Ahar Hotel & Restaurant

Ahar Hotel & Restaurant Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Ahar Hotel & Restaurant, Hotel resort, 52/A Sashi Bhusaon Niogi, Garden Lane, Baranagar.

সংগৃহীত এবং পরিমার্জিত : 'রোল-মডেল'বলুন তো, সেরা আত্মসংযমী বাঙালি কে?বিশাল চাটুর মধ্যিখানে ডিম ফেটিয়ে ঢেলে তার ওপর ময়দার...
10/08/2024

সংগৃহীত এবং পরিমার্জিত : 'রোল-মডেল'

বলুন তো, সেরা আত্মসংযমী বাঙালি কে?

বিশাল চাটুর মধ্যিখানে ডিম ফেটিয়ে ঢেলে তার ওপর ময়দার পরোটা আলতো করে রেখে ভাজা হল। তারপর সেই মুচমুচে কিন্তু নরম পরোটার ঠিক মধ্যিখানে চিকেন কাবাব,নুন-লঙ্কা-পেঁয়াজ- ক্যাপসিকাম-মশলা-সস-পাতিলেবুর রস দিয়ে পরোটাটি দক্ষ হাতে মুড়ে নীচের অংশে সাদা কাগজ জড়িয়ে আপনার দিকে বাড়ানো হল। আর পুরো প্রসেসটা দেখে ও শুনে (খুন্তি দিয়ে লোহার চাটুতে ঠং ঠং করে মারার শব্দ) যদি আপনার মুখের ভেতর এক্সট্রা জল চলে না আসে, তবে তার থেকে বড় আত্মসংযমী বাঙালি আর হয় না ?

ঠিক বুঝেছেন, আজ বাঙালির অন্যতম সেরা স্ট্রীটফুড নিয়ে আজকের এই পোস্ট !!

ভাত-ডাল-আলুপোস্ত আর ফুচকার পরেই যে খাদ্যবস্তু বাঙালির রসনা দখল করে রেখেছে তা হল রোল। হলফ করে বলতে পারি রোল না খাওয়া বাঙালি খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। আর হবে নাই বা কেন কোলকাতা ঘরানার রোলের জন্ম যে এই শহরেই, আজ থেকে নব্বই বছর আগে। ধর্মতলার নিজাম হোটেলে চালু হয় কাঠি-রোল। তার আগে কাবাব আর পরোটা আলাদা আলাদা বিক্রি হত। শোনা যায় জনৈক বিদেশী খাওয়ার সময় হাতে তেল যাতে না লাগে তাই কাঁটা-চামচ দিয়ে চেষ্টা করছিল। কিন্তু শেষে নাস্তা করতে গিয়ে নাস্তানাবুদ। তখন হোটেলের বাবুর্চি পরোটার মধ্যে কাবাব মুড়ে তার ওপর মোম-কাগজ জড়িয়ে পরিবেশন করল। শুরু হল বাঙালির খাদ্য-সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ, রোলের জয়যাত্রা!

কাঠি-রোলের শুরুয়াত নিজামে হলেও আপামর কোলকাতাবাসীর রসনা তৃপ্তিকর এগরোলের সূচনা আরও পরে, সত্তরের দশকে। সেই সময় পাড়ায় পাড়ায় এক নতুন ধরনের খাবারের দোকান চালু হল। অস্থায়ী গুমটি, তাতে দু’জন লোক। একজন মস্ত গরম চাটুতে ডিম ফেটিয়ে-পরোটা ভেজে সড়াৎ করে পাশের স্ল্যাবের ওপর ফেলছে আর দ্বিতীয় জন সঙ্গে সঙ্গে তার মধ্যে পেঁয়াজ-লঙ্কা কুঁচি, নুন-মশলা আর দু’রকম সস ঢেলে রোল করে কাগজে মুড়ে কাস্টমারের হাতে দিচ্ছে। রোলের ভেতর চিকেন বা পনীর তখন দেখা যেত না। ওনলি এগরোল। সাথে অবশ্য এগ-চাউমিনও ছিল, তবে তার গল্প অন্য আরেক দিন হবে। আজ শুধুই রোল!

