Thrive & Hea-16

Thrive & Hea-16 Rangamati is the haven of beauty. Most exotic natural place in Bangladesh. 1000-2000

12/10/2025
মোগলদের কাছ থেকে বৃটিশরা বাংলা দখল করার আগ পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম বলতে কিছুই ছিল না। পুরোটা ছিল একটাই, চট্টগ্রাম। পু...
01/10/2025

মোগলদের কাছ থেকে বৃটিশরা বাংলা দখল করার আগ পর্যন্ত পার্বত্য চট্টগ্রাম বলতে কিছুই ছিল না। পুরোটা ছিল একটাই, চট্টগ্রাম।
পুরা চট্টগ্রামটাই আসলে পাহাড়। বর্তমান দাঁড়িয়ে থাকা চট্টগ্রাম শহরটাও পাহাড়ী অঞ্চল।

চট্টগ্রাম বৃটিশদের দখলে আসার পর তারা চট্টগ্রামের একটা অংশকে 'Chittagong Hill Tracks' বা 'পার্বত্য চট্টগ্রাম' নাম দিয়ে আলাদা একটা জেলা করার সিদ্ধান্ত নেয়।

১৮৬০ সালে তারা চট্টগ্রামের এই অংশটাকে চট্টগ্রাম থেকে আলাদা করে ফেলে।
আলাদা করার পর তারা এর নাম দেয় 'Chittagong Hill Tracts District' বা 'পার্বত্য চট্টগ্রাম জেলা'।

তখনো পর্যন্ত সেখানে প্রচুর চিটাইঙ্গারা বসবাস করতো।
চট্টগ্রাম থেকে আলাদা করা এই জেলাকে বৃটিশরা স্পেশাল এডমিনিস্ট্রেটিভ এরিয়া বা বিশেষ প্রশাসনিক এলাকা হিসেবে আইন করলো।

তারপর সেখানে বাঙালীদের প্রবেশ, বসবাস এবং চাষাবাদকে নিষিদ্ধ করলো।
ট্রাইবাল লোকজনদের ধরে তাদের থেকে নেতা নির্বাচন করে হেডম্যান, কারবারী এসব বানিয়ে দিল। এরাই হয়ে গেল একেকটা এলাকার প্রশাসনিক প্রধান।

এতদিন পর্যন্ত সেখানে ব্যবসা করা বাঙালী, চিটাইঙ্গারা দেখলো তাদের ঘরবাড়ী, জায়গাজমি দখল হয়ে গেল।
তাদের বাড়ীতে, জমিতে কাজ করা লোকজনকে নেতা বানিয়ে দিল বৃটিশরা।
যাদেরকে বানানো হয়েছে, তাদের নিজেদেরও কোনো আগ্রহ নাই।

ডিভাইড এন্ড রুল পলিসি অনুযায়ী এতদিন একসাথে বসবাস করা আলাদা জাতিগোষ্ঠীর মধ্যে ঝামেলা লাগিয়ে দিল।

কাউকে দিয়ে দখল করালো বাঙালীদের জমি। ট্রাইবাল না হলে কৃষকদের প্রবেশে বাধা দিতে লাগলো বৃটিশরাই।
বাড়ীতে হামলা করাতো রাত বিরাতে, আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেয়া হতো।
বৃটিশদের কাছে গেলে তার বলতো- দূর্গম ও সন্ত্রাস প্রবণ এলাকা, ওখানে থাকার দরকার নাই।

বাঙালীরা দেখলো, এখানে থাকা যাবে না। অনেকেই চিটাগং থেকে সেপারেট হওয়া পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে অপার্বত্য চট্রগ্রামের দিকে চলে এলো। অনেকে চলে এসে নতুন জেলার সীমানা ঘেঁষে বসবাস শুরু করলো, যেগুলো এখন সাতকানিয়া, ফটিকছড়ি, চকরিয়া।

বৃটিশরা অনানুষ্ঠানিকভাবে ১৮৬০ সাল থেকে পার্বত্য অঞ্চলে নন ট্রাইবাল হিন্দু এবং মুসলমানদের পার্বত্য অঞ্চল থেকে তাড়ানো শুরু করলো।
অথচ নিজেদের জেলা, নিজেদের বাপদাদার ঘরবাড়ী, জমি, ভিটে।

