি এন্ড বয়েজ হোস্টেল, ৩৪ সানকিপাড়া , ময়মনসিংহ

স্পেস এক্স মহাশূন্যে ৬০টি ইন্টারনেট যোগাযোগ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন করেছে ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল এয়ার ফোর্স ষ্টেশন থেকে। ...
25/05/2019

স্পেস এক্স মহাশূন্যে ৬০টি ইন্টারনেট যোগাযোগ স্যাটেলাইট উৎক্ষেপন করেছে ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল এয়ার ফোর্স ষ্টেশন থেকে।

উদ্দেশ্য, এরকম সর্বমোট ১২ হাজার স্যাটেলাইট তারা মহাশূন্যে পাঠাবে তাদের 'স্টার-লিংক' প্রকল্পের আওতায়- এটা ছিল তার প্রথম ধাপ।

এসব স্যাটেলাইটগুলি থেকে নিরবিচ্ছিন্ন অত্যন্ত উচ্চ গতির ইন্টারনেট সেবা প্রদান করা হবে।

২২৭ কেজি ওজনের প্রতিটি স্যাটেলাইট কক্ষপথের অনেক নিচে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনের সামান্য উপরের দিকে অবস্থান করবে যার দূরত্ব হবে আমাদের পৃথিবী থেকে সাড়ে ৫শ’ কিলোমিটারের মতো।

গত সপ্তাহের (বুধবার (১০ এপ্রিল) ইভেন্ট হরাইজোন টেলিস্কোপ এস্ট্রোনোমার্স এই ছবি প্রকাশ করে।) প্রথমবারের মতো ব্ল্যাক হোলের...
14/05/2019

গত সপ্তাহের (বুধবার (১০ এপ্রিল) ইভেন্ট হরাইজোন টেলিস্কোপ এস্ট্রোনোমার্স এই ছবি প্রকাশ করে।) প্রথমবারের মতো ব্ল্যাক হোলের ছবি দেখতে পেলো বিশ্বের মানুষ। ব্ল্যাকহোল হলো এমন একটি স্থান যেখানে তারকারা গিয়ে অদৃশ্য হয়ে যায়। এমনকি যে আলোর সাহায্যে আমরা সব কিছু দেখি, সে আলোও ব্ল্যাক হোলের কাছে এসে অদৃশ্য হয়ে যায়। এ কারণেই এর নাম দেয়া হয়েছে ব্ল্যাক হোল বা কৃষ্ণগহ্বর

যদিও গতকাল প্রথম আমরা ব্ল্যাক হোলের ছবি দেখতে পেয়েছি, কিন্তু, এই ব্ল্যাক হোলের আইডিয়াটা অনেক আগেই আমরা কোর'আন থেকে জেনেছি।

কোর'আনে বলা হয়েছে -

وَالنَّجْمِ إِذَا هَوَى

"তারকা বা নক্ষত্রের শপথ, যখন তা অদৃশ্য বা হাওয়া হয়ে যায়।" [সূরা ৫৩/নাজম - ১]

অর্থাৎ, ব্ল্যাক হোলে যেসব তারকা পতিত হয়, সেসব তারকার শপথ করা হচ্ছে এখানে।

এরপর সূরা ওয়াকিয়াহতে নক্ষত্র পতিত হবার স্থানের কথাও উল্লেখ রয়েছে।

لَا أُقْسِمُ بِمَوَاقِعِ النُّجُومِ * وَإِنَّهُ لَقَسَمٌ لَوْ تَعْلَمُونَ عَظِيمٌ

"অতএব, আমি তারকারাজির পতিত হবার স্থানের (ব্ল্যাক হোলের) শপথ করছি। নিশ্চয় এটা একটা মহা শপথ, যদি তোমরা জানতে।" [সূরা ৫৬/ওয়াকিয়াহ - ৭৫-৭৬]

উপরোক্ত আয়াতে যে মাওয়াকিআ (مَوَاقِعِ) শব্দটি ব্যবহার করা হয়েছে, তার অর্থ হলো পতিত হবার স্থান। কোর'আনে অন্য একটি স্থানেও এ শব্দটি রয়েছে।

وَرَأَى الْمُجْرِمُونَ النَّارَ فَظَنُّوا أَنَّهُمْ مُوَاقِعُوهَا وَلَمْ يَجِدُوا عَنْهَا مَصْرِفًا

"অপরাধীরা আগুন দেখে ধারণা করবে যে, তারা সেখানে পতিত হবে। এবং এখান থেকে তারা রাস্তা পরিবর্তন করতে পারবে না।" [সূরা ১৮/কাহফ - ৫৩]

