09/07/2026
বড়জোড়া ট্যুরিজম
বড়জোড়া থেকে ২ দিনের পরিবার নিয়ে ভ্রমণ পরিকল্পনা (রুট ও দূরত্ব অনুযায়ী)
🌿 প্রথম দিন (বড়জোড়া → দুর্গাপুর দিক)
১. দুর্গাপুর ব্যারেজ – প্রায় ১৮ কিমি
সকালের মনোরম পরিবেশ, নদীর সৌন্দর্য ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য আদর্শ।
২. মা মহামায়া মন্দির, সাহারজোড়া – ব্যারেজ থেকে প্রায় ১২ কিমি
শান্ত পরিবেশে পূজা ও দর্শনের জন্য জনপ্রিয় স্থান।
৩. জগন্নাথপুর শিব মন্দির – সাহারজোড়া থেকে প্রায় ৮ কিমি
প্রাচীন শিবমন্দির, ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে।
৪. শীতলা শিব মন্দির – জগন্নাথপুর থেকে প্রায় ৬ কিমি
স্থানীয়দের কাছে অত্যন্ত পরিচিত একটি দর্শনীয় মন্দির।
রাত্রিযাপন: বড়জোড়া বা দুর্গাপুর বা বেলিয়াতোড়
🌳 দ্বিতীয় দিন (বড়জোড়া → বেলিয়াতোড় ও আশপাশ)
১. মালিয়াড়া রাজবাড়ি ও রাসমঞ্চ – বড়জোড়া থেকে প্রায় ১২ কিমি
ঐতিহ্যবাহী রাজবাড়ি ও প্রাচীন রাসমঞ্চ ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য আকর্ষণীয়।
২. শক্তিপদ রাজগুরুর বাড়ি, গোপবান্দি – মালিয়াড়া থেকে প্রায় ৮ কিমি
বাংলা সাহিত্যের অন্যতম প্রখ্যাত লেখকের স্মৃতিবিজড়িত স্থান।
৩. বেলিয়াতোড় সাউলিয়া জঙ্গল – গোপবান্দি থেকে প্রায় ১০ কিমি
সবুজে ঘেরা নিরিবিলি পরিবেশ, প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য উপযুক্ত।
৪. যামিনী রায়ের বাড়ি – বেলিয়াতোড় বাজারের কাছে
বিশ্ববিখ্যাত শিল্পী যামিনী রায়ের জন্মস্থান।
৫. পাবয়া জঙ্গল – বেলিয়াতোড় থেকে প্রায় ১০ কিমি
প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও নির্জন পরিবেশ উপভোগের জন্য সুন্দর স্থান।
৬. রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশন – পাবয়া থেকে প্রায় ১২ কিমি
শান্ত, পরিচ্ছন্ন ও আধ্যাত্মিক পরিবেশ।
৭. কোড়োর পাহাড় – রামহরিপুর থেকে প্রায় ১৫ কিমি
ছোট ট্রেকিং ও সূর্যাস্ত দেখার জন্য জনপ্রিয়।
৮. গাংদুয়া ড্যাম – কোড়োর পাহাড় থেকে প্রায় ১০ কিমি
দিনের শেষ গন্তব্য হিসেবে অপূর্ব প্রাকৃতিক দৃশ্য উপভোগ করতে পারেন।
নিচে বড়জোড়া থেকে ২ দিনের পরিবার নিয়ে ঘোরার পরিকল্পনা আরও সুন্দরভাবে সাজানো হলো। (দূরত্বগুলো আনুমানিক।)
🚗 বড়জোড়া থেকে ২ দিনের ভ্রমণ পরিকল্পনা