তাদের ব্যবসাতে মজুর খাটা, জমিতে কামলা দেয়া, বাড়ীতে কাজ করা লোকজন হয়ে গেল জমিদার শ্রেণী।
বাঙালী বা চিটাইঙ্গাদের কাছ থেকে দখল করে সেগুলো দেয়া হতো ট্রাইবাল হেডম্যান, কারবারীদের।

এভাবে ৪০ বছরে পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে মোটামুটি বাঙালী শূণ্য করে ফেলা হলো।
অনেক কৃষকরা তখন নতুন হওয়া জেলায় না থেকে, জেলার বাইরে এসে সীমান্ত ঘেঁষে বসবাস করতো আর নতুন অঞ্চলে থাকা নিজেদের জমিতে গিয়ে চাষাবাদ করতো।

কিন্তু বসবাসের সংখ্যা প্রচুর পরিমাণে হ্রাস পায়।

এরপর ১৯০০ সালে বৃটিশরা 'পার্বত্য আইন ১৯০০' পাশ করে।
যে আইনের মাধ্যমে পার্বত্য চট্টগ্রামে বাঙালীদের প্রবেশ আইন করে কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়।
নন ট্রাইবাল তথা বাঙালী বা চিটাইঙ্গাদের প্রবেশ, ব্যবসা, চাষাবাদ, জমি কেনা কিংবা জমির মালিক হওয়ার অধিকার হরণ করা হয়।

এর মাধ্যমে কার্যত পার্বত্য চট্টগ্রামকে পুরোপুরি বাঙালী শূণ্য করে ফেলা হয়।

ডিসিকে এই অঞ্চলের প্রশাসনিক প্রধান করে এবং হেডম্যান ও কারবারীদের জমিজমা সহ যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা দিয়ে এই আইন পাশ করা হয়।
হেডম্যানদেরকে আইনগতভাবে খাজনা আদায়ের পাওয়ার দেয়া হয়।
ডিসিকে স্পেশাল পাওয়ারও দেয়া হয়।

এই পার্বত্য আইন ১৯০০ এর ফলে বাঙালীরা হয়ে পড়ে আউটসাইডার।
যাদের প্রবেশাধিকার পর্যন্ত নিষিদ্ধ হয়ে পড়ে। জমিজমার মালিকানা হারিয়ে ফেলে।
কিন্তু দূরের অন্যান্য অঞ্চল থেকে মঙ্গোলয়েড জাতিগোষ্ঠীর আগমন এবং বসতি গড়া অব্যাহত থাকলো।

এভাবে বৃটিশরা পার্বত্য চট্টগ্রামকে বাংলাদেশের ভেতরেই আলাদা অঞ্চল বানিয়ে ফেলে।

বৃটিশরা চলে গেলেও এই আইন এখনো বলবৎ আছে।
এই আইনের কারণেই আপনি চাইলেও পাহাড়ে কোনো জমি কিনতে পারেন না।
ওটা বাংলাদেশের ভেতরেই আলাদা একটা দেশ।

#পার্বত্য #চট্টগ্রাম #পাহাড়

আমি স্বীকার করি, পার্বত্য চট্টগ্রামে ন্যায় বিচার নাই। ওখানে ন্যায় বিচার মরে গেছে ১৯৮৪ সালের ৩১শে মে। সেদিন ছিল শাবান মাস...
30/09/2025

আমি স্বীকার করি, পার্বত্য চট্টগ্রামে ন্যায় বিচার নাই। ওখানে ন্যায় বিচার মরে গেছে ১৯৮৪ সালের ৩১শে মে। সেদিন ছিল শাবান মাসের শেষ দিন। রাত পোহাইলেই পহেলা রমজান।

সেহেরীতে খাওয়া-দাওয়া সেরে সেদিন ফজরের অপেক্ষায় রাঙামাটি জেলার বরকল উপজেলার ভূষণছড়া গ্রামের লোকজন। তবে মুয়াজ্জিনের সুললিত কন্ঠ নয়; শেষরাতের নিরবতা ভেঙে পাওয়া গেল প্রথম গুলিটার আওয়াজ। ঘড়িতে সময় তখন ঠিক ভোর চারটা।