ছোটবেলায় পাড়ার মোড়ে,অনাথদার রোলের দোকানে রোল তৈরি করা দেখা আমার নেশা ছিল! রোল-কারিগর হতে চাইনি কখনও তবু ওরকম ভাবে রোল তৈরি করতে পারা ছিল আমার স্বপ্ন। সে স্বপ্ন পূরণ হয়নি, যদিও বাড়িতে রোল তৈরির সময় গিন্নীর পরোটা আর ডিম ভাজার পরবর্তী কাজটা, মানে ঐ পেঁয়াজ-শসা-সস সহযোগে মুড়ে দেওয়াটা আমিই বেশীরভাগ ক্ষেত্রে করি, তবু সেই পারফেকশন আনতে পারিনি। জানি, আজীবন এই নিয়ে মনে দুঃখ রয়ে যাবে!

চটজলদি খাবার হিসেবে, রাস্তাঘাটে টিফিন হিসেবে, বন্ধু-কলিগদের ছোট্ট ট্রিট দেওয়াতে রোলের জুড়ি মেলা ভার। শুধু এগরোল নয়, পনীর, ফিশ, চিজ, চিকেন, মাটন, এগ-চিকেন, এগ-মাটন, ডাবল এগ-চিকেন,ডাবল এগ-মাটন এমনকি বিভিন্ন রকমের চিকেন- তন্দুরি, বার-বি-কিউ, কিমা, টিকিয়া, চিলি-চিকেন ইত্যাদি প্রভৃতি রকমারি রোলের এখন অভাব নেই! সস আছে তার সাথে দশবারো রকমের!

চলুন, জেনে নিই কোলকাতার কিছু নামজাদা রোলের সুলুকসন্ধান :

অফিস পাড়া, পার্ক স্ট্রীটে এশিয়াটিক সোসাইটির দিক থেকে যাত্রা শুরু করলে পড়বে ' ‘হটকাটি রোল' সবসময় ভীড়, রোলের হরেকরকম ভ্যারাইটি পাবেন এই দোকানে। খেতেও দারুণ। ঐ ফুটপাত ধরে আরও এগোলে পার্ক হোটেল ছাড়িয়ে কারনানি ম্যানসনের পাশেই ‘কুসুম রোল’, যার জন্ম ১৯৭১ সালে।অনেকবার খেয়েছি এদের ডাবল এগ-চিকেন রোল, আমার ফেভারিটদের মধ্যে অন্যতম!

নিউ মার্কেট চত্বরে সেরার সেরা নিজাম তো আছেই। এছাড়া আছে ‘বাদশা’ বার এন্ড রেস্টুরেন্ট। লিন্ডসে স্ট্রিটে, শ্রীলেদার্সের পাশে। এখানে বসে রোল খাওয়া যায়। পুরানো দিনের আসবাব আর নস্ট্যালজিয়ার মাঝে বসে রোলের স্বাদগ্রহণ ; সত্যিই ‘বাদশাহী' আর লাজবাব। এদের ডাবল মাটন রোল, জাস্ট...অপূর্ব!

মল্লিকবাজারে, এ.জে.সি.বোস রোড আর শেক্সপিয়ার সরণীর জাংশনে‘ শের-ই-পাঞ্জাবে’র রোল খায়নি অথচ কলামন্দিরে গেছে, এ ঘটনা বিরল !

দক্ষিণে গড়িয়াহাটে শপিং করতে গিয়ে ‘বেদুইনে’র রোল খাওয়া তো অবশ্য কর্তব্যের মধ্যে পড়ে। এদের ফিশ টিকিয়া রোলের বেশ নাম। এই চত্বরেই কয়েকটি ভাল রোলের দোকান আছে। পরমা , বঙফ্রাই আর ক্যাম্পারী!