🌿 প্রথম দিন (দুর্গাপুর – সাহারজোড়া সার্কিট)
মোট ভ্রমণ: প্রায় ৫০–৬০ কিমি
📍 ১. দুর্গাপুর ব্যারেজ — বড়জোড়া থেকে প্রায় ১৮ কিমি
সকালের মনোরম পরিবেশ
দামোদর নদীর সৌন্দর্য
পরিবার নিয়ে সময় কাটানোর আদর্শ জায়গা
⬇️ ১২ কিমি
📍 ২. মা মহামায়া মন্দির, সাহারজোড়া
পূজা ও দর্শনের জন্য জনপ্রিয়
শান্ত ও মনোরম পরিবেশ
⬇️ ৮ কিমি
📍 ৩. জগন্নাথপুর শিব মন্দির
প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিবমন্দির
⬇️ ৬ কিমি
📍 ৪. শীতলা শিব মন্দির
এলাকার অন্যতম পরিচিত ধর্মীয় স্থান
🏨 রাত্রিযাপন: বড়জোড়া বা দুর্গাপুর।
🌳 দ্বিতীয় দিন (মালিয়াড়া – বেলিয়াতোড় – রামহরিপুর সার্কিট)
মোট ভ্রমণ: প্রায় ৭০–৮০ কিমি
📍 ১. মালিয়াড়া রাজবাড়ি ও রাসমঞ্চ — বড়জোড়া থেকে প্রায় ১২ কিমি
ঐতিহাসিক রাজবাড়ি
প্রাচীন রাসমঞ্চ
⬇️ ৮ কিমি
📍 ২. শক্তিপদ রাজগুরুর বাড়ি, গোপবান্দি
সাহিত্যপ্রেমীদের জন্য আকর্ষণীয় স্থান
⬇️ ১০ কিমি
📍 ৩. বেলিয়াতোড় সাউলিয়া জঙ্গল
সবুজে ঘেরা শান্ত পরিবেশ
⬇️ ২ কিমি
📍 ৪. যামিনী রায়ের বাড়ি
বিশ্ববিখ্যাত শিল্পী যামিনী রায়ের জন্মস্থান
⬇️ ১০ কিমি
📍 ৫. পাবয়া জঙ্গল
প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য নিরিবিলি পরিবেশ
⬇️ ১২ কিমি
📍 ৬. রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশন
শান্ত ও আধ্যাত্মিক পরিবেশ
⬇️ ১৫ কিমি
📍 ৭. কোড়োর পাহাড়
ছোট ট্রেকিং ও সূর্যাস্ত দেখার সুন্দর স্থান
⬇️ ১০ কিমি
📍 ৮. গাংদুয়া ড্যাম
মনোরম জলাধার
বিকেলের শেষ গন্তব্য হিসেবে দারুণ
✨ ট্যুরের বিশেষ আকর্ষণ
🌊 দুর্গাপুর ব্যারেজ
🛕 মা মহামায়া মন্দির, জগন্নাথপুর ও শীতলা শিব মন্দির
🏛️ মালিয়াড়া রাজবাড়ি ও রাসমঞ্চ
🎨 যামিনী রায়ের জন্মস্থান
🌳 সাউলিয়া ও পাবয়া জঙ্গল
🕉️ রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশন
⛰️ কোড়োর পাহাড়
💧 গাংদুয়া ড্যাম
এটি এমনভাবে সাজানো হয়েছে যাতে অযথা বারবার একই রাস্তা ফিরে যেতে না হয় এবং পরিবার নিয়ে আরাম করে দুই দিনে সবগুলো জায়গা ঘোরা যায়।
সঙ্গে হাতি বন্য জীব জন্তু করিডোর
🚗 বড়জোড়া থেকে ২ দিনের পরিবার নিয়ে ভ্রমণ পরিকল্পনা
🌿 প্রথম দিন (দুর্গাপুর – সাহারজোড়া সার্কিট)
মোট ভ্রমণ: প্রায় ৫০–৬০ কিমি
📍 দুর্গাপুর ব্যারেজ (প্রায় ১৮ কিমি)