কর্কশ সেই আওয়াজে দৌড়ে বেরিয়ে এলেন জারুলছড়ি বিডিআর ক্যাম্পের কয়েকজন সৈনিক। উড়ে গেছে চোখের ঘুম ঘুম ভাব; হাতে প্রস্তুত চায়নিজ রাইফেল। প্রশিক্ষিত কানে গুলির দিক চিনতে ভুল হয় নাই। ছুটবেন ওই দিকেই।

কিন্তু বাধা দিলেন ক্যাম্পের কমান্ডিং অফিসার; উপর মহলের আদেশ আসার আগে কোন অ্যাকশন চলবে না। তাই নির্বাক চোখে দেখে গেল ‘সীমান্তের অতন্দ্র প্রহরী’— জ্বলছে ভূষণছড়া। দাউ দাউ করে ছড়িয়ে যাচ্ছে দহনের পয়গাম। থেমে থেমে চলছে গুলি; তবে চীৎকার আর কলিজা ফাটা আর্তনাদের মাঝে কোন বিরাম নাই। বিনা বাঁধায় বাঙালী সিভিলিয়ানদের ওপর চলছে পাহাড়ি-আক্রমণ। চলছে নির্বিচার গণহত্যা। নারী-পুরুষ, বৃদ্ধ, শিশু; এমনকি রেহাই পেল না গোয়ালের গরু-ছাগল পর্যন্ত।

জায়গাটায় প্রথম যে সাংবাদিক পৌঁছান, তিনি বাংলাদেশ অবজারভারের সৈয়দ মুরতজা আলি। খাতা, কলম, আর মিনি রেকর্ডার পলিথিনে মুড়ে, নৌকার পাটাতনে লুকিয়ে রেখে, একটা ছেঁড়া লুঙ্গি গায়ে দিয়ে জেলের ছদ্মবেশে তিনি যখন ভূষণছড়া পৌঁছুলেন, তখন ঘটনার তিন দিন পার হয়ে গেছে। কঠোর নিরাপত্তায় ঘেরাও দিয়ে রাখা হয়েছে গ্রাম। হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন ডিসি, ডিআইজি, জিওসি আর জনকতক ব্রিগেডিয়ার। পূর্ণ মনোযোগের সহিত নিশ্চিত করা হচ্ছে— ভূষণছড়া গ্রাম থেকে কেউ যেন বের হতে না পারে। চলছে কঠোর নজরদারি। পাছে ঘটনা আবার ফাঁস হয়ে যায়!

দেখলেন সৈয়দ মুরতজা— তিনদিন পরও এদিক-সেদিক ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে অসংখ্য মৃতদেহ। কিছু গণকবরে পুঁতে দেওয়া হয়েছে; আরও নতুন গণকবর খোড়ার জন্য তোড়জোড় চলমান। বাকি লাশ কুকুর-শেয়ালে জঙ্গলে টেনে নিয়ে গেছে। আসার পথে নদীতে ভাসতেও দেখেছেন বেশ অনেকগুলো। ওগুলার কোন হিসাব নাই।

তবে কেবল ওইটুকুই নয়। চাকমাদের নৃশংসতা দেখে হতভম্ব হয়ে গেলেন একাত্তুরের পোড়-খাওয়া সাংবাদিক। লিখতে গিয়ে কোন ভাষা খুঁজে পাইলেন না। তাই Massacre at Dawn শিরোনামের রিপোর্টটা শুরু করলেন সিম্পল বর্ণনায়—

“The beheaded body of a young woman, Rizia Khatun, was found lying at Poabari para of Bhushanchara settlement, with her dead child in the position of suckling her bosom. Both hands of yet another baby were found severed. Yet another infant was seen cut by half. A seven day old boy was bayoneted to death in front of his parents…”
(ভূষণছড়া গ্রামের তরুণী রিজিয়া খাতুনের মস্তকহীন দেহটা পাওয়া গেল পোয়াবাড়ি পাড়ায়। কোলে থাকা তার শিশু সন্তানটিও মৃত; তখনও কামড়ে ধরে আছে মায়ের স্তন। আরেকটি বাচ্চার দুই হাত কে টে নেওয়া হয়েছে। দুই টুকরা করে ফেলা হয়েছে আরও এক শিশু। সাত দিনের এক বাচ্চাকে বেয়নেট দিয়ে খুঁচিয়ে মারা হয়েছে পিতা-মাতার সামনে…”