সূরা ওয়াকিআর ৭৫ নং আয়াতে "মাওয়াকিআ" শব্দের দ্বারা তারকাদের পতিত হবার স্থানের কথা বলা হয়েছে, আর সূরা কাহাফের ৫৩ নং আয়াতে অপরাধীদের পতিত হবার স্থানের কথা বলা হয়েছে। অপরাধীরা যেমন জাহান্নামের আগুন থেকে পালিয়ে যেতে পারে না, তেমনি ব্ল্যাক হোলের কাছাকাছি আসলে কোনো নক্ষত্র ও তারকাও পালিয়ে যেতে পারে না।

এছাড়া, সূরা তাকভীর সম্পূর্ণটাই ব্ল্যাক হোলের ধারণা দিয়েছে।

إِذَا الشَّمْسُ كُوِّرَتْ

"যখন সূর্য আলোহীন হয়ে যাবে।" [সূরা ৮১/তাকভীর - ১]

সূর্যের আলোও ব্ল্যাক হোলের কাছে আসলে অন্ধকার হয়ে যায়, এমনকি গোটা কয়েক সূর্যকে ব্ল্যাক হোল মুহূর্তের মধ্যেই অদৃশ্য করে দিতে পারে।

একই সূরার অন্য আয়াতে বলা হয়েছে -

فَلَا أُقْسِمُ بِالْخُنَّسِ * الْجَوَارِ الْكُنَّسِ

"আমি শপথ করছি সেসব নক্ষত্রের, যারা পশ্চাতে সরে যায়, চলমান হয়, এবং অদৃশ্য হয়ে যায়।" [সূরা ৮১/তাকভীর - ১৫-১৬]

সূরা তাকভীরের পরবর্তী সূরাতেও ব্ল্যাক হোলের ধারণা দেয়া হয়েছে।

إِذَا السَّمَاءُ انْفَطَرَتْ * وَإِذَا الْكَوَاكِبُ انْتَثَرَتْ

"যখন আকাশ বিদীর্ণ হবে, এবং নক্ষত্রসমূহ ঝরে পড়বে।" [সূরা ৮২/ইনফিতার - ১-২]

অর্থাৎ, আকাশ বিদীর্ণ হওয়া মানে আকাশের মধ্যে অসংখ্য ব্ল্যাক হোল সৃষ্টি হওয়া, এবং নক্ষত্রসমূহ সেখানে গিয়ে পড়ে যাওয়া।

এভাবে কোর'আনের অসংখ্য আয়াত থেকে আমরা ব্ল্যাক হোলের ধরনা পেয়েছি, যদিও এই ব্ল্যাক হোলকে আমরা প্রথম গতকাল দেখতে পেয়েছি।এই প্রথমবারের মতো মহাকাশ বিজ্ঞানীরা একটি কৃষ্ণগহ্বর বা ব্ল্যাক হোলের ছবি তুলতে সক্ষম হয়েছেন। যা মহাকাশ বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে একটা বড় ঘটনা।

অনেকেরই হয়তো এই নামটির সঙ্গে নতুন পরিচয় ঘটছে। তাই জেনে নেওয়া যাক ‘ব্ল্যাক হোল’ বা ‘কৃষ্ণগহ্বর’ কি?

‘ব্ল্যাক হোল’ বা ‘কৃষ্ণগহ্বর’ হচ্ছে মহাকাশের এমন একটি অংশ যার মাধ্যাকর্ষণ শক্তি এতই প্রখর যে তার হাত থেকে কোন কিছুই - পালাতে পারে না, এমনকি আলোর রশ্মিও।

এর নাম গহ্বর বলা হলেও আসলে এটা ফাঁকা নয়। বরং এর ভেতরে খুব ছোট একটি জায়গায় বিপুল পরিমাণ পদার্থ জমাট বেঁধে আছে। তার ফলেই এর মহাকর্ষ শক্তি এত জোরালো।


ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটি বৃত্তাকার কালো আভার চারদিকে এক উজ্জ্বল আগুনের বলয়। এ্যান্টার্কটিকা, স্পেন ও চিলির মতো পৃথিবীর নানা প্রান্তে বসানো আটটি রেডিও টেলিস্কোপের এক নেটওয়ার্ক দিয়ে এই ছবি তোলা সম্ভব হয়।

এর আগে কোন ব্ল্যাক হোলের ছবি তোলা যায় নি। কারণ একক কোন টেলিস্কোপের এর ছবি তোলার ক্ষমতা নেই।