এইসব ডাকসাইটে আদি রোল সেন্টারের বাজারে ভাগ বসিয়েছে আমিনিয়া, আরসালান, জিশান, বেহালার হাজি সাহেব (১৯৯৫), সল্টলেক - নিউটাউনের জাব্বর আফগানী (২০১১), রোল ফ্যাক্টরি ; কসবা রাজডাঙার 'ফিস্ট' এরকম বেশ কিছু জায়েন্ট প্লাস নতুন কিছু ফিউশন রোলের জয়েন্ট। খেতে অবশ্যই ভাল, তার থেকেও ভাল এদের প্যাকেজিং! আমিনিয়ার রোল হোম - ডেলিভারি পেলে মনে হয় অতি মূল্যবান কোন জিনিস এসেছে, এত যত্নের প্যাকিং। হাজি সাহেবের রোল অতি উপাদেয়। সুদূর বেহালা গিয়ে তাও খেয়ে এসেছি। খাওয়া হয়নি জাব্বর আফগানীর রোল। শুনেছি সে নাকি রোল নয় রোলের ঠাকুরদা। ইয়াব্বর সাইজ, দৈর্ঘ্যে ও প্রস্থে। একা একজনের পক্ষে খাওয়া অসম্ভব!

তবে, শেষ করার আগে জানিয়ে রাখি রোল খেতে গেলে কতগুলো নিয়ম অবশ্যই পালন করতে হবে। তা নাহলে রোলের স্বাদ খোলতাই হবে না?

* রোলের দোকানের বাইরে দাঁড়িয়ে রোল খেতে হবে। বসে রোল খাওয়া আর জল ছাড়া ফুচকা খাওয়া এক।

* রোলের অর্ডার দিয়ে মোবাইল ঘাঁটা যাবে না। রোল তৈরী দেখতে হবে। আর ভাল হয় যদি চোখ দিয়ে গিলে খাওয়া মার্কা নজর রাখতে পারেন।

* রোল-দাদা বা কাকুকে অযথা তাড়া দেওয়া যাবেনা। তাহলে মুচমুচে অথচ নরম পরোটা পাওয়া মুশকিল।

* স্যালাড-পেঁয়াজ দেওয়ার সময় কাকুকে টম্যাটো ও চিলি সস দিতে একদম বারণ করে দেবেন। শুধু মশালা আর লেবুর রস। নাহলে মিষ্টি সস রোলের স্বাদই পাল্টে দেবে।

* প্লেটে নৈব নৈব চ। রোল সরাসরি হাতে নিতে হবে।

* কাগজের আস্তরণ খোলা একটা শিল্প। ভালো রোলশিল্পী কাগজ জড়ালে সে কাগজ না ছিঁড়েই পুরো রোল খাওয়া সম্ভব। রোল কামড়ে ধরে রেখে হাত দিয়ে আলতো করে কাগজ নীচের দিকে টানলে না ছিঁড়ে বেরিয়ে আসলে সেই রোলশিল্পীর হাতে অবশ্যই চুমু দেওয়া উচিত। আর যদি কাগজ ছিঁড়তেই হয় তবে খাবলে খাবলে নয়, সরু করে পরতে পরতে ছিঁড়তে হবে।

* একাগ্র চিত্তে রোলের স্বাদ উপভোগ করতে হবে। তাড়াহুড়ো নয় ধীরেসুস্থে। সময় নিয়ে রোলের স্বাদ ছড়িয়ে দিতে হবে জিহ্বা থেকে মস্তিস্কে, দেহের প্রতিটি কোষে... তবেই না আপনার মানবজীবন থুড়ি বাঙালীজীবন সার্থক।

আপনার পছন্দের সেরা রোলের দোকান কোনটি ; চাইলে সবাইকে জানাতে পারেন এখানে, তবে সেটা সম্পূর্ণ ভাবে আপনার ইচ্ছাধীন।

সংগৃহীত এবং পরিমার্জিত

Jingle bells, jingle bells, Jingle all the way.... ♥️♥️♥️🎅🎅🎅সবাইকে খ্রীষ্টমাস এর অগ্রিম শুভেচ্ছা..♥️♥️🎅Used :- ভাত, আলু ...
23/12/2021

Jingle bells, jingle bells,
Jingle all the way.... ♥️♥️♥️🎅🎅🎅

সবাইকে খ্রীষ্টমাস এর অগ্রিম শুভেচ্ছা..♥️♥️🎅

Used :- ভাত, আলু ভাতে, সয়া সস, বিটরুট, টমেটো, রোস্টেড গাজর, মূলো, গাজরের জুস, লঙ্কাগুঁড়া, কারি পাতা, কারি পাতা কাঠি...😊😊