ঠিক কতজন বাঙালী যে সেদিন চাকমা সন্ত্রাসীদের হাতে খু ন হয়, তার কোন হিসাব আজ পর্যন্ত নাই। নাম-পরিচয় সহ ৩৭০ জনের একটা তালিকা আছে। তবে সেই রিপোর্টে গবেষক আতিকুর রহমান পরিষ্কার করে বলে গেছেন— তালিকা অসমাপ্ত।

বাংলাদেশ ইকোনোমিস্ট-এ ১৯৮৪ সালের জুলাই মাসে প্রকাশিত প্রতিবেদনে সাংবাদিক মইনুদ্দিন নাসের বলেন, মৃতের সংখ্যা কম করে হলেও চার শতাধিক। অনেক বডি চাকমারা এমনভাবে বিকৃত করেছে যা আর ‘আইডেন্টিফিকেশন’ এর উপযুক্ত নাই। অনেক দে হ আগুনে জ্বলে ভষ্ম হয়ে গেছে। আবার বন্য প্রাণী টেনে নিয়ে গেছে বেশ কিছু। তিন শতাধিক পরিবার কাউকে না কাউকে হারিয়েছে। আর এদের মাঝে একশরও বেশি পরিবার পুরোপুরি নিশ্চিহ্ন।

চাকমারা বাঙালীদের ওপর গণহত্যা চালিয়েছিল ভোর চারটা থেকে সকাল সাড়ে আটটা পর্যন্ত। স্বাধীন বাংলাদেশে এর সমতূল্য, বা এর অর্ধেক, কিংবা এমনকি সিকিভাগ হত্যাযজ্ঞও আর কখনও হয় নাই। এই ঘটনার জন্য আজতক কারও কোন বিচার হয় নাই। পুলিশ মামলাই নেয় নাই!

ওইদিন থেকে পার্বত্য চট্টগ্রামে ন্যায় বিচার মরে গেছে। আর ন্যায় বিচারের কবর হয়ে গেছে ২০০১ সালে, যেইদিন বিএনপির টিকেট নিয়ে এমপি হয়েছে মণি স্বপন দেওয়ান চাকমা। হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী।

এই সেই মণি স্বপন, ওরফে শান্তিবাহিনীর “মেজর” রাজেশ, যার প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে এই গণহত্যা চালানো হয়েছিল। হাতে রাইফেল নিয়ে নিজে হাজির ছিল সেথায়। প্রতিটা নিউজ, রিপোর্ট আর আর্টিকেল এই একটা বিষয়ে একমত— আক্রমণের ফিল্ড-কমান্ডার ছিল মণি স্বপন। কারও কারও বর্ণনা মোতাবেক, গণহত্যা শুরু করার সিগনাল ওই প্রথম গুলিটি ছিল তারই চালানো।

সেই মণি স্বপন এখনও জীবিত। রাজনীতির মাঠে পূর্ণ সক্রিয়। এই কয়েক মাস আগেও রাঙামাটি বিএনপির সমাবেশে গলার রগ ফুলিয়ে বক্তব্য দিয়েছে। ভূষণছড়ার ঘটনা জানতে চাইলে সে মিটিমিটি হাসে। লাজুক মুখে জবাব দেয়, “নো কমেন্ট। অনেকদিন আগের কথা তো।”

কিছুদিন পরপর আমি মণি স্বপনের খোঁজ রাখি। দেখি, পহেলা রমজানে মুসলিমদের ওপর গণহত্যা চালানো ভয়ংকর খুনিটা বাংলার মাটিতে দিব্যি সুখে আছে। ইসলামকে কটাক্ষ করে বৌদ্ধ ধর্মসভায় বক্তব্য দিতেছে— মদের চেয়েও নাকি ধর্মের নেশা ভয়ংকর।

আরও দেখি, ওই রাতে পরিবারের ৭ জনকে হারানো এক বাঙালি জানতে চাইতেছেন, তাকে পাঁচ হাজার টাকা আর এক বস্তা চাউল দেওয়া হইছে। এইটাই জীবনের মূল্য কী না?