এমএইটসেভেন নামে একটি বহুদূরবর্তী গ্যালাক্সি বা ছায়াপথের মধ্যে এটি পাওয়া গেছে।

পৃথিবী থেকে এই ব্ল্যাক হোল ৫০ কোটি ট্রিলিয়ন কিলোমিটার দূরে, এবং এটার ভর (এর মধ্যেকার পদার্থের পরিমাণ) সূর্যের চাইতে ৬৫০ কোটি গুণ বেশি।

ব্ল্যাক হোলটি এতই বড় যে এটাকে একটা ‘দানব’ বলে বর্ণনা করছেন বিজ্ঞানীরা। এর উজ্জ্বলতা ওই ছায়াপথের সব তারা মিলে যত ঔজ্জ্বল্য হবে তার চাইতেও বেশি।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, দানবাকৃতির এই ব্ল্যাক হোল পৃথিবী যে সৌরজগতের অংশ - তার চাইতেও বড়। এ মাথা থেকে ওমাথা পর্যন্ত এর আয়তন ৪ হাজার কোটি কিলোমিটার - যা পৃথিবীর চাইতে ৩০ লক্ষ গুণ বড়।

‘এ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল লেটার্স’-এ এই আবিষ্কারের বিস্তারিত প্রকাশ করা হয়েছে। মহাকাশবিজ্ঞানীদের মতে ‘ব্ল্যাক হোল’ সম্পর্কে মানুষের বোধ বাড়াতে সাহায্য করবে এই ছবি।

এই পোষ্টটি আহমদ মূসা ও Omor faruque saimom এর পোষ্ট ও কম্মেন্ট থেকে সংগৃহীত।

08/05/2019

ইফতারের পর ক্লান্তি দূর করতে মনে রাখুন ছোট্ট ৫টি টিপস

সারাদিন এতো লম্বা সময়ের রোজা রাখার পর ইফতার শেষে একেবারেই গা এলিয়ে পড়ে। রাজ্যের ক্লান্তি এসে ভর করে দেহে। ইফতারের পর থেকে রাতের খাবারের সময়টুকু যেনো এক নিমেষেই ফুরিয়ে যায় এই ক্লান্তির জন্য। অন্য কিছু করার উপায়ই থাকে না। যাদের বাধ্য হয়ে কাজ চালিয়ে যেতে হয় তারা খুব ভালোই বোঝেন এই যন্ত্রণাটা। তবে খুব সহজেই ইফতারের পরের এই ক্লান্তি দূরে রাখতে পারবেন। অবাক হচ্ছেন? ইফতারের পর দেহে এনার্জি পাওয়ার দারুণ কিছু কৌশল জেনে নিন আজকে।

(১) একসাথে একগাদা খাবার খাবেন না
ইফতারের পর খুব বেশি ক্লান্ত বোধ করার অন্যতম কারণ হচ্ছে ইফতারে একগাদা খেয়ে পেট ভারী করে ফেলা। এই কাজটি করবেন না। এতে দেহ একেবারেই ভেঙে পড়ে। অল্প করে খান, একটু পর পর খান। দেখবেন দেহে আগের মতো ক্লান্তি বোধ হচ্ছে না।

(২) প্রচুর পানি পান করুন
দেহে ক্লান্তি ভর করার আরেকটি বড় কারণ হচ্ছে দেহ পানিশূন্য হয়ে পড়া। ইফতারে সকলেই ভাজাপোড়া ও ভারী খাবার খেয়ে একেবারেই গা এলিয়ে দিয়ে পড়েন। সারাদিন শেষে প্রথমেই প্রচুর পানি পান করা প্রয়োজন। এবং ইফতারের ভাজাপোড়া কমিয়ে পানীয় এবং ফলমূল বেশি রাখুন, দেখবেন ক্লান্তি উবে গিয়েছে।

(৩) চা/কফি
সারাদিন শেষে একটু চা/কফি পান করে নিতে পারেন দেহের ক্লান্তি দূর করার জন্য। কারণ ক্যাফেইন বরাবরই আপনাকে সজাগ রাখে। তবে লক্ষ্য রাখবেন চা/কফি যেনো কড়া না হয়ে যায় এবং অবশ্যই পরিমাণে অল্প হয়।

(৪) বাইরে একটু হেঁটে আসুন
ইফতারের পর সকলেই খাবার খেয়ে বিছানায় ধপাস হতে পারলেই বাঁচেন। কিন্তু এতে ক্লান্তি বাড়েই, কমে না। এর চাইতে ইফতারের পর একটু বাইরে হেঁটে আসুন, অন্তত মিনিট দশেকের জন্য। এতে তাজা হওয়ায় অনেকটাই ক্লান্তি দূর হবে, সেই সাথে খাবার হজমও ভালো করেই হবে।