মচমচে বাঁধাকপির পাকোড়া তৈরি করবেন যেভাবেবাজারে এখন বাঁধাকপি উঠতে শুরু করেছে। শীত আসতেই এই সবজির দেখা মেলে। সব খাবারের সঙ...
19/12/2021

মচমচে বাঁধাকপির পাকোড়া তৈরি করবেন যেভাবে

বাজারে এখন বাঁধাকপি উঠতে শুরু করেছে। শীত আসতেই এই সবজির দেখা মেলে। সব খাবারের সঙ্গেই দারুণ মানিয়ে যায় বাঁধাকপি। এটি দিয়ে বাহারি সব পদও তৈরি করা যায়। আবার স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী এটি।

বাঁধাকপি দিয়ে পাকোড়াও তৈরি করতে পারেন। খুবই মুখোরচক এই পদ বিকেলে তৈরি করে পরিবারের সবাইকে চমকে দিতে পারেন। খুব সহজেই কম সময়ে ঝটপট তৈরি করে নেওয়া যায় এই পদ। জেনে নিন রেসিপি-

উপকরণ

১. বাঁধাকপি আধা কেজি২. পেঁয়াজ ৪/৫টি৩. কাঁচামরিচ ৪/৫টি৪. হলুদ গুঁড়া ১ চা চামচ৫. মরিচ গুঁড়া ১ চা চামচ৬. আদা ও জিরা বাটা ১ চা চামচ৭. বেসন ২০০ গ্রাম৮. বিটলবণ৯. লবণ ও ১০. তেল পরিমাণমতো।
পদ্ধতি

বাঁধাকপি ভালো করে ধুয়ে কুচি কুচি করে কেটে নিন। তারপর ৭-৮ মিনিট অল্প লবণ দিয়ে মাখিয়ে রাখুন।

এরপর বাঁধাকপি কুচির সঙ্গে পেঁয়াজ, কাঁচামরিচ, আদা, জিরা, বেসন ও লবণ দিয়ে ভর্তার মতো ভালোভাবে মাখিয়ে রেখে দিন।

এবার প্যান বা কড়াইয়ে তেল গরম করে নিন। তারপর মাখিয়ে রাখা বাঁধাকপিগুলো হাত দিয়ে অল্প করে নিয়ে পাকোড়া আকারে তৈরি করে নিন।

গরম তেলে একটি একটি করে পাকোড়া ছেড়ে দিন। মাঝে মাঝে উল্টিয়ে দিন। লাল হয়ে আসলে নামিয়ে ফেলুন। একইভাবে সবগুলো ভেজে নিন।

ভাজা শেষ হলে সালাদ, সস, বা চাটনির সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন বাঁধাকপির পাকোড়া। বিকেলের নাস্তায় চায়ের সঙ্গে দারুণ মানিয়ে যায় এই পাকোড়া।

মচমচে চিড়ার চপ তৈরির রেসিপি******************************অবসরে মচমচে চিড়া ভাজা খেতে তো সবাই পছন্দ করেন। সবার ঘরেই চিড়া-ম...
19/12/2021

মচমচে চিড়ার চপ তৈরির রেসিপি
******************************
অবসরে মচমচে চিড়া ভাজা খেতে তো সবাই পছন্দ করেন। সবার ঘরেই চিড়া-মুড়ি থাকে। শুকনো খাবারের মধ্যে চিড়ার স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো আবার পেটও দ্রুত ভরায়।

পোলাও থেকে শুরু করে পায়েস, নাড়ুসহ চিড়া দিয়ে মুখোরোচক নানা পদ তৈরি করা যায়। এ ছাড়াও চিড়া দিয়ে তৈরি করতে পারেন মচমচে চপ। জেনে নিন রেসিপি-

উপকরণ
১. ‏চিড়া আধা কাপ২. পেঁয়াজ কুচি ১/৩ কাপ ‏৩. মরিচ কুচি ১ চা চামচ ‏কাচা ৪. ভাজা জিরার গুঁড়া আধা চা চামচ ‏৫. ‏ভাজা ধনিয়ার গুঁড়া আধা চা চামচ ৬. ‏হলুদ গুঁড়া ১/৪ চা চামচ ৭. ‏শুকনো মরিচের গুঁড়া ১/৪ চা চামচ৮. ‏লবণ পরিমাণমতো ও৯. তেল পরিমাণ অনুযায়ী।