জিজ্ঞেস করেন ওই রাতে পরিবারের সবাইকে হারিয়ে একা আব্দুল হাই— খুনীরা শান্তিচুক্তির পর জমি, রেশন, বেতন আর ব্যাংকঋণ পাইল। কিন্তু তার ভাই-বোনদের গণকবরটা সংরক্ষণের জন্য একটা বেড়া পর্যন্ত দিতে দেওয়া হইল না কেন?

বলেন মুহাম্মদ নিজামুদ্দিন, সে রাতে তার গর্ভবতি স্ত্রীর পেট চিরে সন্তান বের করে আনছিল শান্তিবাহিনীর লোকজন। তারপর তার ঘরে আগুন দিয়ে সেখানে তার স্ত্রী ও তিন সন্তানকে ফেলে দেওয়া হয়। পুড়ে তাদের দেহ দলা পাকায়ে গেছিল। ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তাই পৃথক কবর দেওয়া সম্ভব হয় নাই। যখনই ব্যাপারটা স্মরণ হয়, তার মন অশান্ত হয়ে যায়।

শুনে আমার অস্থির অস্থির লাগে। আমিও শান্তি পাই না। তাই আমি পাহাড়িদের সাথে করা শেখ হাসিনার ‘শান্তিচুক্তি’ ঘৃণা করি।

কিসের শান্তি?

মণি স্বপন চাকমাদেরকে ঝু লতে দেখার আগ পর্যন্ত আমার কোন শান্তি নাই।

15/09/2025

আমি জঙ্গলে ঢুকেছি বনমোরগ শিকারে। হঠাৎ দেখলাম যেখানে দাঁড়িয়ে আছি আর কিছু দূরেই পাহাড় থেকে একটি বাঘ নেমে আমার দিকে.....

15/09/2025

বাঘ শিকারে গিয়ে ৭৫ বছর আগে অভাবনীয় দৃশ্যের মুখোমুখি হয়েছিলেন বন কর্মকর্তা ইউসুফ এস আহমেদ। যিনি বাংলাদেশ স্বাধীন ...

এই যে আপনাকেই বলছি,রাঙামাটিতে ভ্রমণ পরিকল্পনা করছেন? কিন্তু কোথায় থাকবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় আছেন? চিন্তার কিছু নেই!রাঙামাট...
01/08/2025

এই যে আপনাকেই বলছি,
রাঙামাটিতে ভ্রমণ পরিকল্পনা করছেন? কিন্তু কোথায় থাকবেন, তা নিয়ে দ্বিধায় আছেন? চিন্তার কিছু নেই!
রাঙামাটির সেরা হোটেল ও রিসোর্টগুলোর বিস্তারিত তালিকা, রুম ভাড়া, সুবিধা ও যোগাযোগ নাম্বারসহ নিচে সাজিয়ে দেওয়া হলো –

🔷 The Grand Hill Taj, Rangamati
🏝️ প্রাচীন ধাঁচের ঝকঝকে সাদা রিসোর্টটি কাপ্তাই লেকের দ্বীপে।
💸 ভাড়া: টেন্ট ২০০০–৮০০০৳, কাপল রুম ২৫০০–৩০০০৳, VIP রুম ৭০০০–৮০০০৳
🛎️ সুবিধা: ইনফিনিটি পুল, ফ্রি Wi-Fi, কমপ্লিমেন্টারি ব্রেকফাস্ট, ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ ও পানি
📞 যোগাযোগ: 01581495115 / 01890331021 / 01600343694
🌐 Website: The Grand Hill Taj

🔷 Polwel Park & Cottage, Rangamati
🏞️ পার্কের ভেতরে মনোরম পরিবেশে কটেজ
💸 ভাড়া: ৪০০০–১০০০০৳ (VIP স্যুইট, ফ্যামিলি ও হানিমুন কটেজ)
🛎️ সুবিধা: সুইমিংপুল, কায়াকিং, জেট স্কিইং, ব্রেকফাস্ট, নিরাপত্তা
📞 যোগাযোগ: 01877725540 / 01877725541
🌐 Website: Polwel Park & Cottage

