09/06/2026
পশ্চিমবঙ্গের শেষ গ্রাম + বাংলাদেশ জল বর্ডার + নর্থ সুন্দরবন + মাটি ও বাঁশের তৈরি ঘর + গ্রাম্য খাওয়া-দাওয়া + আদিবাসী নৃত্য + গ্রাম্য পরিবেশ + সবুজ প্রকৃতিতে মোড়া রিসোর্ট + জঙ্গলের পাশ দিয়ে বোট রাইড + তিন নদীর মিলনস্থল + ছিপ দিয়ে মাছ ধরা। —সবকিছুর অনন্য অভিজ্ঞতা একসঙ্গে উপভোগ করতে চাইলে চলে আসুন
আপনি যেখানে থাকবেন, তার চারিপাশে তিনদিক খোলা সবুজ মাঠ ও গাছপালা। কিছু দূরেই বাংলাদেশ জল বর্ডার। সকালের টিফিন করে টোটো বা অটো করে দেখতে বেরিয়ে পড়তে পারবেন বাংলাদেশ জল বর্ডার, যা ঘেরা আছে কাঁটাতারের বেড়া দিয়ে।
সেখান থেকে আসার পরে আপনার ইচ্ছামতো দুপুরের খাওয়া-দাওয়া খেয়ে মাটি ও বাঁশের তৈরি ঘরে ভাতঘুম দিয়ে টোটো বা অটোতে করে বেরিয়ে পড়তে পারেন জাল দিয়ে ঘেরা সুন্দরবন দেখতে। সুন্দরবনের পাশ দিয়ে যখন টোটোতে করে যাবেন, তখন কিছু কিছু জায়গায় দেখা মিলবে মাত্র ১০ থেকে ১৫ মিটার দূরেই সুন্দরবন ও জনবসতি, যেটা আর কোথাও নেই এই নর্থ সুন্দরবন ছাড়া।
কিছু কিছু জায়গায় দেখবেন, নদীতে ভাটা পড়ে গেলে জঙ্গল ও মানুষ চলাচলের রাস্তার দূরত্ব মাত্র ৭ থেকে ৮ ফুট। আর দেখতে পাবেন সুন্দরবনের জনবসতির মানুষদের জীবনযাত্রা।
সেই দৃশ্য দেখতে দেখতে সোজা চলে যেতে পারেন সেখানে, যেখান থেকে বাংলাদেশ ও ভারতের সুন্দরবন অংশ ভাগ হয়েছে সেই সীমান্তে। মনোমুগ্ধকর দৃশ্য সেখানে গেলে দেখতে পাবেন।
তারপরে সন্ধ্যার সময় এ ফিরে সন্ধ্যার টিফিন করে নিয়ে দেখতে বসতে পারেন আদিবাসী নৃত্য। তারপরে রাতের খাওয়া-দাওয়া করে মাটি ও বাঁশের তৈরি ঘরে থাকার আনন্দ উপভোগ করতে পারেন।
ও হ্যাঁ, একটা কথা তো এখনো বলা হয়নি। যখন আপনি কলকাতা থেকে রিসোর্টে আসবেন, তখনই দেখতে পাবেন রায়মঙ্গল, গৌড়েশ্বর ও কালিন্দী—এই তিন নদীর মিলনস্থল। আর সেই তিন নদীর মিলনস্থলের উপর দিয়েই আপনাদের নৌকায় করে আসতে হবে।
এবার আসি তার পরের দিন কোথায়।
সকালবেলা ব্রেকফাস্ট করে দেখতে বেরিয়ে পড়তে পারেন জলপথে লঞ্চে করে সুন্দরবন। সেই পথে দেখা মিলবে ঝিঙাখালি, মরিচঝাঁপি, বুড়িরডাবরী, কাটোয়া জুড়ি ও হরিখালী ওয়াচ টাওয়ার, এবং সুন্দরবনে থাকা বিভিন্ন জীবজন্তু ও পাখি-পাখালির। আর দুই পাশে ঘন জঙ্গল, আর তার মাঝখান দিয়ে যখন আপনি লঞ্চে করে যাবেন, তখন এক রহস্যঘেরা এই নর্থ সুন্দরবন আপনার মনের ভিতরে সুপ্ত রোমাঞ্চকে জাগিয়ে তুলবে।
তারপরে জঙ্গল থেকে ঘুরে আসার পরে রাতে এসে নিতে পারবেন বার্বিকিউ। তারপরে রাতের খাওয়া-দাওয়া করে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত কটেজে আরামের ঘুম।
আর যারা লঞ্চে করে না যেতে চান, তাদের জন্য আছে নৌকায় করে মাত্র দুটি ওয়াচ টাওয়ার—ঝিঙাখালি ও মরিচঝাঁপি—ঘুরে দেখার সুযোগ।
তারপর যদি চান, তাহলে আপনারা আরো একটা দিন থেকে ঘুরে দেখতে পারেন এখানকার গ্রাম, যা পুরো সবুজে মোড়া। আর তার সঙ্গে গ্রামের বাড়ি ইকো রিসোর্টএর পুকুরে ছিপ দিয়ে মাছ ধরা ও গ্রামের সব টাটকা খাওয়া-দাওয়ার মজা।
তাই বলছি, শহরের একটু ব্যস্ততার মাঝে দুই থেকে তিনটে দিন সময় হাতে বের করে পশ্চিমবঙ্গের মানচিত্রের একদম শেষ সীমানা থেকে একটু ঘুরে যান। আর দেখে যান পশ্চিমবঙ্গের শেষ বাড়িটি, শেষ গ্রামটি, ভারতবর্ষের বিখ্যাত নর্থ সুন্দরবন গ্রামের বাড়ি ইকো রিসোর্ট এ
যদি এই সমস্ত সুন্দর মুহূর্ত, প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য, গ্রামবাংলার সরল জীবনযাপন এবং নর্থ সুন্দরবনের রোমাঞ্চকর অভিজ্ঞতাকে আপনার জীবনের স্মৃতির পাতায় চিরদিনের জন্য জায়গা দিতে চান, তাহলে আজই যোগাযোগ করুন।
8276008109
জুন জুলাই মাস জুড়ে ফুলদামে বুকিং চলছে। তাই দেরি না করে এক্ষুনি যোগাযোগ করুন