দামোদর নদীর মনোরম দৃশ্য, সূর্যোদয় ও পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানোর আদর্শ স্থান।
⬇️ ১২ কিমি
📍 মা মহামায়া মন্দির, সাহারজোড়া
শান্ত পরিবেশে পূজা ও দর্শনের জন্য জনপ্রিয় তীর্থস্থান।
⬇️ ৮ কিমি
📍 জগন্নাথপুর শিব মন্দির
প্রাচীন ও ঐতিহ্যবাহী শিবমন্দির।
⬇️ ৬ কিমি
📍 শীতল শিব মন্দির
স্থানীয় মানুষের আস্থার অন্যতম ধর্মীয় স্থান।
🏨 রাত্রিযাপন: বড়জোড়া বা দুর্গাপুর।
🌳 দ্বিতীয় দিন (মালিয়াড়া – বেলিয়াতোড় – রামহরিপুর সার্কিট)
মোট ভ্রমণ: প্রায় ৭০–৮০ কিমি
📍 মালিয়াড়া রাজবাড়ি ও রাসমঞ্চ (প্রায় ১২ কিমি)
ঐতিহাসিক রাজবাড়ি ও প্রাচীন রাসমঞ্চ।
⬇️ ৮ কিমি
📍 শক্তিপদ রাজগুরুর বাড়ি, গোপবান্দি
বিশিষ্ট সাহিত্যিকের স্মৃতিবিজড়িত স্থান।
⬇️ ১০ কিমি
📍 বেলিয়াতোড় সাউলিয়া জঙ্গল
ঘন সবুজ বনাঞ্চল, প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য উপযুক্ত।
⬇️ ২ কিমি
📍 যামিনী রায়ের বাড়ি
বিশ্ববিখ্যাত শিল্পী যামিনী রায়ের জন্মস্থান।
⬇️ ১০ কিমি
📍 পাবয়া জঙ্গল
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরপুর নিরিবিলি বনাঞ্চল।
⬇️ ১২ কিমি
📍 রামহরিপুর রামকৃষ্ণ মিশন
শান্ত, পরিচ্ছন্ন ও আধ্যাত্মিক পরিবেশ।
⬇️ ১৫ কিমি
📍 কোড়োর পাহাড়
ছোট ট্রেকিং, প্রকৃতি দর্শন ও সূর্যাস্ত উপভোগের আদর্শ স্থান।
⬇️ ১০ কিমি
📍 গাংদুয়া ড্যাম
জলাধারের মনোরম দৃশ্য ও বিকেলের অবকাশ যাপনের সুন্দর স্থান।
🐘 বিশেষ আকর্ষণ
🌳 হাতির করিডোর (Elephant Corridor): বড়জোড়া, বেলিয়াতোড়, পাবয়া ও সংলগ্ন বনাঞ্চল দিয়ে বন্য হাতির চলাচল হয়। বিশেষ করে সন্ধ্যা ও রাতের সময় সতর্ক থাকা জরুরি।
🦌 বন্যপ্রাণীর আবাস: বনাঞ্চলে শিয়াল, খরগোশ, বনবিড়াল, নানা প্রজাতির পাখি, সরীসৃপসহ বিভিন্ন বন্যপ্রাণী দেখা যেতে পারে। ভাগ্য ভালো থাকলে দূর থেকে হাতির পালও দেখা যেতে পারে।
🌿 প্রাকৃতিক বনভূমি: সাউলিয়া জঙ্গল, পাবয়া জঙ্গল ও আশপাশের সবুজ বনাঞ্চল প্রকৃতিপ্রেমীদের জন্য বিশেষ আকর্ষণ।
📸 ভ্রমণ পরামর্শ: বন্যপ্রাণী দেখলে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রাখুন, বনাঞ্চলে হর্ন ও উচ্চ শব্দ এড়িয়ে চলুন এবং বন দপ্তরের নির্দেশিকা মেনে চলুন।
এই ভ্রমণে ইতিহাস, ধর্মীয় ঐতিহ্য, প্রকৃতি, পাহাড়, জলাধার এবং হাতির করিডোর—সব মিলিয়ে পরিবার নিয়ে দুই দিনের জন্য একটি পরিপূর্ণ অভিজ্ঞতা পাওয়া যাবে।