12/15/2013
৭ মার্চের ভাষন দেওয়া ছাড়া মুক্তিযুদ্ধে শেখ
মুজিবের অবদান দেখানতো ? পারবেন ?
---পারবেন না ! কারন শেখ মুজিব ৭ মার্চের সেই
ভাষনটা দেওয়া ছাড়া আর কিছুই করেন নি ।
তার বদলে দলে তখন অন্যকেউ থাকলে সেই
ভাষনটা সেই দিত।
মুক্তিযুদ্ধে মুজিব কি করেছে ?
সে কি স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়েছে ?
---ওটাতো দিয়েছেন শহীদ জিয়া ।
মুজিব কি মুক্তিযুদ্ধে নেতৃত্ব দিয়েছেন ?
---উত্তর না । নেতৃত্ব দিয়েছেন এম এ
জি ওসমানী ও সেক্টর কমান্ডার গন।
মুজিব কি সামনাসামনি মুক্তিযুদ্ধ করেছে ?
---উত্তর না । যুদ্ধ করেছে সাধারন
মুক্তিযোদ্ধারা ।
তাহলে মুজিব কি করেছে ? মুজিব
কি করেছে জানেন ?
---সে কাপুরুষের মতো পাকিস্তানের সামরিক
জান্তাদের কাছে ইচ্ছাকৃত
ভাবে বন্দী হয়ে পাকিস্তান
গিয়ে বিলাসী জীবনযাপন করেছে ।
এদিকে মানুষ মুক্তিযুদ্ধে অকাতরে প্রান
দিয়েছে । দীর্ঘ নয় মাস
সে পাকিস্তানে বসে দুধ , কলা , রুটি, মাংস
খেয়েছে । দেশ যে মুক্তিযুদ্ধের
মাধ্যমে স্বাধীন হয়েছে, এটা মুজিব জানতোই
না । তাকে যখন বলা হলো বাংলাদেশ স্বাধীন
হয়েছে ,
সে এটাকে তামাশা মনে করে বিশ্বাসই
করতে চায়নি। পরে তাকে অনেক কষ্টে বিশ্বাস
করানো হয় । যে মানুষটা জানতোই না যে দেশ
স্বাধীন হয়েছে , তাকে এখন স্বাধীনতার
পুরো কৃতিত্ব জোর করে দেওয়া হচ্ছে! এর
চাইতে লজ্জাজনক আর কি হতে পারে !
এদেশে মুজিবের প্রধান অবদান কি জানেন?
---তার প্রধান অবদান হচ্ছে বাকশাল কায়েম
করা ।
মুজিব কেন বাকশাল কায়েম করতে পেরেছিল
জানেন?
---কারন সে মুক্তিযুদ্ধ চোখে দেখেনি। এদেশের
স্বাধীনতা অর্জনের পথে এদেশের মানুষ
কিভাবে অকাতরে প্রান বিসর্জন দিয়েছিল
তা তিনি দেখেন নি । এজন্যই
তিনি বাংলাদেশটাকে নিজের
সম্পত্তি ভেবে ক্ষমতাটাকে আজীবন কুক্ষীগত
করে রাখতে চেয়েছিলেন । এদেশের মানুষ
তা করতে দেয়নি।
এখন কথা হচ্ছে, যে মানুষটা একটা ভাষন
দেওয়া ছাড়া কিছুই করেনি ,
তাকে স্বাধীনতার পুরো কৃতিত্ব কেন
দেয়া হবে ?
এক ভাষন আজীবন ধরে বাজিয়ে তাকে আর
কতকাল জাতির পিতা বলা হবে ?
জাতি গঠনে, জাতি উদ্ধারে যার কোন
অবদানই নেই তাকে কেন জাতির
পিতা বলতে হবে ?
বাংলাদেশকে ধ্বংস করতে যে ব্যাক্তি জঘন্য
ভাবে বাকশাল কায়েম করলো, তাকে কেন
বঙ্গবন্ধু বলতে হবে ?
সময় এসেছে এখন প্রকৃত ইতিহাস জেনে এসব
অপপ্রচার বন্ধ করার ।