🔷 Aranyak Holiday Resort
💸 ভাড়া: ৫০০০–১০০০০৳
🛎️ সুবিধা: ফ্রি Wi-Fi, ব্রেকফাস্ট, আউটডোর পুল, বোটিং, নিরাপত্তা
📞 যোগাযোগ: 01769-312021

🔷 Parjatan Holiday Complex
💸 ভাড়া: ১৬০০–৬০০০৳ (AC/Non-AC রুম), কটেজ ১৬০০–৩০০০৳, ডরম ৪০০৳
🛎️ সুবিধা: ব্রেকফাস্ট, লন্ড্রি, পেট ফ্রেন্ডলি, নিরাপত্তা
📞 যোগাযোগ: 0351-63126 / 0244826527
🌐 Website: Parjatan Complex

🔷 Hotel Jum Palace
💸 ভাড়া: ১৭০০–৪৫০০৳
🛎️ সুবিধা: হাইস্পিড Wi-Fi, রুম সার্ভিস, নিরাপত্তা
📞 যোগাযোগ: 0351-61878 / 01625-100000
🌐 Website: Hotel Jum Palace

🔷 Dingi Homestay
💸 ভাড়া: রুম ২০০০–৩০০০৳, পুরো ভিলা ৫০০০৳, শেয়ার রুম ৫০০৳
🛎️ সুবিধা: এয়ার কায়াক, পোর্টেবল পুল, পিক-ড্রপ সার্ভিস
📞 যোগাযোগ: 01832-796797

🔷 Hotel Crown Plaza
💸 ভাড়া: ৫০০–১৫০০৳
🛎️ সুবিধা: ফ্রি Wi-Fi, নিজস্ব রেস্টুরেন্ট, ডক্টর অন কল
📞 যোগাযোগ: 01877-711011 / 01720-234995

🔷 Hotel Diamond
💸 ভাড়া: ৩০০–১৬০০৳
🛎️ সুবিধা: হাইস্পিড Wi-Fi, নিরাপত্তা
📞 যোগাযোগ: 01874-401100 / 01813-329067

🔷 Hotel Hill Palace
📍 বাইতুশ শরফ মার্কেট
💸 ভাড়া: ৬৫০–৩৬০০৳

🔷 Hotel Prince
💸 ভাড়া: ১২০০–২৪০০৳
🛎️ সুবিধা: রেস্তোরা, কনফারেন্স হল
📞 যোগাযোগ: 0351-61602 / 01775-196664 / 01931-070868

🔷 Hotel Shanghai International
💸 ভাড়া: ১০০০–৩০০০৳
🛎️ সুবিধা: সুইট রুম, গরম পানি
📞 যোগাযোগ: 0351-61402 / 01730-195778

🔷 Hotel Greenhill (Residential)
💸 ভাড়া: ২৫০–১৪০০৳
📞 যোগাযোগ: 01833-360333

🔷 Hotel Sufia International
💸 ভাড়া: ৫০০–৪০০০৳
🛎️ সুবিধা: পেট ফ্রেন্ডলি, লন্ড্রি সার্ভিস
📞 যোগাযোগ: 01935-147138 / 01975-251846

🔷 Hotel Nadisa International
💸 ভাড়া: ৫৫০–১৬০০৳
📞 যোগাযোগ: 01737-4535445

🔷 Hotel Green Castle
💸 ভাড়া: ৭০০–৩২০০৳
🛎️ সুবিধা: Economy Dorm, Family Room
📞 যোগাযোগ: 01740-577061

✳️ রাঙামাটি ভ্রমণে হোটেল খুঁজতে এই পোস্টটি শেয়ার করুন বন্ধুদের সঙ্গে!
📌 আপনার পছন্দের হোটেলটি কমেন্টে জানিয়ে দিন।

🔖

Address

Tobalchori
Rangamati
4500

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Thrive & Hea-16 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Thrive & Hea-16:

Share

Category