Rishyap Resort Sonar Tari

Rishyap Resort Sonar Tari Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rishyap Resort Sonar Tari, Kalimpang.

সৎ পথে না চললে মানুষ ধীরে ধীরে চোরের মত হয়ে যায়—এই কথার মধ্যে গভীর জীবনের সত্য লুকিয়ে আছে। মানুষ একদিনে খারাপ হয়ে যা...
31/01/2026

সৎ পথে না চললে মানুষ ধীরে ধীরে চোরের মত হয়ে যায়—এই কথার মধ্যে গভীর জীবনের সত্য লুকিয়ে আছে। মানুষ একদিনে খারাপ হয়ে যায় না; ছোট ছোট ভুল, সামান্য অসততা, অন্যের প্রাপ্য জিনিস নিজের করে নেওয়ার মানসিকতা ধীরে ধীরে তাকে অন্ধকার পথে ঠেলে দেয়। শুরুটা হয় হয়তো মিথ্যা কথা বলা দিয়ে, তারপর সুযোগ বুঝে অন্যের ক্ষতি করা, আর একসময় সে নিজের কাছেও অপরিচিত হয়ে যায়। সৎ পথ কঠিন হতে পারে, কিন্তু সেই পথেই সম্মান, শান্তি আর আত্মসম্মান থাকে। অসৎ পথে সাময়িক লাভ থাকলেও শেষ পর্যন্ত তা মানুষকে একা, অপরাধবোধে ভরা এবং সমাজের কাছে ছোট করে দেয়।
তাই তাকে ভালো করে চিনে রাখুন—যার নাম আশীষ কুমার গুপ্ত।

25/01/2026

এই তিনজন মানুষ আমাকে শারীরিকভাবে নয়, ধীরে ধীরে মানসিকভাবে মেরে ফেলেছে। দিনের পর দিন মিথ্যে কথা, দ্বিচারিতা, অবহেলা আর নিঃশব্দ মানসিক অত্যাচারের ভারে আমি আজ সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েছি। বিশ্বাস ভেঙেছে, সম্মান চূর্ণ হয়েছে, আত্মসম্মান তলানিতে এসে ঠেকেছে। কেউ আমাকে ছুরি মারেনি, কিন্তু প্রতিদিন কথায়, আচরণে, ষড়যন্ত্রে এমন আঘাত দিয়েছে—যার ক্ষত রক্তে নয়, আত্মায় জমে থাকে।
আমি আজ বিধ্বস্ত, নিঃস্ব, ক্লান্ত এক মানুষ—যার কষ্ট দেখার মতো চোখ ছিল না, শোনার মতো কান ছিল না। এত মিথ্যার ভিড়ে সত্য বলাটাই যেন আমার অপরাধ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই যন্ত্রণা ভাষায় ধরা যায় না, শুধু বুকের ভেতর নীরবে পুড়তে থাকে। যারা পড়ছেন, তারা যদি এক মুহূর্ত থেমে ভাবেন—তাহলেই বুঝবেন, মানুষকে মারার জন্য হাত নয়, কখনও কখনও মিথ্যাই যথেষ্ট।