পদ্ধতি
চিড়া ভালো করে ধুয়ে ৩০ মিনিট জলতে ভিজিয়ে রাখুন। তারপর ভালো করে পানি ঝরিয়ে নিন। তেল বাদে বাকি সব উপকরণ একটি পাত্রে নিয়ে নিন।
এবার হাতের সাহায্যে ভালো করে মাখিয়ে নিন। প্রয়োজনে সামান্য জল মিশিয়ে নিতে পারেন। সব কিছু ভালো করে মিশিয়ে চপের আকারে তৈরি করে নিন।
অন্যদিকে কড়াইতে পরিমাণমতো তেল গরম করে নিন। তারপর চপগুলো তেলে ছেড়ে দিন। হালকা আঁচে সময় নিয়ে ভাজুন।

বাদামি রঙা হয়ে এলে নামিয়ে পছন্দমতো সস বা চাটনির সঙ্গে গরম গরম পরিবেশন করুন মচমচে চিড়ার চপ।

মচমচে ভাজা পুলি পিঠার সহজ রেসিপি""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""মচমচে ভাজা পুলি পিঠার সহজ রেসিপিশীত এলেই বাহার...
19/12/2021

মচমচে ভাজা পুলি পিঠার সহজ রেসিপি
""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""""

মচমচে ভাজা পুলি পিঠার সহজ রেসিপি
শীত এলেই বাহারি পিঠা তৈরির ধুম পড়ে যায় সবার ঘরে। আর শীত মানেই পুলি পিঠা খাওয়ার আনন্দ। যদিও দুই উপায়ে তৈরি করা যায় এই পিঠা। অনেকে পুলি পিঠা রসে ভিজিয়ে খেয়ে থাকে।
যাকে বলা হয় দুধ পুলি। আবার অনেকেই মচমচে ভাজা পুলি খেতে ভালোবাসেন। চলুন তবে আজ জেনে নেওয়া যাক মচমচে ভাজা পুলি পিঠার সহজ রেসিপি-

উপকরণ

১. কোরানো নারকেল দেড় কাপ ‏২.‏ চিনি আধা কাপ৩. ‏এলাচ একটি ৪. ‏দারুচিনি ২ টুকরো৫. চালের গুঁড়া ১ কাপ ‏৬. ‏ময়দা আধা কাপ৭. ভাজার জন্য ‏তেল

পদ্ধতি

একটি ফ্রাইপ্যানে নারকেল, চিনি, দারুচিনি ও এলাচ নিয়ে অল্প আঁচে নাড়তে থাকুন। চিনি গলে আঁঠালো ভাব হয়ে আসলে চুলা বন্ধ করে ঠান্ডা করে নিন। এবার আরেকটি পাত্রে দেড় কাপ জল ও ১ চা চামচ লবণ মিশিয়ে ফুটিয়ে নিন।

চালের গুঁড়া ও ময়দা মিশিয়ে ঢাকনা দিয়ে ঢেকে ৫-৭ মিনিট জ্বাল করুন। এরপর ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। হাতের সাহায্যে মথে নরম ডো বানিয়ে নিন। প্রয়োজন মনে হলে ঠান্ডা জল মিশিয়েও মথে নিতে পারেন।

খামিরটাকে দু’ভাগ করে এক ভাগ নিয়ে কিছুক্ষণ মথে লম্বা করে নিয়ে চাকু দিয়ে ছোট ছোট টুকরো করে কাটুন। এবার টুকরোগুলো নিয়ে বলের আকার করে হাত দিয়ে চ্যাপ্টা করে কিছু নারকেলের পুর ভরে বন্ধ করে নিন।

তারপর দু’হাত দিয়ে চেপে পিঠার আকৃতি নিন। এ পর্যায়ে জিপ-লক ব্যাগে ভরে রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করতে পারেন। নএবার কড়াইয়ে পর্যাপ্ত তেল দিয়ে মাঝারি আঁচে গরম করুন।

