10/10/2026
এই অঞ্চলের একটা সাহিত্যিক ঐতিহ্যও আছে। দারিয়াপুর, যে জায়গাটি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বিখ্যাত উপন্যাস “কপালকুণ্ডলা”-র পটভূমি হিসেবে পরিচিত। তাই জায়গাটার চারপাশে যেন সাহিত্য আর ইতিহাসের একটা নিঃশব্দ ছোঁয়া অনুভব করা যায়। 📖✨
সম্প্রতি মৃণ্ময়ী কুটীরে থাকা এক অতিথি তাঁর অভিজ্ঞতা এভাবেই ভাগ করে নিয়েছেন। আমরা হাওড়া থেকে ট্রেনে 🚆 কাঁথি স্টেশনে পৌঁছেছিলাম। কাঁথি স্টেশন থেকে ওখানকার লোকাল গাড়ি বা টোটো ভাড়ায় সহজেই মৃণ্ময়ী কুটীরে পৌঁছানো যায়, প্রায় আধঘন্টার পথ। চাইলে নিজের গাড়িতেও যেতে পারেন, গুগল ম্যাপে “Mrinmoyee Kutir Village Resort” সার্চ করলেই লোকেশন সহজে পাওয়া যাবে। রাস্তাটা সুন্দর, গ্রামের ভিতর দিয়ে যাওয়া সেই পথটা নিজেই একরকম ট্রিপের অংশ মনে হবে 💭।
শহরের কোলাহল থেকে একদম দূরে, একদম শান্ত নিরিবিলি পরিবেশ 🌾। সকালে পাখির ডাক 🐦, চারপাশে সবুজ গাছপালা 🌳 আর হালকা বাতাস 🍃—সব মিলিয়ে মনটা একদম ফ্রেশ হয়ে যায় 💆♂️💚। দিঘা থেকে মাত্র এক ঘণ্টার দূরত্বে রয়েছে।
রিসর্টের ঘরগুলো একদম পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন 🏡, আর পরিবেশটা খুব শান্ত 🌸। আমরা যেদিন গিয়েছিলাম, আবহাওয়াও ছিল দারুণ ☁️—একটু ঠান্ডা হাওয়া, বিকেলে চা ☕ খেতে খেতে চারপাশের দৃশ্যটা উপভোগ করার মজাই আলাদা 🌅। খাবারও সত্যিই ভালো ছিল 🍛। যারা একবার এখানকার রান্নার স্বাদ নেবেন, তাদের কাছে এটা নিঃসন্দেহে থাকবে “বেস্ট টেস্টিং ডেস্টিনেশন” তালিকায় 😋🔥।
পার হেড প্যাকেজ প্রাইস বেশ যুক্তিসঙ্গত 💰, সিজন অনুযায়ী প্রায় ১৫০০ টাকা থেকে শুরু। এই দামে এমন পরিবেশে থাকা সত্যিই অসাধারণ লাগে 🌿❤️।
সব মিলিয়ে বলতে পারি, যারা একটু শান্ত, অফবিট জায়গায় ঘুরতে চান 🧳, শহরের ভিড় থেকে দূরে কিছু সময় প্রকৃতির মাঝে কাটাতে চান 🍂, তাদের জন্য মৃন্ময়ী কুটির একদম পারফেক্ট জায়গা 💚। আবার যাওয়ার ইচ্ছে অবশ্যই থাকবে 🌤️😊।
যোগাযোগ: 8710045662 — চাইলে ঘুরে আসতে পারেন।