25/01/2026

পৃথিবীতে ভালো-মন্দ মিলিয়েই মানুষ। অনেক সময় সরলতার আড়ালেও কিছুটা লোভ লুকিয়ে থাকতে পারে। এখানে আমি দ্বিতীয় ধরনের একজন মানুষের কথা বলছি—তিনি হলেন প্রবীর মজুমদার।
অনেক বছর আগের কথা। শুনেছি, তিনি এক সময় চারচাকা গাড়ির ড্রাইভার হিসেবে কাজ করতেন—কখনও ভাড়ায়, কখনও রবীন্দ্র ভারতী অঞ্চলে। আবার কখনও বিটি রোডের ধারে খাবারের দোকানে তাঁর ভাইয়ের সঙ্গে মিলিয়ে কাজ করতেন। সেই সময়টা মোটামুটি স্বচ্ছ ও সাদামাটা ছিল। হাসি-ঠাট্টা, আড্ডা, একসঙ্গে খাওয়া-দাওয়া—সবই চলত স্বাভাবিকভাবে।
প্রায় এক বছর আগে প্রবীরের পাড়ায় আশীষ গুপ্তর একটি টাটা সুমো চুরি যায়। থানায় মামলা হলেও তাতে বিশেষ কোনো ফল হয়নি—এই ঘটনাটা শুধু প্রেক্ষাপট হিসেবে উল্লেখ করছি।
পরবর্তীতে ধান্দাবাজ আশীষ গুপ্ত পাহাড়ে একটি রিসোর্ট গড়ে তোলেন, যার দায়িত্ব দেওয়া হয় প্রবীরের উপর। কয়েক বছর কাজ চলার পর প্রবীর পাহাড় সংক্রান্ত আয়ের ২৫–৩০ শতাংশ ভাগ দাবি করেন—এই দাবি আদৌ পূরণ হয়েছে কি না, তা জানা নেই। কিন্তু আরও কিছু বছর পর দেখা যায়, পাহাড়ের বেশিরভাগ বুকিং প্রবীরের নামেই হচ্ছে, বহু মোবাইল নম্বর তাঁর সঙ্গে যুক্ত। কারণ হিসেবে শোনা যায়, অফ-স্পট বুকিং ও টাকার বড় অংশ প্রবীরের হাতেই থাকে।
এই কাজে তাঁর সঙ্গে দীপিকা ছেত্রী জুটি বেঁধে অর্থ ভাগাভাগি করছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এই প্রক্রিয়া আজও চলছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—আমাদের সংসারের আয়ের তুলনায় প্রবীরের আয় অনেক বেশি। যেমন, মাত্র তিন মাসেই প্রায় ৫০ হাজার টাকার বেশি অতিরিক্ত আয়।
আজকাল মনে হয়, ম্যানেজারের ভূমিকায় থেকেও তিনি নিজেকে মালিক ভাবতে শুরু করেছেন। আমাদের কথা মনে করিয়ে দিতে হলে গায়ের জোর দেখানোর প্রবণতাও দেখা যায়। বারবার বলতে থাকেন—“এটা আমার, ওটা আমার, আমি অনেক কিছু করেছি, আমার অনেক চেনাজানা আছে, তাই বুকিং আমি করি।” এই ধরনের কথাবার্তা শুরু হলে তার শেষ থাকে না।
দীপিকা ছেত্রীকে সামনে রেখে নানা রকম জলঘোলা পরিস্থিতিও তৈরি হয়। কখনও তাঁর পরিবারকে নিয়ে দীঘা বা পুরীর মতো সমুদ্র ভ্রমণের গল্প, আবার কখনও বুকিংয়ের টাকায় পাহাড়ে অপচয়, হিসাবের খাতায় টাকা না জমা করে হাতে নগদ অর্থ রেখে লোভে মেতে ওঠার অভিযোগ—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হয়ে উঠেছে।

25/01/2026

ভালো মানুষ হিসেবে পরিচিত হলেও বাস্তবে আমাদের সম্পত্তি ঘিরে প্রকৃত থ্রেট কালচারের সূচনা হয় ২০০০ সাল থেকেই। আশীষ গুপ্ত মূলত ইনকাম ট্যাক্সকে কিছুটা ভয় পায়, সেই কারণেই ‘সোনারতরী’ সংক্রান্ত আয়ের ক্ষেত্রে ইনকাম ট্যাক্সের কোনো উল্লেখযোগ্য নথি রাখা হয়নি। নিজের ঘোষিত আয়ের তুলনায় আমাদের সম্পত্তি থেকে সে বিপুল পরিমাণে তছরুপ করেছে। এই কারণেই উপযুক্ত প্রমাণ ইচ্ছাকৃতভাবে লোপাট করে সে আড়ালে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। কোনো কারণ না দেখিয়ে প্রমাণ নষ্ট করাকে আশীষ গুপ্ত নিজের বুদ্ধিমত্তা বলে মনে করলেও, আসলে এটি একেবারেই অনুচিত ও নীচু মানসিকতার পরিচয়। একদিকে ‘সোনারতরী’, অন্যদিকে সবজি ব্যবসা—দুই ক্ষেত্রেই নানা ভুল ও অনিয়ম করেছে সে। আশীষ গুপ্ত বুদ্ধিমান না হলেও টাকা লেনদেন গোপন করা ও হিসাব লোপাট করার কৌশল সে বেশ ভালোভাবেই জানে।