তেল হালকা গরম হয়ে এলে পিঠা দিয়ে অল্প আঁচে ভাজতে থাকুন। একপাশ হয়ে গেলে উল্টে দিন। দুই পাশ বাদামি করে ভেজে নিন। হয়ে গেলে নামিয়ে টিস্যু পেপার এর উপর রেখে ঠান্ডা করে পরিবেশন করুন।

৫ উপকরণেই তৈরি করুন সুস্বাদু মালপোয়া পিঠা*******************************************শীতকাল মানেই মুখোরোচক ও সুস্বাদু সব ...
19/12/2021

৫ উপকরণেই তৈরি করুন সুস্বাদু মালপোয়া পিঠা
*******************************************
শীতকাল মানেই মুখোরোচক ও সুস্বাদু সব পিঠা খাওয়ার সময়। আর এ সময় পিঠার তালিকায় মালপোয়া রাখবেন না তা কি হয়! মালপোয়া না হলে শীতটা ঠিক জমে না।
জানেন কি, মাত্র ৫ উপকরণ দিয়েই ঝটপট ঘরেই তৈরি করে নিতে পারেন মালপোয়া। তাও আবার খুব সহজেই। জেনে নিন মালপোয়া তৈরির সহজ রেসিপি-
উপকরণ
১. ময়দা ১ কাপ২. সুজি ১ কাপ৩. চিনি আধা কাপ৪. দুধ ১ কাপ ও৫. ঘি পরিমাণমতো।
পদ্ধতি
ময়দা, সুজি ও চিনি একটি বড় পাত্রে নিয়ে শুকনো অবস্থায় মিশিয়ে নিন। চাইলে সামান্য মৌরিও মিশিয়ে নিতে পারেন।
এবার এতে দুধ দিয়ে গোলা তৈরি করুন। গোলা বেশি ঘন হয়ে গেলে আরেকটু দুধ দিয়ে ফেটিয়ে নিতে পারেন।
ময়দার মিশ্রণ ঘণ্টাখানেক ঢেকে রাখুন। অন্যদিকে পরিমাণমতো জলতে চিনি মিশিয়ে সিরা তৈরি করে নিন। চিনি যেন পুরোপুরি মিশে যায়।
এতে দুই তিনটি এলাচ দিয়ে দিতে পারেন। সিরা আলাদা করে রাখুন। এবার কড়াইয়ে তেল বা ঘি গরম করে নিন। ডুবো তেলে ব্যাটার দিন।
সোনালি-বাদামি রং হয়ে গেলে নামিয়ে নিন। যারা রস ছাড়াই মালপোয়া ভালোবাসেন তারা সিরা ব্যবহার করবেন না।
আর যারা রসে ডোবানো মালপোয়া খেতে পছন্দ করেন, তারা গরম মালপোয়া এক মিনিট সিরায় ডুবিয়ে তুলে ফেলুন।

বৃষ্টির দিনে বাঙালির একমাত্র চাহিদা🤤 #খিচুড়ি 😍
14/12/2021

বৃষ্টির দিনে বাঙালির একমাত্র চাহিদা🤤
#খিচুড়ি 😍

⚡ দামে সুলভ হলেও পুষ্টিতে ভরপুর এই লইট্টা মাছ। ⭐ লইট্টা মাছ প্রোটিনে ভরপুর। ▶ যখন লইট্টা মাছকে শুটকি করা হয়, তখন এই প্র...
02/11/2021

⚡ দামে সুলভ হলেও পুষ্টিতে ভরপুর এই লইট্টা মাছ।

⭐ লইট্টা মাছ প্রোটিনে ভরপুর।

▶ যখন লইট্টা মাছকে শুটকি করা হয়, তখন এই প্রোটিনের পরিমান আরো বৃদ্ধি পায়।

> আর প্রোটিন আমাদের শরীরের টিস্যু গঠনে প্রত্যক্ষ ভূমিকা রাখে।

> এছাড়াও লইট্টা মাছে থাকা প্রোটিন শরীরের হরমোন, এনজাইম এবং অন্যান্য কেমিক্যালের ভারসাম্য বজায় রাখে।