(৫) নামাজ পড়ুন
নামাজ হচ্ছে সবচাইতে ভালো ব্যায়াম। ইফতারের পর ক্লান্তি দূর করার খুব ভালো উপায় হচ্ছে নামাজ পড়ে নেয়া। যারা ইফতারে খেজুর মুখে দিয়ে নামাজ পড়ে নেন তারা অন্যান্যদের তুলনায় কম ক্লান্ত থাকেন। যদি এই কাজটিও না করেন তাহলে ইফতার শেষেই নামাজ পড়ে নিন। ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে।

সূত্র: tallypress

24/04/2019

পৃথিবীতে ভূমিকম্প হলে সেটাকে বলা হয় 'আর্থকোয়াক'; আর সেই একই ভূমিকম্প যদি হয় মঙ্গলের ভূমিতে?

হ্যাঁ, সেটা 'মার্সকোয়াক'!

আর্থকোয়াক এর ভয়ংকর শক্তি সম্পর্কে আমরা জানি; কিন্তু, পৃথিবীতে বসে তো আর মার্সকোয়াক এর শক্তি বোঝার বা দেখার কোন উপায় নেই- তাই নাসার পাঠানো মঙ্গলে ঘুরে বেড়ানো 'ইনসাইট' এর ল্যান্ডারে থাকা সিস (সিসমিক এক্সপেরিমেন্ট ফর ইন্টিরিয়র স্ট্রাকচার) এর রেকর্ড করে পাঠানো 'মার্সকোয়াক' এর আওয়াজ শুনতে পারেন এই পৃথিবীতে বসেই!

শুনেই দেখুন না কতো ভয়াবহ এবং চমৎকার সঙ্গীতময় সেই মার্সকোয়াক!
শুনুন গত ১৪ মার্চ, ৬ এপ্রিল, ১০ এপ্রিল এবং ১১ এপ্রিলে মঙ্গলের ভূমিতে হওয়া মার্সকোয়াক এর ধারণকৃত শব্দের আওয়াজ।

HSC ICT বিষয়ক বিষয়ের ছয়টি অধ্যায়ের মধ্যে প্রথমটি বাদ দিয়ে পরবর্তী পাঁচটি অধ্যায়ের টপিকস এর উপর বিশেষ ভাবে তৈরি করা...
22/04/2019

HSC ICT বিষয়ক বিষয়ের ছয়টি অধ্যায়ের মধ্যে প্রথমটি বাদ দিয়ে পরবর্তী পাঁচটি অধ্যায়ের টপিকস এর উপর বিশেষ ভাবে তৈরি করা নোট রয়েছে এই অ্যাপটির ভিতর (HSC ICT)। অ্যাপটি অফলাইনেও ব্যবহার করা যাবে। তবে কিছু কিছু স্থানের বা বিষয়ের ছবি গুলো দেখার জন্য ইন্টারনেট কানেকশন প্রয়োজন পড়বে। একবার ইন্টারনেট কানেকশন চালু করে অ্র্যাপটির প্রতিটি অধ্যায় একবার করে পড়লে পরবর্তীতে অফলাইন এ ও ছবি দেখতে পারবেন। সর্বপরী ব্যবহারকারীদের সুবিধার কথা চিন্তা কর অ্যাপটি লাইট রাখা হয়েছে। অ্যাপটি বিনামূল্যে ইনস্টল করে ব্যবহার করতে পারবেন আমাদের শিক্ষামূলক অ্যাপগুলোতে কোন প্রো ভার্সন নেই। ব্যবহারকারীদের সুবিধার জন্য অ্যাপটি এমনভাবে তৈরি করা হয়েছে যে যে কোন এন্ড্রোয়েড ফোন ব্যবহারকারী এই অ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন। এটি সাইজ এ মাত্র ২ মেগাবাইট। মুহুর্তের মধ্যেই ডাউনলোড করে ব্যবহার করতে পারবেন। (HSC ICT)
আশাকরছি, অ্যাপটি আপনাদের এতটুকু হলেও উপকারে আসবে। এবং ভালো একটি রেজাল্ট ও আইটি সম্পর্কে জ্ঞান অর্জন করার পথে ক্ষুদ্র হলেও আপনাদের সাথে থাকতে পারব। ধন্যবাদ
link: https://teachingbd24.com/nctb-book-download/

Address

34, Sankipara
Mymensingh
২২০০

Telephone

01742266986

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when উদয় একাডেমি এন্ড বয়েজ হোস্টেল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category