19/01/2026

মানুষ একই হলেও তার ভাব সব সময় একরকম হয় না। অনেকের ক্ষেত্রে বাইরে এক রূপ, ভিতরে আরেক রূপ—বাইরে ভালো, অথচ ভিতরে লোভী ও স্বার্থপর। এমনই একজন মানুষের কথাই এখানে বলছি।
প্রথম ব্যক্তি হলেন আশীষ কুমার গুপ্ত। তাঁর পরিচয়—কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ইন্সপেক্টর অফ কলেজ। আমি তাঁকে বহুদিন ধরে চিনি, কিন্তু ব্যক্তিগত ব্যবহারে তিনি অত্যন্ত খারাপ। তিনি প্রায়ই দাবি করেন যে কঠোর পরিশ্রম করে চাকরি পেয়েছেন। অথচ বাস্তবটা ভিন্ন। এক সময় বামপন্থী শাসনকালে তাঁর পরিবারের বামপন্থী নেতা-নেত্রীদের প্রভাবের কারণে তাঁদের পরিবারের একাধিক সদস্য সরকারি চাকরি পেয়েছেন—তার মধ্যেই আশীষ কুমার গুপ্ত অন্যতম।
তিনি অত্যন্ত অর্থলোভী। বিয়ে না করলেও তাঁর জীবনে নানা পরকীয়া সম্পর্কের কথাও শোনা যায়। এই কারণেই গোপনে টাকা জোগাড় করা ও জোরাজুরি করা তাঁর স্বভাব। সামনে যতটা ভদ্রতার মুখোশ, পিছনে তাকালে মনে হয় মানুষকে লাথি মেরে তাড়িয়ে দিতে পারেন এমন মানসিকতা। আজ এই কথাগুলো বলছি একটি কারণেই—টাকার জোরে মানুষ বড় হয় না। তাঁর নিজের পরিবারেই আশীষ গুপ্তকে নিয়ে নিন্দা রয়েছে, তা আমি জানি।
আমার ভবিষ্যতের জন্য তিনি কখনও এক পা-ও এগিয়ে আসেননি—দেশের বাইরে যাওয়ার সুযোগ হোক বা জীবনের অন্য কোনও সম্ভাবনা। আশ্চর্যের বিষয়, বড় বড় নেতা, নামী অধ্যাপক, তথাকথিত বুদ্ধিজীবীরা আমাদের বাড়িতে এসে এলাহী ভোজ—পোলাও, মাংস খেয়ে যান। কিন্তু তার বিনিময়ে আমাদের প্রাপ্তি কী? আসলে আশীষ গুপ্ত নিজের প্রতিভা বাড়ানো ও নিজের নাম জাহির করতেই ব্যস্ত। আর আমাদের পরিবারকে কীভাবে ধ্বংস করতে হয়, কীভাবে বোকা বানাতে হয়—সে তিনি ভালোভাবেই জানেন।
পাহাড়ে বিপুল অর্থে যে সম্পত্তি তৈরি হয়েছে, সেই টাকার উৎস কোথা থেকে—তা জানা আছে। তার একটি বড় অংশই এসেছে আমার পরিবারের সম্পত্তি ও আয়ের টাকায়। এর ফলেই আমাদের সম্মান ধীরে ধীরে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া হয়েছে, এমনকি অস্তিত্ব পর্যন্ত বিপন্ন।
বৃদ্ধ বয়সে এসে কেউ হঠাৎ ধীরুভাই আম্বানির মতো হওয়া যায় না। ধীরুভাই শুরু করেছিলেন একেবারে নিচ থেকে—এডেনে পেট্রোল পাম্পে কাজ করে, কষ্ট করে টাকা জমিয়ে ভারতে ফিরে ধাপে ধাপে ব্যবসা গড়ে তুলেছিলেন। তারপরই ইতিহাস সৃষ্টি হয়। আর আশীষ গুপ্ত—তাঁর শুরুটাই হয়েছে পরিবারের টাকা কেড়ে নিয়ে।
এই হল আশীষ গুপ্ত—একজন নিষ্ঠুর ও স্বার্থপর ব্যক্তি, যাঁর কারণে আমার পরিবার ও সমাজে কীভাবে কলুষিত হচ্ছে, তা মনে রাখার মতো।
দ্বিতীয় ব্যক্তি প্রবীর মজুমদার—তার কথা পরে বলব।

Here is the Google review for Sonartari Resort in Rishop: The service is very poor, the manager Probir Majumdar’s behavi...
09/09/2025

Here is the Google review for Sonartari Resort in Rishop: The service is very poor, the manager Probir Majumdar’s behavior is extremely bad, and there is continuous embezzlement and large-scale financial fraud at the resort. Therefore, even if you stay here, please boycott this resort.

20/08/2025

Address

Kalimpang

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rishyap Resort Sonar Tari posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Rishyap Resort Sonar Tari:

Share