▶ লইট্টা মাছে রয়েছে অতি উপকারী ওমেগা-৩-ফ্যাটি অ্যাসিড।
এটি মানুষের শরীরের রক্তনালীগুলোকে পরিষ্কার রেখে হার্ট স্ট্রোকের ঝুঁকি কমায়।

⭐ হার্টের সুস্বাস্থ্যের জন্যে লইট্টা মাছে থাকা #ওমেগা-৩-ফ্যাটি অ্যাসিডের কাজ বহুমাত্রিক, যেমন,

▶ অতিরিক্ত রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিহত করা,

▶ রক্তে ট্রাইগ্লিসারাইডের লেভেল কমানো, রক্ত-সঞ্চালন বাড়ানো ইত্যাদি।

▶ লইট্টা মাছ আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত রোগীর জন্যে খুবই উপকারি।

▶ এই মাছের তেল দারুন এক ব্যথানাষক ওষুধ হিসেবে কাজ করে।

▶ এছাড়াও লইট্টা মাছ কোলন ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।

▶ লইট্টা শুটকিতে থাকা ক্যালসিয়াম উচ্চ-রক্তচাপ কমায়।

▶ এছাড়াও এই ক্যালসিয়াম পিরিয়ড শুরুর প্রাক্কালে নারীদের যে মুডজনিত মানসিক সমস্যা হয় তা কমায়।

▶ লইট্টা শুটকিতে রয়েছে প্রচুর আয়রন। যারা রক্তাল্পতায় ভুগছেন, তাদের জন্য এটি দারুণ কার্যকরি।

▶ লইট্টা মাছ হিমোগ্লোবিন তৈরি,

> পেশির শক্তিবৃদ্ধি,

> ব্রেইনের সক্ষমতা বৃদ্ধি,

> শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ,

> শক্তিশালী রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা,

> অনিদ্রা কমানো,

> শক্ত হাঁড় ও দাঁত তৈরি,

> পরিপাকে সহায়তা,

> দৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি,

> ত্বক ও ঠোঁটের সুস্বাস্থ্যসহ অসংখ্য স্বাস্থ্য-উপকার করে থাকে।

#সংগৃহীত
#বিকল্পখাদ্যসন্ধানী

Katla Vapa Recipe: গরম ভাতের সঙ্গে খাওয়ার জন্য বানিয়ে ফেলুন ‘কাতলা ভাপা’, রইলো রেসিপিবাঙালি মানেই মাছে-ভাতে আয়েশ করে খ...
20/10/2021

Katla Vapa Recipe: গরম ভাতের সঙ্গে খাওয়ার জন্য বানিয়ে ফেলুন ‘কাতলা ভাপা’, রইলো রেসিপি

বাঙালি মানেই মাছে-ভাতে আয়েশ করে খাওয়া। যতই ইতালিয়ান, চাইনিজ খাওয়া হোক না কেন সব শেষে মাছে ভাতে ঢেকুর তুলে ভাত ঘুম দিতেই বেশি পছন্দ করে। তো তাই আজ আপনাদের কাতলা মাছের একটি রেসিপি বলবো। যার নাম ‘কাতলা ভাপা’। চলুন দেখে নেওয়া যাক কিভাবে বানাবেন।
উপকরণ: কাতলা মাছ, নুন, হলুদ, কাঁচা লঙ্কা, পোস্ত, কালো সরষে, পেঁয়াজ, আদা বাটা, রসুন বাটা, লাল লঙ্কার গুঁড়ো, টক দই, সরষের তেল।
প্রণালী: প্রথমেই একটি কড়াইতে কিছুটা সরষের তেল গরম করে তাতে ১ টা পেঁয়াজ কুচি দিয়ে ভালো করে ভেজে নিতে হবে। এরপর ১ চামচ আদা-রসুন বাটা, সামান্য হলুদ গুঁড়ো, ১/২ চা চামচ লঙ্কা গুঁড়ো দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর ভালো করে কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করে ভেজে তুলে রাখতে হবে। তারপর একটি মিক্সিতে ২ চা চামচ পোস্ত, ২ চা চামচ কালো সরষে, ১ টা কাঁচা লংক, নুন ও জল দিয়ে একটি পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে।
এরপর ওই পেঁয়াজ ভাজার মধ্যে পেস্ট টা দিয়ে দিতে হবে। তারপর ২ টেবিল চামচ টক দই দিয়ে দিতে হবে। এরপর এরমধ্যে সরষের তেল দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর এরমধ্যে মাছের পিস গুলো দিয়ে ভালো করে মসলা মাখিয়ে নিতে হবে। তারপর উপর দিয়ে দুটো কাঁচালঙ্কা দিয়ে টিফিন বক্স এর কৌটো আটকে দিতে হবে। এরপর কড়াই হোক বা ডেকচিতে জল দিতে হবে। যাতে টিফিন বক্স তা হাফ ডোবে। এরপর তার মধ্যে টিফিন বক্স বসিয়ে ঢাকা দিয়ে রান্না করতে হবে ৩০ মিনিট। এরপর ঢাকনা সরিয়ে নামিয়ে নিলেই তৈরি ‘কাতলা ভাপা’।

দোসা তৈরি করুন ঘরেই ...দোসা দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় এক খাবার। রুটিজাতীয় এই খাবারটির প্রধান উপাদান চাল এবং মাসকালাইয়ের ডা...
25/09/2021

দোসা তৈরি করুন ঘরেই ...

দোসা দক্ষিণ ভারতের জনপ্রিয় এক খাবার। রুটিজাতীয় এই খাবারটির প্রধান উপাদান চাল এবং মাসকালাইয়ের ডাল। এটি ভারত, পাকিস্তানসহ ভারতীয় উপমহাদেশের জনপ্রিয় এক খাবার।

বর্তমানে দেশেও বেশ জনপ্রিয় এই খাবারটি। বিভিন্ন রেস্টুরেন্ট থেকে শুরু করে ফাস্টফুড কর্নারগুলোতেও বেশ সহজলভ্য এই খাবারটি। রুটিজাতীয় এই খাবারটি বিভিন্ন চাটনি বা তরকারি দিয়ে খাওয়া যায়।
ঘরে কখনও দোসা তৈরি করেছেন? চাইলেই খুব সহজে ঘরেই তৈরি করে নেওয়া যায় দোসা। এটি তৈরি করা বেশ সহজ। জেনে নিন দোসা তৈরির সহজ রেসিপি-
উপকরণ

১. পোলাওয়ের চাল ৩ কাপ২. মাসকালাইয়ের ডাল ১ কাপ৩. খাবার সোডা ১ চা চামচ৪. লবণ ১ চা চামচ৫. চিনি আধা চা চামচ ৬. তেল সামান্য ও৭. পানি পরিমাণমতো
পদ্ধতি
চাল ও ডাল ৬ ঘণ্টা ভিজিয়ে রাখুন। চাল ও ডাল ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এই মিশ্রণে লবণ, চিনি ও পানি মিশিয়ে পাতলা করে গোলা তৈরি করে নিন। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আরও ৬ ঘণ্টা রাখুন।
এবার একটি ননস্টিক পাত্রে তেল ব্রাশ করে হালকা আঁচে গরম করুন। তেল গরম হয়ে গেলে পাত্রে এক টেবিল চামচ দোসার গোলা ঢালুন এবং পাত্রের চারদিকে চামচ দিয়ে পাতলা ও গোল করে ছড়িয়ে দিন।

দোসার নিচের অংশ হালকা বাদামি হয়ে যাবে। তারপর দেখবেন এর চারদিক তাওয়া থেকে উঠে আসছে। তখনই বুঝতে হবে দোসা তৈরি হয়ে গেছে।
চামচ দিয়ে গোল করে মুড়িয়ে দোসা পাত্রে তুলে নিন। এরপর বিভিন্ন আলু সাম্বার, ডাল, সবজি, মাংস ভুনা, তেঁতুল, আমড়ার চাটনি, নারকেল মিষ্টি চাটনি ও টকদই দিয়ে গরম গরম দোসা পরিবেশন করুন।

Address

52/A Sashi Bhusaon Niogi, Garden Lane
Baranagar
700036

Telephone

+918334985454

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ahar Hotel & Restaurant posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category